ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ মে ২০২১, ০৮:১৬ এএম
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (২৪ মে) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়েস হয়েছিল ৭২ বছর।

ক্যানসারে আক্রান্ত হাবীবুল্লাহ সিরাজীকে গত ২৫ এপ্রিল রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েকদিন ধরে তিনি ভেন্টিলেশনে ছিলেন।

বাংলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা পিয়াস মজিদ হাবীবুল্লাহ সিরাজীর মৃত্যুর খবর আরটিভি নিউজকে নিশ্চিত করেন বলেন, মঙ্গলবার সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য হাবীবুল্লাহ সিরাজীর মরদেহ বাংলা একাডেমিতে আনা হবে। ধানমন্ডিতে তার বাসভবন সংলগ্ন মসজিদে জানাজা হবে।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফরিদপুরে। ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন তিনি। তারপর থেকে তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে আসীন ছিলেন।

কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত হাবীবুল্লাহ সিরাজী জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২০১৮ সাল থেকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০১৬ সালে একুশে পদক, ১৯৯১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো- ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’, ‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’, ‘হাওয়া কলে জোড়াগাড়ি’, ‘নোনা জলে বুনো সংসার’, ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’, ‘আমার একজনই বন্ধু’, ‘পোশাক বদলের পালা’, ‘সিংহদরজা’, ‘বেদনার চল্লিশ আঙুল’, ‘ম্লান, ম্রিয়মাণ নয়’, ‘বিপ্লব বসত করে ঘরে’, ‘ছিন্নভিন্ন অপরাহ্ণ’, ‘জয় বাংলা বলো রে ভাই’, ‘সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না’, ‘সুগন্ধ ময়ূর লো’, ‘মুখোমুখি: তুচ্ছ’, ‘কতো আছে জলছত্র’, ‘কতোদূর চেরাপুঞ্জি’, ‘কাদামাখা পা’, ‘ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই’, ‘একা ও করুণা’, ‘যমজ প্রণালী’, ‘আমার জ্যামিতি’ ও ‘পশ্চিমের গুপ্তচর’।

উপন্যাস- ‘কৃষ্ণপক্ষে অগ্নিকাণ্ড’, ‘পরাজয়’, ‘আয় রে আমার গোলাপজাম’, অনুবাদ- ‘মৌলানার মন: রুমীর কবিতা’, আত্মজৈবনিক গ্রন্থ- ‘আমার কুমার’, গদ্যগ্রন্থ ‘দ্বিতীয় পাঠ’, ‘মিশ্রমিল’, ‘গদ্যের গন্ধগোকুল’, শিশুসাহিত্য- ‘ইল্লিবিল্লি’, ‘নাইপাই’, ‘রাজা হটপট’, ‘ফুঁ’, ‘ফুড়ুত্’, ‘মেঘভ্রমণ’, ‘ছয় লাইনের ভূত’ ও ‘ছড়াপদ্য’।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘জিপিএ-৫ মানে জেলখানার ৫ নম্বর সেল’
গুণী চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি তার বিশেষ আকর্ষণ। ছবি আঁকার অপরাধে জেলেও গিয়েছেন। বাংলাদেশের শিল্পজগতে তিনি মেলে ধরেন পাপেটের এক নতুন রূপ। ২০০৪ সালে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন গুণী এই ব্যক্তিত্ব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী। বর্তমান সময়ে পরিবারের চাপে অনেকে জিপিএ-৫ পেতে পড়াশোনা করে। ফলে সৃজনশীল বিষয়ে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, 'আসলে পুরো পড়াটা যদি সৃজনশীল হতো, তাহলে আটকে রাখা যেত না। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, এ ধরনের পড়া হলো একটা ফ্যাক্টরির বস্তার ওপর মার্কা মারা ছাপ। এই কোম্পানির এই জিনিস। এ প্লাস দরকার কী তোমার? অন্য কিছু পেলেই তো হয়। পরিবারের চাপ, এ প্লাস- পুরো সোসাইটি মার্কা-মারার দিকে চলে যাচ্ছে। পৃথিবীর সব বড় মানুষকে দেখো, এ প্লাস কে পেয়েছে খুঁজে বের করো। কিংবা একেবারে ফার্স্ট হয়েছে। খুবই কম। পৃথিবীতে এ+ পাওয়া বড় মানুষ নেই। ওরা চাকরি করে, গোলামি করে। ব্যস! বড় মানুষ না। তবে চাকরি পাবে। তোমার জীবন যদি অন্যের গোলামি করা চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তুমি সৃজনশীল কিছুই করবে না। তোমার ছবি আঁকতে ভালো লাগে, এটা তো তোমার