ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বাইকের সেই তরুণীর সন্ধান মিলেছে, যা জানালেন তিনি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে মাঝরাতে মোটরসাইকেলে দুই তরুণের মাঝে এক তরুণীকে নিথর অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে ওই তরুণীর সন্ধান মিলেছে। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন ওই তরুণী। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি ভালো আছেন এবং জীবিত আছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবেন বলে ফোন রেখে দেন। প্রথমে অবশ্য সংবাদমাধ্যমটির সঙ্গে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

এদিকে, ওই তরুণীর একাধিক স্বজনের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।

তরুণীর বড় বোনের স্বামী দাবি করেন, ‘রিয়া’ (ছদ্মনাম) কখনো ড্রিংকস করেন না। ঘটনার দিন তার (তরুণীর) বড় বোন ও দুলাভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল। বিষয়টি দেখে রাগ করে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে যান। পরে এক তরুণের সঙ্গে তিনি ড্রিংকস করেছিলেন বলে ধারণা করছেন ওই স্বজন। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই তরুণেরা তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর সড়কে তিন আরোহীসহ একটি মোটরসাইকেল চলতে দেখা যায়।

ওমরাহ সফর শেষে বগুড়ায় ফেরার পথে মুফতি মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলটিকে অনুসরণ করেন। তার দাবি, মোটরসাইকেলটির চালকের পেছনে বসা এক যুবক এক তরুণীকে জাপটে ধরে রেখেছিলেন। তরুণীর দুই পা খালি ছিল এবং অস্বাভাবিকভাবে ঝুলছিল। এ দৃশ্য দেখে তরুণীটি জীবিত নাকি অচেতন তা নিয়ে তার সন্দেহ তৈরি হয়।

পরে মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটের তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধান শুরু করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটির মালিকের বাড়ি কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায়। এ ঘটনায় দুটি মোবাইল নম্বরও পাওয়া যায়। এর একটি নম্বরের শেষ তিন সংখ্যা ১৫২। নম্বরটি একটি শোরুম মালিকের বলে জানা গেছে। তবে তিনি দাবি করেছেন, তার শোরুম থেকে মোটরসাইকেলটি বিক্রি হয়নি এবং কীভাবে তার নম্বর ওই ঘটনায় এসেছে, তা তিনি জানেন না। অন্য নম্বরটি দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে।

সূত্র জানায়, মোটরসাইকেলটির মালিকের বাড়ি আব্দুল্লাহপুরে হলেও চালকের আসনে থাকা যুবকের বাড়ি রাজেন্দ্রপুর এলাকায়। তার নামের শেষাংশ ‘আলম’। ওই যুবক নিজেকে তরুণীর স্বামী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আলম তার স্বামী কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওই তরুণী বলেন, বিয়ে করবে বলে শুনেছি।

এদিকে, ওই তরুণীর আগে দুটি বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে। তার সাবেক এক স্বামী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগসহ ঘটনায় পাওয়া বিভিন্ন তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন

