
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণে সুধী সমাবেশ শেষ হবার পর আগামী ১৯ অক্টোবর সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য ওসমানী উদ্যান উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর পর এই উদ্যান সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঐতিহাসিক উদ্যানটি আধুনিকায়ন করা হয়েছে। আগামী ১৯ অক্টোবর সেখানে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
রোববার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ‘ওসমানী উদ্যান আধুনিকায়ন’ ও নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা শুরুর আগে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর জনগণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে পার্কটি। এখন সেখানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাঁটার জন্য সুন্দর পরিবেশ থাকবে। নতুনভাবে সাজানো এই উদ্যানে হাঁটার পথ, পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর সুবিধা, রেস্তোরাঁ, আধুনিক লাইব্রেরি, শিশুদের খেলার সুনির্দিষ্ট স্থান, কৃত্রিম পানির ফোয়ারা ও মনোরম জলধারা রয়েছে। এছাড়া সচিবালয়সংলগ্ন এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি এবং পরিবেশ মনোরম রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, জুলাই শহীদ ও জুলাই বীর যোদ্ধাদের স্মরণে উদ্যানে বিশেষ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে, যা আগত দর্শনার্থীদের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার বিপ্লব ও শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করার সুযোগ করে দেবে।
রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মূলত হকারদের উচ্ছেদ নয়, সিটি করপোরেশনের নাগরিকদের জন্য ফুটপাত চলাচলের উপযোগী করতে তাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের নির্বিঘ্নে ফুটপাতে চলাচলের জন্য এই কার্যক্রম চলছে। যতদিন পর্যন্ত ফুটপাত পুরোপুরি দখলমুক্ত না হবে, ততদিন অভিযান চলবে। এমনকি নতুন করে যেনো হকার না বসে, সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হবে।
প্রস্তুতি সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরটিভি/এসকে