নিজের জন্য নয়, ছবিটা কি তুমি বাক্সে তুলে রাখবে? না। তুমি নিশ্চয়ই দেখবে। দেখাবে, আর ভালো লাগবে। তোমাদের প্রকৃতিকে ভালো লেগেছে। সেটা কি তোমরা প্রকাশ করবে না?' মুস্তাফা মনোয়ার আরও বলেন, ''আগে তো খেলাধুলা নিয়ে ‘এই যে খালি খেলেই বেড়ায়’ বলে দিত মার। আর এখন তো যারা ক্রিকেট খেলছে, তাদের নিয়ে নাচানাচি করে। অনেক পয়সা করছে তো, তাই ক্রিকেটে এখন আর কোনো অসুবিধা নেই। এখন বলে, ‘সবাই জিপিএ-৫ পাবি, যা পড়’। এই জিপিএ মানে জেলখানা। জিপিএ-৫ মানে জেলখানার ৫ নম্বর সেল! ওখানে থাকো। আমাদের পয়সার দরকারটা কী? আমি বেশি পাইনি। অল্প পেয়েছি। চলে যাচ্ছে তো। এখনও নেশার মধ্যে আছি। এখনও বাচ্চাদের জন্য কাজ করছি, বড়দের জন্য করছি। এটা বিশাল নেশা।'' গুণী এই শিল্পীর ভাষ্যমতে, 'গরুর পেছনে লোহা পুড়িয়ে যেমন ছাপ দেওয়া হয় না, সে রকম তোমাদেরও ছাপ দেওয়া হয় জিপিএ-৫ এর মাধ্যমে।' প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম খ্যাতিমান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তার সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে। প্রশংসিত হয়েছেন সর্বত্র। বাংলাদেশ টেলিভিশনে শিশুদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক প্রতিভা বিকাশের ‘নতুন কুঁড়ি’র মতো সৃজনশীল অনুষ্ঠানেরও রূপকার তিনি। ৮৬ পার করেও সৃজনশীল কাজেই অবসরের আনন্দ খুঁজে পান মুস্তাফা মনোয়ার। এনএস/পি
‘জিপিএ-৫ মানে জেলখানার ৫ নম্বর সেল’
আজ সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের জন্মদিন
সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।  সাহিত্যের সবক্ষেত্রে সদর্প বিচরণকারী সৈয়দ হক বেঁচেছিলেন ৮১ বছর। এ দীর্ঘ সময়ে দু’হাত ভরে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ ও গান লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে আমৃত্যু মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি জগন্নাথ কলেজে মানবিক শাখায় ভর্তি হন। কলেজ পাসের পর ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন। পরবর্তীতে স্নাতক পাসের আগেই ১৯৫৬ সালে পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। এর কিছুদিন পর তার প্রথম উপন্যাস ‘দেয়ালের দেশ’ প্রকাশিত হয়। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মাটির পাহাড় চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লেখেন। পরে ‘তোমার আমার’, ‘শীত বিকেল’, ‘কাঁচ কাটা হীরে’, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বড় ভালো লোক ছিল’সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেন। ‘বড় ভালো লোক ছিল ও পুরস্কার নামে দুটি চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।  তার বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন ছিলেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। মা হালিমা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। ষাট, সত্তর ও আশির দশকে অনেক চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের জন্য গানও লিখেছেন সৈয়দ শামসুল হক। বাংলা সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আদমজী সাহিত্য পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার পেয়েছেন সব্যসাচী এ লেখক। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো- একদা এক রাজ্যে, বৈশাখে রচিত পঙতিমালা , অগ্নি ও জলের কবিতা, রাজনৈতিক কবিতা; গল্প : শীত বিকেল, রক্তগোলাপ, আনন্দের মৃত্যু, জলেশ্বরীর গল্পগুলো; উপন্যাস : বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ; নাটক : পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারা জীবন, ঈর্ষা; শিশুতোষ গ্রন্থ : সীমান্তের সিংহাসন।  ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে এই প্রথিতযশা কবি ও লেখক পরলোকগমন করেন। টিআই
আজ সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের জন্মদিন
