ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলা একাডেমির পুরস্কার

তীব্র নিন্দা ও মোহন রায়হানের নাম প্রত্যাহারের দাবি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকায় কবি মোহন রায়হানের নাম অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশের প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী ধারার কবি-সাহিত্যিকরা। মোহন রায়হানকে ফ্যাসিবাদের দোসর, কবিতাব্যবসায়ী এবং শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে 'কর্নেল তাহেরের খুনি' আখ্যাদানকারী হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে তার নাম প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিপক্ষে অবস্থানকারী অসংখ্য দেশপ্রেমিক ও জ্যেষ্ঠ কবি-সাহিত্যিকদের বাদ দিয়ে বর্তমান সময়ে তাকে এই পদক দেয়ার মাধ্যমে ঠিক কী রাজনৈতিক অর্জন হবে, তা আমাদের জানা নেই। আমাদের সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এবং বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাখার চলমান প্রক্রিয়ার মধ্যে একটি চিহ্নিত 'আওয়ামী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সিন্ডিকেট' সুকৌশলে এই ধরনের বিতর্কিত পদক্ষেপ গ্রহণ করাচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিএনপি ও তারেক রহমানকে জনগণের কাছে দ্রুত অজনপ্রিয় করে তোলা এবং দলটির রাজনৈতিক পতন ত্বরান্বিত করা।

বিবৃতিতে উদ্বেগের সঙ্গে জানানো হয়, গত ৫ আগস্টের পর এই চিহ্নিত আওয়ামী সিন্ডিকেট ফ্যাসিবাদী 'জাতীয় কবিতা পরিষদ'-এর ব্যানারে নানা সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে পুনরায় মাঠে নেমেছে। মূলত একটি দেশবিরোধী চিহ্নিত সাংস্কৃতিক চক্র রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা হাতিয়ে নেওয়ার অবৈধ চেষ্টায় নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে তাদের এই হীন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারা দীর্ঘদিনের নির্যাতিত ও বঞ্চিত লেখকদের পাশ কাটিয়ে সুকৌশলে জনাব তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছে। অথচ এদের বেশিরভাগই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর; যাদের মধ্যে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কটূক্তিকারী এবং ইতিহাস বিকৃতিকারী 'ইনডেমনিটি' নাটকের কুশীলব শ্যামল জাকারিয়াসহ অন্যরা রয়েছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই ইতিহাস বিকৃতির বিষয়ে পতিত হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা, ছড়াকার ও সাংবাদিক আবু সালেহ ইতিমধ্যে একটি মামলাও দায়ের করেছেন।

