ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা, ৫ দিনজুড়ে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
ফাইল ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে অব্যাহত রয়েছে আষাঢ়ের বৃষ্টি। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে।

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতের মধ্যে দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, শুক্রবার রাত ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, উত্তর-পশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকার সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে দুর্বল হয়ে মধ্য উত্তর প্রদেশ এলাকায় লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে এবং এটি আরও দুর্বল হতে পারে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে বাংলাদেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার থেকে সোমবার (১১–১৩ জুলাই) পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনও কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। এছাড়া টেকনাফে ২০৯ মিলিমিটার, সাতক্ষীরায় ১৭৯, গোপালগঞ্জে ১৬৩, চট্টগ্রামের আমবাগানে ১৫৩, সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ১৩৮, বান্দরবানে ১৩১, টাঙ্গাইলে ১২৪, কক্সবাজারে ৯৯, বরিশালে ৯৪ এবং রাঙামাটিতে ৯২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষ দিকে দেশের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে অবশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে নতুন সৃষ্টি এই ঘূর্ণিঝড়টি।
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে শনিবার দুপুরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এদিকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ১৯ মিনিটে। আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৬ মিনিটে। আরটিভি/এসআর
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন একটি নিম্নচাপ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করছে এটি। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট নিম্নচাপটি আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি পরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের নতুন এই শঙ্কা দেখা দিল এমন এক সময়ে, যখন কয়েক দিন আগেই অর্ণবের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়েছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা।  গত ২৮ অক্টোবর ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলা ও বিশাখাপটনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। ওই সময় বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও প্রতিবেশী ওড়িশায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপড়ে পড়ে অসংখ্য গাছ, প্লাবিত হয় ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। মাছ ধরার কার্যক্রমে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পাশাপাশি পরিবহণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।  সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস আরটিভি/এসআর
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
আগামী চার দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী চার দিন বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার (৪ নভেম্বর) থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কমে সার্বিকভাবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আগামী চার দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস
আরও পড়ুন
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলো ‘অর্ণব’, আঘাত হানবে কখন?