আজ কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন 
আজ সোমবার (২৭ ডিসেম্বর)কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন। শতাধিক বইয়ের এই লেখকের জন্ম ১৯৭৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার জহরেরকান্দি গ্রামে। তার বাবা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস ও মা মালতী দেবী। শিক্ষক বাবা-মায়ের অপত্য স্নেহে কাটে তার বর্ণিল শৈশব ও কৈশোরকাল। তিনি নটরডেম কলেজের ছাত্র ছিলেন। ইংরেজি সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় পুনরায় মাস্টার্স করেন লন্ডনে। কলেজজীবন থেকে তার লেখালিখির শুরু।  অসম্ভব প্রাণোচ্ছল ও সংবেদনশীল মানুষ অরুণ কুমার বিশ্বাস অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকায় একসময় নিয়মিত কলাম লিখতেন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে শিশু-কিশোরদের জন্য লিখছেন ছড়া, গল্প, অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, ভুতুড়ে ও গোয়েন্দা কাহিনী। পেশাগত কাজের ফাঁকে (অতিরিক্ত কমিশনার, বাংলাদেশ কাস্টমস) তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রম্যধাঁচে নিয়মিত কলাম লিখছেন।  রম্যরচনা ও কিশোর অ্যাডভেঞ্চার বিষয়ে তার লেখাজোখা প্রচুর। তবে তিনি গোয়েন্দাগল্পের বিশেষ ভক্ত। এপার বাংলায় ফেলুদা’র মতো একটি চৌকস বুদ্ধিদীপ্ত গোয়েন্দা চরিত্র গড়ে তুলতে তিনি বদ্ধপরিকর। ‘অলোকেশ রয়’তাঁর সৃজিত প্রাইভেট ডিটেকটিভ যাকে নিয়ে লেখা উপন্যাস জলপিপি, কফিমেকার, আলিম বেগের খুলি, জগু, অনল মিত্রের অপমৃত্যু, সাইকোপ্যাথ বিশেষ পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর প্রচেষ্টায় ‘দ্য ডিটেকটিভস’নামে একটি গোয়েন্দাগল্প লিখিয়ে প্লাটফর্ম ইতোমধ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে; এসেছে ‘গোয়েন্দা’শিরোনামে একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা। লেখকের এ পর্যন্ত লেখা গ্রন্থের সংখ্যা একশর উপরে। স্ত্রী ডা. তপতী মণ্ডল। দুই ছেলে অনিকেত ও অগ্নিশ। তারাও লেখে। পুরো লেখক পরিবার।  পাঠাগার আন্দোলনে বিশ্বাসী কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস নটর ডেম কলেজ থেকে মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স-১৯৯৫’, ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে ‘সার্টিফিকেট অফ ডিসটিঙশন’এবং ‘স্পাই’উপন্যাসের জন্য চ্যানেল আই প্রবর্তিত ‘এসিআই-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮’ লাভ করেন। এবছর পেয়েছেন ‘জিগীষা সাহিত্য সম্মাননা। জন্মদিনের প্রত্যাশা নিয়ে জানতে চাইলে অরুণ কুমার বিশ্বাস রোববার রাতে আরটিভি নিউজকে বলেন, আমার প্রত্যাশা একটি বৈষম্যবিহীন মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ। অনাগত সময়ে বৈরিতা পাশে সরিয়ে এগিয়ে যেতে চাই আরো অনেকটা পথ। লেখক হিসেবে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখি। পি  
আজ কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন 
মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দশ বিখ্যাত কবিতার আবৃত্তি অ্যালবাম প্রকাশ
বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর বিজয় দিবসে বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশন আগরতলার উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত দশটি বিখ্যাত কবিতার অডিও ভিজ্যুয়াল ট্র্যাক। ‘জয়বাংলার কাব্য’ শিরোনামে ভারতের আগরতলার শিল্পী শাওলী রায় ও বাংলাদেশের আবৃত্তিশিল্পী কাজী মাহতাব সুমনের যৌথ নিবেদন এই অডিও ভিজ্যুয়াল অ্যালবামটি গত ১৬ ডিসেম্বর আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে মোড়ক উন্মোচন করা হয়। মোড়ক উন্মোচন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার স্পিকার রতন চক্রবর্তী, সাবেক স্পিকার রেবতী মোহন দাস, বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাই কমিশনার মো. জোবায়েদ হোসেন, প্রথম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান, প্রথম সচিব মো. রেজাউল হক চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত অধ্যাপক মিহির দেব, মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত লেখক শ্যামল চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত লেখক স্বপন ভট্টাচার্য প্রমুখ।  