কবি ও সাহিত্যিকরা বলেন, গত ১৭ বছর ধরে প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী ধারার লেখকরা নানা চড়াই-উতরাই ও চরম প্রতিকূলতা পার করে এসেছেন। এমতাবস্থায় এহেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হতাশাজনক কর্মকাণ্ড আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। তাকে এই স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে মূলধারা ও জাতীয়তাবাদী সাহিত্যিকদের কাছে একটি ভুল বার্তা যাবে এবং তাদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে জাতীয়তাবাদী ও প্রগতিশীল ধারায় ভয়াবহ বুদ্ধিবৃত্তিক শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিবৃতিতে অবিলম্বে এই পুরস্কারের তালিকা থেকে বিতর্কিত মোহন রায়হানের নাম প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে তার পরিবর্তে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও মূলধারার যোগ্য কবিকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদানের আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষর করেন ছড়াকার আবু সালেহ, কবি মাহবুব হাসান, কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, কবি শামসুদ্দিন হারুন, কবি শাহীন রেজা, কবি ফেরদৌস সালাম, ছড়াকার আতিক হেলাল, কথাসাহিত্যিক ইউসুফ শরীফ, কবি কামার ফরিদ, কবি তরংগ আনোয়ার, কবি আইয়ুব সৈয়দ, কবি খান মোহাম্মদ খালেদ, ছড়াকার সালাম ফারুক, কবি শহিদ আজাদ, ছড়াকার জুলফিকার শাহদাত, কবি আবু জুবায়ের, কবি শান্তা মারিয়া, কবি শাহীন রিজভী, কবি সৈয়দ রনো, ছড়াকার আমিনুল ইসলাম মামুন, কবি শামীমা চৌধুরী, কবি ঢালী মোহাম্মদ দেলোয়ার প্রমুখ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
চাঁদপুরের সংগঠন ‘চর্যাপদ একাডেমি সাহিত্য উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখায় সাত সাহিত্যিককে দোনাগাজী পদক দেওয়া হয়।
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশক কাদের বাবু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।  তিনি রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। আমীরুল ইসলামের বড় ভাই কামাল আহমেদ ও ‘ছোটদের সময়’ সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার প্রকাশিত সব বইই শিশুসাহিত্যের। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। তিনি চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আরটিভি/টিআর
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
লাইফ সাপোর্টে শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম
বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
আমীরুল ইসলাম-ছবি: সংগৃহীত
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ বলেছেন, নজরুলকে কেবল বাঙালির কবি হিসেবে বন্দি না রেখে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার যে সুযোগ কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের ২০২৫ সালের কমিটির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা যেন বিন্দুমাত্র ম্লান না হয়। অনুবাদক হিসেবে আমাদের কাজ হলো নজরুলের সেই অম্লান চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকদের হৃদয়েও জ্বেলে দেওয়া। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে বাংলা একাডেমিতে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আলমগীর বলেন, কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র এবং অভিভাষণ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় নজরুল এক স্বতন্ত্র ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সাম্য, মানবতা, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, এবং তার এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো-এর মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ অনুবাদ। দুর্ভাগ্যবশত, নজরুলের সমসাময়িক অনেক বিশ্বসাহিত্যিক যেভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, নজরুল সেখানে অনেকটাই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন। তার সাহিত্যের যে গভীরতা ও বৈশ্বিক আবেদন, সেই তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার পরিচিতি এখনো সীমিত। আরও পড়ুন মনসুর আজিজের অষ্টাদশপদী কবিতা: বাংলা কবিতার নতুন সম্ভাবনা একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। নজরুল সাহিত্য অনুবাদের অভিজ্ঞতা ও অনুধ্যান শীর্ষক বক্তৃতা রাখেন অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন এবং নজরুল গবেষক ও অনুবাদক ইরশাদ আহমেদ শাহীন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, নজরুল আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার গর্বই শুধু নয় বরং একইসঙ্গে বিশ্বসভ্যতার সম্পদ। তার সাহিত্যকর্মকে অনুবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আরও পড়ুন সাহিত্যদেশ: রুচিশীল সাহিত্যচর্চার আশাব্যঞ্জক যাত্রা সভাপ্রধানের বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, নজরুল-বর্ষে আমরা নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অনুবাদকর্মের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। ভবিষ্যতে নজরুল-রচনা অনুবাদের পরিধি গুণে-মানে আরও বিস্তৃত হবে এবং বিশ্বপাঠক নজরুলের সাহিত্যকর্মের নিবিড় পরিচয় লাভ করবেন। পরে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফেরদৌস আরা, শহীদ কবির পলাশ ও শাহীনুর রেজা। আরটিভি/এমএম
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার রচনা ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ নিয়ে শ্রুতি পাঠের আয়োজন করেছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ৪৫ মিনিটব্যাপী শ্রুতি পাঠটির নির্দেশনায় থাকবেন সামিউন জাহান দোলা। ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ সেলিম আল দীনের প্রেমভাবনার এক অন্তরঙ্গ ও কাব্যিক অনুধ্যান। রচনাটিতে প্রেমকে শুধু প্রণয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং মানুষ, প্রকৃতি, স্মৃতি ও জগতের সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সংযোগের গভীর অনুভব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল আয়োজকদের ভাষ্য, রচনাটিতে প্রতিটি সম্পর্ক ও বন্ধন কীভাবে মানুষের মনে চিহ্ন রেখে যায়, ভাঙন কীভাবে কখনো কখনো নতুন সংযোগের আরেক রূপ হয়ে ওঠে এবং প্রেম কীভাবে আত্মার সীমা অতিক্রম করেও টিকে থাকে—সেসব অনুভূতিরই কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শ্রুতি পাঠের মধ্য দিয়ে তার সাহিত্যকর্মের একটি বিশেষ দিক দর্শক-শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শ্রুতি পাঠের পাশাপাশি আয়োজনে সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক আলোচনায় অংশ নেবেন নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, মানবাধিকার নাট্যকর্মী জাহিদুল আলম হিটো এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী শুসমিন আফসানা। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। এতে সহযোগিতা করছে ফেনীর সেলিম আল দীন কেন্দ্র। আরটিভি/জেএমএ
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
আরও পড়ুন
বাংলা একাডেমিতে আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ শ্রদ্ধা
মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে বাংলা একাডেমির শোক
বাংলা একাডেমিতে শুরু হলো ৭ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
মঙ্গলবার থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৭ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা শুরু