তরুণীর বড় বোনের স্বামীর দাবি, বারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর আলম ও তার এক বন্ধু তাকে নিয়ে টঙ্গীতে তার বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ওই অবস্থায় তাকে টঙ্গীতে না নিয়ে তারা মিরপুরে ফিরে যান। সেখানে এক বান্ধবীর বাসায় তরুণীকে রেখে আলম তার বোনকে ফোন করেন বলে দাবি করেন ওই স্বজন।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হলেও প্রকৃত ঘটনা কী, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তরুণীর বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা এবং পুলিশের তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাড়ি চাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু / চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪)। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার উঠে যায় সেই ফুটপাতে। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহেদী। দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটকও করেছিলেন উপস্থিত লোকজন।  পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।  মামলায় গাড়িটির চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি কে চালাচ্ছিল এবং চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করার পরও কেন তাঁকে মামলায় আসামি করা হলো না। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মেহেদী হাসানের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকেলে ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে তাঁকে চাপা দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে গাড়ির নিচ থেকে মেহেদীর রক্তাক্ত দেহ বের করে আনেন।  পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকতাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম (২৮) বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলার ওই কিশোরের নাম উল্লেখ না করার বিষয়ে মোক্তাদীর ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশও তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের ভাষ্য, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে যাতে ওই কিশোর ‘মবের শিকার’ না হয়, সে জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তার চাচার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গুলশান থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোর ঢাকার গুলশান এলাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন। আর দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। গাড়িটির চালকের আসনে কিশোরটি থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজেও। সিসি ক্যামেরার ওই ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেওয়ার পর প্রাইভেট কারটি একটি সড়কবাতির পোস্টে লেগে থেমে যায়। এরপর গাড়ি থেকে দুই ব্যক্তি নেমে আসেন। গাড়ির ডান পাশ অর্থাৎ চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট পরা কিশোরকে নামতে দেখা যায়। গাড়ির অপর পাশ থেকে নামেন শার্ট পরা মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি। আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুজনই গাড়ির পাশে অবস্থান নেন।  পরে কিশোরটিকে সেখান থেকে একদিকে সরে যেতে দেখা যায়। পরে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেন ক্ষুব্ধ লোকজন। কিন্তু এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম নেই। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গাড়িটির চালক আকাশ মারক (৪৪) বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে তাঁর মাথা, বুক ও পিঠে গুরুতর জখম হয় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, আকাশ মারক ঘটনার পর থেকে পলাতক। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। ওই কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘নিহত মেহেদীর বড় ভাই গাড়িটির চালক আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ওই কিশোরের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। আরটিভি/এসআর  
চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
চিকিৎসক সেজে রোগী ভাগানোর সময় নারী আটক
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে শারমিন আক্তার (৩৪) নামে এক নারীকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. সাদেক হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অভিযান চালায়। আনসার সদস্যরা ৩১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় শারমিন আক্তারকে দেখতে পান। তার পরিচয় ও হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তিনি জানান, তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। আনসারের ভাষ্য, শারমিন চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় তিনি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আনসার সদস্যরা নজরদারি বাড়িয়ে তাকে আটক করেন। অভিযানে পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চু, এপিসি মো. শফিকুল ইসলাম ও আনসার মো. আকিদুল ইসলাম অংশ নেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শারমিনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। দালালি, প্রতারণা কিংবা রোগীদের বিভ্রান্ত করে অন্যত্র নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও তারা সতর্ক রয়েছেন। আরটিভি/এসআর
চিকিৎসক সেজে রোগী ভাগানোর সময় নারী আটক
দুই দিন ধরে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সাহারা!
রাজধানীর কুড়িল চৌরাস্তা এলাকা থেকে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তার পরিবারের সদস্যরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের। তিনি জানান, জিডিটি প্রথমে অন্য এক কর্মকর্তার কাছে ছিল। পরে তিনি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন। ইতিমধ্যে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বিষয়ে দেশের সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। কোথাও তার সন্ধান পাওয়া গেলে পুলিশকে জানাতে বলা হয়েছে। এসআই আব্দুল কাদের আরও জানান, ওই শিক্ষার্থী কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করত না। ফলে তার অবস্থান শনাক্তে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। তবে সে তার মা কিংবা পরিবারের অন্য কারও ফোন ব্যবহার করে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কি না, তা জানতে কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) চাওয়া হয়েছে। সিডিআর পাওয়া গেলে সেখান থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা যাচাই করা হবে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী জোয়ার সাহারা জসীমউদ্দীন ইনস্টিটিউটের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন আগে পড়াশোনা নিয়ে তার বাবা বকাঝকা করেন। এরপর গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যায় সে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার ভাটারা থানায় জিডি করেন। নিখোঁজ কিশোরীর ভাই জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার বোনের সঙ্গে কোনো মোবাইল ফোন ছিল না। বাসা থেকে বের হওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে। সে কোনো স্বর্ণালংকার বা টাকা-পয়সাও সঙ্গে নেয়নি। ওই কিশোরীর কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না জানতে চাইলে তার ভাই বলেন, এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই। আরটিভি/এসআর  
দুই দিন ধরে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সাহারা!
মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন ডিসি বদলি
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির উপ-কমিশনার (সদর দফতর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন ডিসি বদলি
আরও পড়ুন
ধাক্কা মেরে লেডি বাইকারকে হত্যাচেষ্টা, ঘটনা কী
ইজিবাইকের দাপটে নাকাল মঠবাড়িয়া পৌরবাসী
বাবার ইজিবাইকেই প্রাণ গেল মেয়ের
ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল চা দোকানির