ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যানজট কমাতে অবৈধ অটোরিকশা চার্জিং পয়েন্ট বন্ধের নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
কাল্পনিক ছবি

রাজধানীর যানজট কমাতে অবৈধ অটোরিকশা চার্জিং পয়েন্ট বন্ধসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সড়কে উন্নয়নকাজ শুরুর আগে ট্রাফিক বিভাগের অনুমতি বাধ্যতামূলক এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করলে ঠিকাদারকে জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় বিদ্যুতের লাইনে অবৈধ সংযোগ দিয়ে পরিচালিত চার্জিং পয়েন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাতে বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগ, ডিএমপি ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে অবৈধ কারখানা ও প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ঢাকার বিভিন্ন সড়কে উন্নয়নকাজের ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কাজ শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের মতামত ও অনুমতি নিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান, কাজের সময়সূচি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে হবে। নির্মাণকাজ শুরুর আগে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে স্থান পরিদর্শনও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কর্মদিবসে রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নির্মাণকাজ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্র ও শনিবার পর্যাপ্ত জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টা কাজ চালিয়ে দ্রুত প্রকল্প শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হবে। ভবিষ্যতে ঠিকাদার নিয়োগের সময় ডিএমপির প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নির্মাণস্থলে প্রশিক্ষিত ট্রাফিক সিগন্যালম্যান নিয়োগ, চলাচলের লেন ও ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী না রাখা, দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যারিয়ার স্থাপন এবং পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিমানবন্দর ফ্লাইওভারের আশপাশে সড়কের পাশে পড়ে থাকা মাটি ও নির্মাণসামগ্রী দ্রুত সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সড়কগুলোও চিহ্নিত করে খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

রাজধানীর চলমান উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও জনদুর্ভোগ নিয়ে প্রতি মাসে যৌথ পর্যালোচনা সভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে পাবলিক পরীক্ষা ও হাসপাতাল এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর উন্নয়নকাজের সমন্বয় ও যানজট কমাতে ডিটিসিএকে আহ্বায়ক করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে।