কবি শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, নির্মলেন্দু গুণ, কামাল চৌধুরী, লুৎফর রহমান রিটন, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও টোকন ঠাকুরের কবিতার দৃশ্যায়ন করা হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে। বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রজেক্টরের মাধ্যমে আ্যালবামের কিছু অংশ প্রদর্শন করা হয়। পি  
মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দশ বিখ্যাত কবিতার আবৃত্তি অ্যালবাম প্রকাশ
বইমেলা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি, এবার স্টল ভাড়া কিস্তিতে
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও বইমেলা উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলা একাডেমি। তবে এ বছর প্রথমবারের মতো স্টলের ভাড়া কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।  এ ব্যাপারে বাংলা একাডেমির পরিচালক ও বইমেলার সদস্য সচিব জালাল উদ্দিন আহমদ বলেন, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে বইমেলায় ক্রেতা ও পাঠকরা আসতে পারেন সেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ২০২২ সালের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।’প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থেকে এবারের বইমেলা উদ্বোধনের কথা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বইমেলা নিয়ে বইপ্রেমী মানুষের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। এ ছাড়া করোনার কারণে মানুষ বাসায় ঘরবন্দি থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছে। তারা সুযোগ পেলেই বাইরে আসছে। সুতরাং বইমেলা শুরু হলে জনসাধারণের প্রাণের স্পন্দন ও পদচারণায় মুখর হবে বইমেলা প্রাঙ্গণ।  জানা গেছে, গত বছর বইমেলায় ৪৬০টি প্রকাশনী সংস্থা অংশগ্রহণ করেছিল। অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশকরা কিস্তিতে স্টলের ভাড়া পরিশোধ করতে পারবেন। এবারই প্রথমবারের মতো তাদের এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির প্রধান উপদেষ্টা এবং আগামী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ও বইমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য ওসমান গণি বলেন, প্রতিবছর বইমেলার জন্য নানা ধরনের প্রস্তুতি থাকে। এবারও তা নেওয়া হয়েছে। করোনার কারণে গতবছর বইমেলা সুষ্ঠুভাবে শেষ হয়নি। ফলে বিক্রেতাদের মধ্যে হতাশা কাজ করছে। এবারে প্রকাশকদের জন্য সরকারিভাবে কোনো প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এ বিষয়ে বাংলা একাডেমি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে কয়েক দফা প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। ওসমান গণি বলেন, আমরা মনে করি বইমেলা নিয়ে ব্যাপক পরিকল্পনা দরকার। যে একুশে বইমেলা সারাবিশ্বে আমাদের সুনাম এনে দিয়েছে, সেটা নিয়ে আমাদের ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায় না। আমি মনে করি, বইমেলার জন্য বছরব্যাপী নানা পরিকল্পনা থাকা দরকার। সূত্র : বাসস। পি/এসকে  
বইমেলা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি, এবার স্টল ভাড়া কিস্তিতে
আরও পড়ুন
বাংলা একাডেমির ৭ পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের শোক
বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে বাপার্ডের নতুন মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা নিবেদন
ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি: মাউশি মহাপরিচালক