ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়ক সংস্কারের নামে ১৫ গাছ কর্তন, স্থানীয়দের ক্ষোভ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৪, ০১:৫৩ পিএম
ছবি : আরটিভি

তীব্র তাপদাহে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। তাপদাহ থেকে মুক্তি পেতে সরকার এবং পরিবেশবিদরা যখন গাছ লাগানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা ৬০নং লতাচাপলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫টি বিশালাকৃতির গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এসব গাছ কাটার ক্ষেত্রে সরকারি কোনো বিধিবিধান মানা হয়নি বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার সড়ক সংস্কারের নামে গত শনি ও রোববার এসব গাছ কেটে স’ মিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্কুলের ছায়াবৃক্ষ হিসেবে পরিচিত এসব গাছ কেটে ফেলায় সৌন্দর্যহানির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

কেটে ফেলা এসব গাছের মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন স্কুলের অভিভাবক এবং প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। কেটে ফেলা এসব গাছ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

গাছ কাটা নিয়ে পৌরসভা এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব গাছ সড়ক সংস্কার কাজের জন্য পৌর মেয়র কেটেছেন। অন্যদিকে পৌর মেয়র বলছেন, গাছগুলোকে স্কুল কর্তৃপক্ষ কেটেছে। গাছের মালিকানা নিয়েও রয়েছে ধূম্রজাল।

স্কুলের গাছ কাটার বিষয়টি কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল ইসলাম জানার পর ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে তলব করে কারণ দর্শানোর জন্য বলেছেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার সমন্বয়ে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

৬০নং লতাচাপলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, আমি সভাপতি থাকাকালে ওই গাছ কাটার জন্য বলা হয়েছিল। তখন আমি গাছ কাটতে রাজি হইনি।

তিনি বলেন, স্কুলের গাছ স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কারও কাটার ক্ষমতা নেই। তবে আমি শুনেছি সড়ক সংস্কারের জন্য মেয়র গাছ কেটেছেন।

ওই স্কুলের সাবেক সভাপতি ও পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনন্ত মুখার্জী জানান, তিনি স্কুলের সভাপতি থাকাকালে স্কুলের সবুজ পরিবেশ বজায় ছিল। স্কুলের শিক্ষার্থীরা গাছের ছায়ায় খেলাধুলা করত। স্কুলের সবুজ ছায়াবিথির জন্য বরিশাল বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এখন সেই বিশালাকৃতির ১৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। একেকটি গাছের মূল্য ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা হবে বলে দাবি তার।

অনন্ত মুখার্জী আরও জানান, এসব গাছ প্রধান শিক্ষক নিজেই কর্তন করেছেন। এর আগেও ৬ থেকে ৭টি বড় বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সেসব গাছ কী করা হয়েছে, তার কোনো হদিস নেই। প্রায় পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের গাছ কেটে নিয়ে গেছে বলে দাবি তার।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য সচিব সাংবাদিক মেসবাহ উদ্দিন মান্নু বলেন, সড়ক সংস্কার কিংবা রাষ্ট্রের স্বার্থে গাছ কাটার প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বিধিবিধান মেনে গাছ কাটতে হবে। এসব গাছ কাটতে কোনো প্রকার বিধিবিধান মানা হয়নি। উল্টো স্কুলের প্রধান শিক্ষক দায় এড়াতে এসব গাছ তাদের নয় বলে সাফাই গেয়ে যাচ্ছেন, যা মোটেই কাম্য নয়।

স্কুলের বর্তমান সভাপতি কাউন্সিলর শহিদ দেওয়ান বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এ বিষয় আমাকে কেউ কিছু জানায়নি। সড়ক সংস্কারের জন্য হয়তো পৌর কর্তৃপক্ষ কেটেছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম জানান, ওই গাছ স্কুলের বাউন্ডারি ওয়ালের বাইরে। স্কুলের গাছ নয়। সড়ক সংস্কারের জন্য পৌর মেয়র এসব গাছ কেটেছেন। এখানে আমাদের কোনো হাত নেই।

এসব গাছ প্রায় ২০ বছর পূর্বে তৎকালীন স্কুল কর্তৃপক্ষ লাগিয়েছে, তাহলে এ গাছ স্কুলের নয় কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধান শিক্ষক জানান, তিনি এই স্কুলে যোগদান করার পর দেখেছেন এসব গাছ বাউন্ডারি ওয়ালের বাইরে। এর বেশি কিছু তার জানা নেই।

কলাপাড়া উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার অচ্যুতা নন্দ দাস বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছেন ওই গাছ স্কুলের বাউন্ডারির বাইরে। এগুলো পৌরসভার গাছ, স্কুলের গাছ নয়। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, গাছগুলো বেশি মোটা হয়ে গেছে। যার জন্য বাউন্ডারি ওয়াল ফেটে ভেঙে গেছে। এজন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ গাছগুলো নিজেরাই কেটে ফেলেছে। তিনি বা পৌরসভার কেউ ওই গাছ কাটেনি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গাছ কাটার কথা শুনে প্রধান শিক্ষককে ডেকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা ও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার সমন্বয়ে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ১ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নরসিংদীতে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর রায়পুরায় এক নবজাতক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের মরা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীনগর ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে থাকা একটি মরা নদীর পাড়ে খেলতে যায় কয়েকজন শিশু। সেখানে ব্যাগে থাকা ওই নবজাতককে দেখতে পায় একজন। পরে খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের ধারণা গত রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাত ব্যক্তি ওই নবজাতককে কাদাপানিতে ফেলে রেখে গেছে।  এ বিষয়ে রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান বলেন, স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে দেখতে পাই শরীরে কাদাপানি লাগানো একদিন বয়সী একটি মেয়ে বাচ্চার মরদেহ। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়। আরটিভি/এফএ/এআর
নরসিংদীতে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
পুকুরে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনায় পুকুরে ডুবে সামিয়া আক্তার (৩) ও হামিদা আক্তার (২) নামে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) উপজেলার মাইজখার পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা মাইজখার গ্রামের সুজন মিয়ার মেয়ে। দুই শিশুর চাচা খোকন মিয়া জানান, মঙ্গলবার সকালের পরিবারের সদস্যদের অগোচরে খেলতে গিয়ে সামিয়া ও হামিদা বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। দীর্ঘসময় ধরে স্বজনরা তাদের না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় দেখে তাদের উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব। আরটিভি/এফএ/এআর
পুকুরে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মী উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মীকে অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তাদের উদ্ধার করে র‍্যাব। উদ্ধার হাওয়া বনকর্মীরা হলেন- ফরেস্টার সাইফুল ইসলাম (২২), সৈয়দ (৫০), রফিক, আইয়ুব খান (১৮), আইয়ুব আলী (৫০), আনসার উল্ল্যাহ (১৮), আয়াত উল্লাহ (২২), সামছু (৪৫), ইসলাম (২১), সামছু (৪০), ইসমাইল (৩৫), মোহাম্মদ হাসিম (৪০), নূর মোহাম্মদ (২১), সৈয়দ আমিন (৩০), সফি উল্লাহ (৩০), আইয়ুব (৫০), মাহাতা আমিন (১৮)। আরও দুজনের নাম পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গা আছেন বলে জানা গেছে।  র‌্যাব-১৫–এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে জাদিমোরা পাহাড়ে বনে বন বিভাগের হয়ে গাছের চারা রোপণের কাজ করার সময় অস্ত্রের মুখে শ্রমিকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহরণের শিকার শ্রমিকদের পরিবারের কাছে জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। পরে তাদের উদ্ধারে মঙ্গলবার সকাল থেকে হ্নীলার জাদিমোরা পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরে মঙ্গলবার বিকেলে টেকনাফ গহীন পাহাড় থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়। অভিযান এখনো চলমান। এর আগে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকায় পাহাড়ি এলাকা থেকে ১৯ বনকর্মীকে অপহরণ করে অস্ত্রধারীরা। অপহরণের পর থেকে মুক্তিপণ হিসেবে তাদের পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে মোট ১৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। আরটিভি/এফএ/এআর
টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মী উদ্ধার
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদে প্রেরণ এবং প্রধান উপদেষ্টার অনুমতিক্রমে গেজেট প্রকাশ করা হবে। বেতন কাঠামো হবে ২০১৫ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী। এতে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বাসা এবং উৎসব ভাতার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ব্যবসা করার জন্য বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। রোগে আক্রান্ত ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া হবে, যা ফেরত দিতে হবে না। তিনি আরও বলেন, গ্রুপিং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের মধ্যেও আছে। কখনো শুনেছেন তারা মারামারি করেছে। আমরা মুসলমানরা একদল আরেক দলকে পিটিয়ে মেরে ফেলি। আপনারা (ইমাম-মুয়াজ্জিনরা) যখন মিথ্যা বিবৃতি দেন তখন আমাদের মন ভেঙে যায়। এতে আমাদের ভাবমূর্তি বিদেশে বিনষ্ট হচ্ছে। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সরকার দেশ সংস্কারের কাজ করছে। সংস্কার শেষ হলে নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করব এবং আমরা বিদায় নেব। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ঐক্য। প্রতিটি মানুষের অধিকার সমান। অধিকার সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আরটিভি/এফএ
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলচালকও। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত যুবকের নাম শাহিনুল ইসলাম শোয়াইব (২৪)। তিনি উত্তর আধুনগর বেপারি পাড়ার নাজিম উদ্দীনের পুত্র। শোয়াইব চট্টগ্রাম মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিল বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শোয়াইবের বন্ধু মোটরসাইকেলচালক সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ গারাংগিয়া আলোরঘাট এলাকার মোহাম্মদ ইদ্রিসের পুত্র মোহাম্মদ তারেক (২৪)। তিনি উপজেলার বেসরকারি হাসপাতাল সাউন্ড হেলথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অভিমুখী মোটরসাইকেলটি দ্রুতগতিতে একটি সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গেলে মোটরসাইকেলচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে রাস্তার বাইরে পড়ে যান। মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা আরোহী শোয়াইব কক্সবাজার অভিমুখী ট্রাকের পিছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ট্রাকটি দোহাজারী হাইওয়ে থানার হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। আরটিভি/এফএ
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
আরও পড়ুন
পঞ্চগড়ে সড়ক সংস্কারের কাজ করছে শিক্ষার্থীরা
শতবর্ষীসহ দেড় হাজার গাছ নিধনে তোড়জোড়
শ্রীপুরে সড়ক সংস্কারের দাবিতে ৭ গ্রামবাসীর মানববন্ধন