আগামী ১ অক্টোবর বিকেল ৩টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সালকে নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের অর্থের উৎস ও সম্পদের অনুসন্ধানে নেমে দেশে-বিদেশে তার সম্ভাব্য অবৈধ বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। সিআইডির তদন্তে ফয়সাল, তার স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাবের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব হিসাব ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদাবর থানায় ফয়সাল ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা করেছে সিআইডি। মামলার নথি অনুযায়ী, ফয়সালের কয়েকটি ব্যাংক হিসাব ও সেসব হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত লেনদেন পর্যালোচনা করতে গিয়ে তার সম্ভাব্য অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিদেশে অর্থ স্থানান্তর ও বিনিয়োগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট। এক হিসাবেই দুই মাসে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা সিআইডির তদন্তে ফয়সালের একটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ব্যাংকের রূপনগর শাখায় হিসাবটি খোলেন তিনি। হিসাব খোলার সময় ব্যবসার ধরন হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি, পরামর্শসেবা ও প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করা হয়। বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হবে বলে ঘোষণা দিলেও পরবর্তী দুই মাসে ওই হিসাবে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। তদন্তকারীদের মতে, ওই হিসাবে নগদ উত্তোলন তুলনামূলক কম হলেও অর্থ পরিশোধ ও স্থানান্তরের পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। ব্যবসার ধরন, লেনদেনের ধরন এবং ব্যবসার অনুমতিপত্রে দেওয়া তথ্যের মধ্যেও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জাল দরপত্রের অভিযোগ তদন্তে ফয়সালের মালিকানাধীন অ্যাপল সফট আইটি ও পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি চুক্তির তথ্যও পেয়েছে সিআইডি। নথি অনুযায়ী, সরকারি তিনটি প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিল প্রতিষ্ঠান দুটি। পরবর্তী তদন্তে ওই প্রকল্পগুলোর দরপত্রের প্রস্তাব জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে সিআইডি। তবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কথা বলে ফয়সালের ব্যাংক হিসাবে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে জাল দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুবাইয়ে বিনিয়োগের তথ্য সিআইডি জানিয়েছে, ফয়সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতে একাধিকবার যাতায়াতের সুযোগসংবলিত পর্যটন ভিসা ছিল। ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফেরেন। এখন তার দুবাইয়ে কোনো সম্পদ বা বিনিয়োগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করছে সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর বা বিনিয়োগ করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ফয়সাল তার স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার একটি এফডিআর করেন। হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি। ছয় দিন পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরে হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদের নাম আসে। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। বর্তমানে ফয়সাল ভারতে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। আরটিভি/এসকে
হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সালকে নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
মোবাইল আসক্তি নিয়ে বকা, অভিমানে ঘর ছাড়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী
রাজধানীর কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় বাবা-মায়ের বকাঝকার পর অভিমান করে বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়া অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মোবাইল আসক্তি নিয়ে বকা, অভিমানে ঘর ছাড়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী
মায়ের জন্য নতুন ঘরের স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসে লাশ হয়ে ফিরলেন মেহেদী
‘মা, এবার ঢাকা থেকে ফিরে তোমার জন্য নতুন ঘর করে দেব’ মাকে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েই নির্মাণশ্রমিকের কাজে ঢাকায় এসেছিলেন ২৪ বছর বয়সী মেহেদী হাসান মিম। পরিবারের অভাব দূর করার পাশাপাশি জরাজীর্ণ ঘরটি সংস্কারের স্বপ্ন ছিল তার। তবে সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই রাজধানীর বারিধারায় প্রাইভেটকারের চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন এই তরুণ।
মায়ের জন্য নতুন ঘরের স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসে লাশ হয়ে ফিরলেন মেহেদী
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
গাড়ি চাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু / চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪)। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার উঠে যায় সেই ফুটপাতে। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহেদী। দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটকও করেছিলেন উপস্থিত লোকজন।  পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।  মামলায় গাড়িটির চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি কে চালাচ্ছিল এবং চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করার পরও কেন তাঁকে মামলায় আসামি করা হলো না। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মেহেদী হাসানের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকেলে ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে তাঁকে চাপা দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে গাড়ির নিচ থেকে মেহেদীর রক্তাক্ত দেহ বের করে আনেন।  পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকতাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম (২৮) বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলার ওই কিশোরের নাম উল্লেখ না করার বিষয়ে মোক্তাদীর ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশও তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের ভাষ্য, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে যাতে ওই কিশোর ‘মবের শিকার’ না হয়, সে জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তার চাচার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গুলশান থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোর ঢাকার গুলশান এলাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন। আর দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। গাড়িটির চালকের আসনে কিশোরটি থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজেও। সিসি ক্যামেরার ওই ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেওয়ার পর প্রাইভেট কারটি একটি সড়কবাতির পোস্টে লেগে থেমে যায়। এরপর গাড়ি থেকে দুই ব্যক্তি নেমে আসেন। গাড়ির ডান পাশ অর্থাৎ চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট পরা কিশোরকে নামতে দেখা যায়। গাড়ির অপর পাশ থেকে নামেন শার্ট পরা মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি। আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুজনই গাড়ির পাশে অবস্থান নেন।  পরে কিশোরটিকে সেখান থেকে একদিকে সরে যেতে দেখা যায়। পরে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেন ক্ষুব্ধ লোকজন। কিন্তু এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম নেই। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গাড়িটির চালক আকাশ মারক (৪৪) বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে তাঁর মাথা, বুক ও পিঠে গুরুতর জখম হয় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, আকাশ মারক ঘটনার পর থেকে পলাতক। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। ওই কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘নিহত মেহেদীর বড় ভাই গাড়িটির চালক আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ওই কিশোরের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। আরটিভি/এসআর  
চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
আরও পড়ুন
ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক
সীতাকুণ্ডে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, মহাসড়কে যানজট
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত 
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা