ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ এএম
শপিং ব্যাগ হাতে একজন ক্রেতা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাতে কেনাকাটার প্রয়োজনে হয়তো প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি অবশ্যই জানা থাকা জরুরি। তা না হলে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।

রোববার (৪ অক্টোবর) দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স এবং মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া ও রায়েরবাগ।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল চার্চের ঘণ্টা চোর
ঢাকার মোহাম্মদপুরে সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে ৭০ কেজি ওজনের পিতলের ঘণ্টা চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তুহিন ও বাদশা নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে চুরি যাওয়া ঘণ্টাটিও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হামিদ এ তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে কোনো এক সময় মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউয়ে ওয়াসা ভবনের বিপরীতে অবস্থিত সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের দ্বিতীয় তলার খোলা জায়গা থেকে ঘণ্টাটি চুরি হয়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। পরে চোরদের শনাক্ত ও ঘণ্টা উদ্ধারে একাধিক দল অভিযান শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে আশপাশের বিভিন্ন ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চোরদের রিকশায় করে ঘণ্টাটি নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে। ফুটেজের সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে তুহিন ও বাদশাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের একটি ডাস্টবিনের পাশ থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ঘণ্টাটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, অভিযানের চাপে চোরেরা ঘণ্টাটি ফেলে পালিয়ে যায়। মোহাম্মদপুর থানার ওসি আব্দুল হামিদ বলেন, মোহাম্মদপুর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় ৭০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন মন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আরও ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার তুহিনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় চুরির আগে রাত ১২টা ৩ মিনিট থেকে চার্চের নিজস্ব সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ রয়েছে কি না, তা জানতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসকে
সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল চার্চের ঘণ্টা চোর
ফুওয়াং ক্লাবে এসআরবি ও এনবিআরের যৌথ অভিযান
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ফুয়াং ক্লাবে অভিযান চালাচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট ইনটেলিজেন্স বা নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (মূল্য সংযোজন কর)। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার ক্লাবটিতে যৌথ এই অভিযান শুরু হয়। জানা গেছে, তেজগাঁওয়ের ওই ক্লাব ও বার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের। দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে ২০১৯ সালেও ক্লাবটিতে অভিযান চালিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।  তবে নতুন করে শনিবার ক্লাবটিতে অভিযানের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শুল্কমুক্ত মদ মজুতের অভিযোগে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানের ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি ওয়্যারহাউজে যৌথ অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।  কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১) এর যৌথ ওই অভিযানে ‘অননুমোদিত’ গুদামে শুল্কমুক্ত মদ রাখার অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের দু’টি বৈধসহ চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়। আরটিভি/ এসকেডি 
ফুওয়াং ক্লাবে এসআরবি ও এনবিআরের যৌথ অভিযান
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জরুরি নির্দেশনা
ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত দখল করে দোকান বা কোনো স্থাপনা বসানো ঠেকাতে মনিটরিং টিম গঠন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জরুরি নির্দেশনা
হঠাৎ শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
হঠাৎ শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ
শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী
শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেয়া ছাড়া ওই সময় ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবা‌বে ভারতীয় হাইক‌মিশনার এ কথা ব‌লেন।  দীনেশ ত্রিবেদী করেন, ঐতিহাসিক ও পুরোনো বন্ধু হিসেবে তৎকালীন সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারতের যা করা উচিত ছিল, তারা ঠিক সেটাই করেছে। শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনুমতি না দিলে কী ঘটতে পারত তা কারও জানা নেই। তিনি বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং আমরা আশা করি, প্রার্থনা করি যে, এমনটা যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন। তি‌নি আরও ব‌লেন, সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। আমি টেলিভিশনে দেখছিলাম এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে তিনি অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। তাই সেই সময়ে, শেখ হাসিনা তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল। ভারতীয় হাইক‌মিশনার ব‌লেন, অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল? আমরা যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি যে কী দাঁড়াতো তা আমার জানা নেই। সুতরাং এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ। তি‌নি আরও বলেন, বাকিটা আমার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আপনিও আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবেন বলে আশা করি। আর আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে। আরটিভি/টিআর
শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী
আরও পড়ুন
সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল চার্চের ঘণ্টা চোর
ছেলেদের হলে গোসলের ভিডিও ধারণের সময় মোদ্দাদেকুর ধরা, অতঃপর...
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি আসছে, আলোচনায় যারা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জরুরি নির্দেশনা