ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আষাড়িয়ারচর সেতু এলাকায় সংস্কারকাজের কারণে দীর্ঘ যানজটে আটকে আছে অসংখ্য যানবাহন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর সেতু পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে এ যানজট দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে শুরু হওয়া এ যানজট শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালেও অব্যাহত ছিল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী ও চালক।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর সেতু সংস্কারের কাজকে কেন্দ্র করে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। সেতুর ঢাকামুখী লেনের একটি অংশে বড় গর্ত তৈরি হয়েছিল। গর্তটি দিন দিন বড় হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সংস্কারকাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ।

সংস্কারকাজ চলাকালে মহাসড়কের দুই লেনের একটি বন্ধ রেখে অন্য লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। এতে ধীরে ধীরে ওই এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে যানজট দীর্ঘ হয়ে কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

শনিবার (২৯ আগস্ট) অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এক লেন দিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়েন বিদেশগামী অনেক যাত্রীও। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে আটকে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

স্টার লাইন পরিবহনের চালক ইয়াহিয়া বলেন, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে তিনি যানজটে আটকে আছেন। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

সেন্টমার্টিন পরিবহনের চালক হুমায়ুন আজাদ বলেন, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তিনি প্রায় আট ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকে আছেন।

মাহাবুব নামে এক বাসযাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার হলেও তারা একই জায়গায় আটকে আছেন। এত দীর্ঘ যানজটের কারণও অনেক সাধারণ যাত্রী জানেন না।

দাউদকান্দি মহাসড়ক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রেম দাস রায় বলেন, দাউদকান্দি থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজটের মূল কারণ আষাড়িয়ারচর সেতু এলাকায় সড়ক সংস্কার। মহাসড়কের একটি লেন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে মহাসড়ক পুলিশ কাজ করছে।

