ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের বার্ষিক প্রতিবেদন

সন্দেহজনক লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২০, ০৮:৪৫ এএম
সন্দেহজনক লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

দেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও সংখ্যা কমেছে ৩৮৬টি। সন্দেহজনক লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে অন্তত ১০০ কোটি টাকা। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের ঘটনা ১৬টি থেকে কমে ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন রোধ করতে পারায় দেশের আর্থিক খাতের সক্ষমতা আরো বেড়েছে।

রোববার রাতে প্রকাশিত বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (বিএফআইইউ) ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আর্থিক খাতে ৫ হাজার ৩৬টি সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে ১ হাজার ২২ কোটি টাকা সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এর আগের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫ হাজার ৪২২টি সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনা শনাক্ত হয়েছিল। এর মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছিল ৯২২ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমেছে ৩৮৬টি। তবে সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমলেও টাকার পরিমাণ ১০০ কোটি বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় বিএফআইইউ তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করেছে। ফলে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আর্থিক খাতের সক্ষমতা বেড়েছে। এতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের ঘটনা কমে এসেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছিল ১৬টি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা কমে ১০টিতে নেমে এসেছে। এই সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন শনাক্ত হওয়ার ঘটনা কমেছে ৬টি।

আর্থিক খাতে এমন সন্দেহজনক লেনদেন ও সন্দেহজনক কার্যক্রমের সংখ্যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ৩ হাজার ৮৭৮টি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা কমে ৩ হাজার ৫৭৩টি হয়েছে। এই সময়ে সন্দেহজনক লেনদেন ও সন্দেহজনক কার্যক্রম ব্যাংকে বেড়েছে। ব্যাংকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সন্দেহজনক লেনদেন ছিল ২ হাজার ৩৯৮টি। এর আগের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ১৮৯টি। লাইফ ইন্স্যুরেন্সগুলোতে আগে কোনো সন্দেহজনক লেনদেন ছিল না। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪টি শনাক্ত হয়েছে। নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য খাতে কমেছে।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সক্ষমতার বিষয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে জুন এ ৬ মাসে ৩ হাজার ৮৬৯টি শাখা মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩টি শক্তিশালী, সন্তোষজনক মানে ছিল ২ হাজার ৩৫৩টি, ভালো মানের ছিল ১ হাজার ৪৫২টি এবং প্রান্তিক মানের ছিল ২১টি শাখা। একই সময়ে নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৬৯টি শাখা মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে শক্তিশালী মানের কোনো শাখা পাওয়া যায়নি। সন্তোষজনক মানের পাওয়া গেছে ২৬টি, ভালো মানের ৩৫টি এবং প্রান্তিক মানের পাওয়া গেছে ৮টি শাখা।

উল্লেখ্য, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিএফআইইউতে নিয়মিত সন্দেহজনক লেনদেন ও নগদ লেনদেনের তথ্য পাঠাতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে কোনো লেনদেনকে সন্দেহজনক মনে হলে তা বিএফআইইউকে জানানো হয়। একসঙ্গে ১০ লাখ টাকার বেশি জমা দিলে বা তুলে নিলে তা নগদ লেনদেন হিসেবে বিএফআইইউকে জানানোর বিধান রয়েছে।
পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
আরও পড়ুন
সিনহা হত্যায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিবারের অপহরণ মামলা