
নুসরাত হত্যা মামলার আসামি হয়ে জেলহাজতে থাকা অবস্থায় সন্তান জন্ম দেন মনি। আজ সেই সন্তানের বয়স ৬ বছর। যে বয়সে মা-বাবার স্নেহ ও ভালোবাসায় শৈশব কাটানোর কথা, সেই শিশুকে মায়ের সঙ্গে জেলখানার অন্ধকারেই কাটাতে হয়েছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি বছর।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নুসরাত হত্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন মনি। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া শিশুটির শৈশবের এই ছয় বছরের দায় নেবে কে?
আইনের বিচার হয়েছে, কিন্তু এই শিশুর হারানো শৈশবের বিচার হবে কীভাবে?
নুসরাতের বড় ভাই নোমানের ভাষ্যমতে, মনি ছিলেন নুসরাতের সহপাঠী। পরীক্ষার হল থেকে ছাদে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় মনিসহ অন্য সহপাঠীরা সহযোগিতা করেছিলেন। তদন্তে তার নাম আসায় তাকে আসামি করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে নিম্ন আদালতের রায়ে তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) উচ্চ আদালতে আপিলের শুনানি শেষে মনি-সহ ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা ও শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত। বাকি চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
যদিও নুসরাতের মা শিরিন আক্তার রায়ে সন্তুষ্ট, তবে দুই ছেলের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি শঙ্কিত। সরকারের কাছে তাদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আরটিভি/টিআর