কাঁচপুর মহাসড়ক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিউল ইসলাম জানান, আষাড়িয়ারচর এলাকায় মহাসড়কের দুই লেনের একটি লেনে সড়ক বিভাগ জরুরি সংস্কারকাজ করছে। ফলে এক লেন দিয়ে পর্যায়ক্রমে যানবাহন চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়ক পুলিশের একাধিক দল নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ করছে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সড়কে দড়ি ফেলে অপেক্ষা, ‘মুরগির’ বদলে এলো ডিবির দল
নওগাঁর পোরশায় সড়কে দড়ি ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মোটরসাইকেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  ​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পোরশা থানাধীন শিশা বাজারের পূর্ব পাশে মাটিয়ান্দর সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। ​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার হলাকান্দর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন (২৮), পোরশা উপজেলার ছোট কাটনা গ্রামের নাইম মাহমুদ (১৯) এবং সমনগর গ্রামের মোস্তাকিম (১৯)। ​ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি টিম পোরশা থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ডাকাতি ও দস্যুতা প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ডিউটি পরিচালনা করছিল। রাতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, মাটিয়ান্দর সেতুর কাছাকাছি এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি রাস্তায় দড়ি টাঙিয়ে পথচারীদের কাছ থেকে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ​সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের টিমটি মাটিয়ান্দর সেতুর কাছে পৌঁছালে, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা তাদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ফেলে রেখে পাশের জঙ্গলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ডিবি সদস্যরা পিছু ধাওয়া করে তাদের গ্রেপ্তার করে। ​পরবর্তীতে উপস্থিত জনতার সামনে গ্রেপ্তারকৃতদের দেহ তল্লাশি করে ১ নম্বর আসামি দেলোয়ারের নিকট থেকে দেশীয় তৈরি তীক্ষ্ণ খাঁজকাটা একটি লম্বা হ্যান্ডেল চেইন, ২ নম্বর আসামি নাইমের নিকট থেকে একটি দেশীয় তৈরি হ্যান্ডেল চেইন এবং আসামি মোস্তাকিমের হাতের শপিং ব্যাগ থেকে ২৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি দড়ি ও একটি ছোট টর্চ লাইট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়। ​বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যে-কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। ​ এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পোরশা থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরটিভি/এসএস
সড়কে দড়ি ফেলে অপেক্ষা, ‘মুরগির’ বদলে এলো ডিবির দল
সৌরশক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষি, কমছে সেচ খরচ
জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের বাড়তি খরচের কারণে কৃষিকাজে সেচ ব্যয় যখন কৃষকদের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন সৌরশক্তিনির্ভর সেচ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা দেখছেন ঝিনাইদহের প্রান্তিক কৃষকেরা।  জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সোলার পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে সেচ খরচ কমানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে কৃষকদের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলায় ইতোমধ্যে ৩৬টি সোলার পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩টি, কোটচাঁদপুরে ১টি এবং মহেশপুরে ৩২টি পাম্প রয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য এলাকাতেও সোলার পাম্প স্থাপনের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) কারিগরি সহায়তায় রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশনের (আরআরএফ) বাস্তবায়নাধীন ‘স্মার্ট’ প্রকল্পের আওতায় স্থাপন করা হচ্ছে এসব সৌরবিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প। সোলার পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকেরা জানান, প্রচলিত ডিজেলচালিত সেচ ব্যবস্থার তুলনায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত পাম্পে পরিচালন ব্যয় কম। এতে নিজেদের জমিতে সেচ দেওয়ার পাশাপাশি অন্য কৃষকদের জমিতে সেচ দিয়ে বাড়তি উপার্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে মহেশপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় ফুলচাষীদের জন্য এ উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, সোলার পাম্প স্থাপনে তার ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে আরআরএফের ‘স্মার্ট’ প্রকল্প থেকে ৪৫ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছেন তিনি। মহেশপুরের কৃষক সাদিকুল রহমান বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আরআরএফ প্রথমবারের মতো ফুলচাষিদের নিয়ে কাজ করছে। প্রকল্পের ঋণ ও অনুদানের মাধ্যমে সোলার পাম্প স্থাপন করেছেন তিনি। নিজের জমিতে সেচ দেওয়ার পাশাপাশি অন্য ১৫ বিঘা জমিতেও সেচ দিচ্ছেন। ফুলচাষি গফুর মিয়া বলেন, সোলার পাম্প স্থাপনের পর তার তেল ও বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে না। নিজের জমির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জন করতে পারছেন তিনি। আরআরএফের সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ ড. অসিত বরণ মণ্ডল বলেন, পিকেএসএফের সহায়তায় ‘স্মার্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৩৬টি সোলার পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সামনে আরও ১০০টির বেশি পাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। আগে এক বিঘা জমিতে সেচ দিতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হলেও সোলার পাম্পে খরচ হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা। এতে কৃষকদের সেচ খরচ কমার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাবও কমবে। আরটিভি/এসএস
সৌরশক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষি, কমছে সেচ খরচ
প্রেমিকার জন্য ‘মন না গলা’ সেই প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আলোচিত মিষ্টি আক্তার ও সেনাসদস্য জীবন মিয়ার প্রেমের ঘটনায় দীর্ঘ ১০ দিন অনশনের পর মামলা রুজু হয়েছে। প্রেমিক জীবন মিয়া তার প্রেমিকা মিষ্টি আক্তারকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় মামলাটি রুজু করা হয়। বিয়ের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধের বিভিন্ন সালিশ বৈঠকের পর কোনো সমাধান না আসায় প্রেমিকা মিষ্টি আক্তারের বাবা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেছেন।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মিষ্টি আক্তারের বাবা খশরু মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অপহরণ, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলাটি করেন।  দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, মামলায় সেনাসদস্য জীবন মিয়াকে প্রধান আসামি করে মোট সাত জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে মিষ্টি আক্তারকে অপহরণ, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, মিষ্টি আক্তার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর সাপমারী গ্রামের খশরু মিয়ার মেয়ে। তিনি ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে জীবন মিয়া উপজেলার তারাটিয়া-পোড়াভিটা জলব্রিজ এলাকার ফেলু মিয়ার ছেলে এবং সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে কর্মরত রয়েছে।  মিষ্টির পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে মিষ্টির সাথে জীবন মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক থাকার পর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর মিষ্টি আক্তারকে জীবন মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় কিন্তু মিষ্টি বাড়ি থেকে বের না হওয়ায় তার উপর শারীরিক নির্যাতনসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান। এদিকে জীবন মিয়া পলাতক থাকায় জীবন ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর মিষ্টি দীর্ঘ ১০ দিন জীবন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা ও বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। একপর্যায়ে মিষ্টির নিরাপত্তা ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিয়ের দাবিতে স্বজন ও স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর মিষ্টির পক্ষে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল করে দেওয়ানগঞ্জ-রৌমারী সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, মিষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিষয়টির আইনগত সমাধানের দাবি জানান। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, মিষ্টি ও জীবন মিয়ার প্রেমের ঘটনায় মিষ্টির বাবা খসরু মিয়া থানায় মামলা করেছেন।  মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  আরটিভি/এসএস
প্রেমিকার জন্য ‘মন না গলা’ সেই প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা
চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম
কুমিল্লায় নিহত কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কুমিল্লার গন্ধমতিতে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে বাড়ির পাশে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় অপ্রতিমের আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। জানাজায় উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অপ্রতিমের বাবা। তিনি বলেন, ‘আমি অপ্রতিমের বাবা। আমার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম। আপনাদের ভালোবাসায় সে বড় হচ্ছিল। তার বয়স মাত্র ১৩ বছর। আমি ওর বাবা হিসেবে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যদি সে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকে, তাহলে সবাই তাকে ক্ষমা করে দিয়েন। আর আমার সন্তানের জন্য দোয়া করবেন।’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় কিশোর অপ্রতিম। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কোটবাড়ির পশ্চিম সানন্দা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে ইতোমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম
আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ করে ‘বড় মাশুল’ দিলেন ওসি
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার জায়গায় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন দায়িত্ব পালন করছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার।   জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এ ছাড়া উপজেলার বাতানিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকনের বাড়িতে আয়োজিত ভূরিভোজে ওসির অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওসির দায়িত্বে থাকা সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ওসি প্রত্যাহারের পর চলে গেছে। তবে কী কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা জানি না। বটতলা এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিলের ঘটনায় শনিবার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।   নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার বলেন, একজনের বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওসি আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসএস
আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ করে ‘বড় মাশুল’ দিলেন ওসি
আরও পড়ুন
ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক
সীতাকুণ্ডে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, মহাসড়কে যানজট
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত 
সংঘর্ষের পর চাপা পড়া প্রাইভেট কারকে ২০০ মিটার টেনে নিয়ে গেল ট্রাক