
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের বিপরীত পাশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর সময় এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটা এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তরুণকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এরই মধ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সামনে এই তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার তরুণের নাম রেজাউল ইসলাম (২৩)। অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ওই যুবককে আইসিটির তদন্ত সংস্থার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তাব দেন। বিনিময়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থল রেকি করে ২৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান ওই তরুণ।
ধানমন্ডি থানার বরাত দিয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার দিনগত রাত ১২টা ২৬ মিনিটের দিকে ধানমন্ডি ১১/এ নম্বর সড়কের এক বাসার সামনে পাকা রাস্তার ওপর এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে।
রেজাউলের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, আনুমানিক ১০-১২ দিন আগে নিউমার্কেট এলাকার এক চায়ের দোকানে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি রেজাউলকে আইসিটির তদন্ত সংস্থার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তাব দেন। বিনিময়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার চুক্তি করা হয়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থল রেকি করেন রেজাউল। পরবর্তীতে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গলির ভেতর দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি; কিন্তু ধরা পড়ে যান পুলিশের হাতে।
ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করেছে ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন।
আরটিভি/এসএইচএম


