ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

বন্ধ ক্যাম্পাসে পশু-পাখির সেবা করছেন তারা

লাবু হক, রাবি সংবাদদাতা

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৭ পিএম
বন্ধ ক্যাম্পাসে পশু-পাখির সেবা করছেন যারা

বৃষ্টিস্নাত ক্যাম্পাস। পিচঢালা রাস্তার কোথাও কোথাও এখনও বৃষ্টি জমে আছে। সেই রাস্তায় সাইকেলের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক মানুষের সাথে খুনসুটিতে মেতেছে কয়েকটি কুকুর। কেউ পিছু পিছু ছুটছে, কেউ সামনে এসে লাফালাফি করছে। আবার কেউ লেজ নাড়াতে নাড়াতে মাথা তুলে উঁকি দিচ্ছে। মানুষটাকে তারা চারপাশ দিয়ে ঘিরে ধরেছে। মানুষটা তাদের দেখে মুচকি মুচকি হাসছেন। সাদা দাঁতের ঝিলিকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সেই হাসি। এ যেন পরিতৃপ্তির হাসি। হালকা-পাতলা গড়নের সেই মানুষটার সাইকেলের হ্যান্ডেলে রাখা আছে কালো রঙের বড় একটি পাত্র। পাত্র দেখেই ওরা দূর থেকে দৌড়ে এসেছে সেই মানুষটির কাছে। পাত্রটিতে তাদের জন্য খাবার নিয়ে আসা হয়েছে। এখনি তাদের খেতে দেয়া হবে। তৃপ্তি সহকারে খেতে পারবে সেই আনন্দেই তারা লেজ নাড়াচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখে চোখের পাতায় প্রশান্তির মায়া।

কুকুরগুলো ঘিরে থাকা এতক্ষণ যে মানুষটির কথা বলছিলাম তার নাম প্রসেনজিৎ কুমার। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ের বাধাকে উপেক্ষা করে ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে ক্যাম্পাসের অভুক্ত প্রায় ২০০ কুকুর, বিড়াল ও পাখিদের খাওয়াচ্ছেন। তার সঙ্গে আছেন আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী। রাবির হাজারও শিক্ষার্থীর মাঝে ক্যাম্পাসের কুকুর-বিড়ালগুলো ওই শিক্ষার্থীকে আলাদাভাবে চেনে। চেনে বলেই তারা ‘আয় আয়’ বলে ডাকতেই চারপাশ থেকে দৌড় দিয়ে সামনে এসে হাজির হয়। কিছু কুকুরের নামও দিয়ে দিয়েছেন তারা। কারও নাম লাইলী, আবার কারও নাম ফাটাকেষ্ট। তারা খাওয়ানোর প্রকল্পের নাম দিয়েছেন ‘ক্যাম্পাস পোষাপ্রাণী সংরক্ষণ প্রকল্প’।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১৮ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলে ক্যাম্পাসের সব খাবার দোকানও বন্ধ হয়ে যায়। এর কয়েকদিন পর আশপাশের খাবার দোকানও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ক্যাম্পাসে থাকা শতাধিক কুকুরকে না খেয়ে থাকতে হয়। তাই গত ২৮ মার্চ থেকে ‘মানুষ তো কোনও না কোনোভাবে খাবার সংগ্রহ করবে, কিন্তু কুকুর তো পারবে না। এই চিন্তা থেকেই প্রসেনজিৎ কুমার ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুদ সাকী মিলে নিজস্ব অর্থায়নে কুকুরদের খাওয়াতে শুরু করেন।

এ ব্যাপারে প্রসেনজিৎ বলেন, বন্ধ ক্যাম্পাসে একদিন চা খেতে এসে দেখি ক্যাম্পাসের কুকুরগুলো না খেতে পেয়ে একেবারেই শীর্ণ হয়ে গেছে। এদের দেখে খুব খারাপ লাগছিল। সেদিনই মাহমুদ সাকীসহ আমরা সিদ্ধান্ত নিই, নিজেদের পকেটের টাকায় ক্যাম্পাসের কুকুরগুলোকে খাওয়াবো। এরপর থেকেই রান্নার হাঁড়ি জোগাড় করে চাল, ডাল কিনে রাকসু ভবনে ইট দিয়ে গেঁথে চুলো তৈরি করলাম। আশপাশ থেকে খড়ি কুড়িয়ে প্রথমদিনের মতো রান্না করলাম। সেদিন থেকেই তাদের খেতে দিতে শুরু করি। পরবর্তীতে অনেকে একাজে এগিয়ে আসে। অনেকে কিছুদিন করেই চলে যায়। বর্তমানে ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের ইসতিয়াক ইমু, আইন বিভাগের মাহবুবুর রহমান মুন্না ও দিল আফরোজ দোলাসহ মোজাম্মেল হক নামের একজন শিক্ষার্থী কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের তামির হোসেন নামের এক বিদেশি শিক্ষার্থীও আমাদের সাথে রয়েছেন।

ওদের খাওয়াতে কেমন লাগে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আনন্দে ওদের লেজ নাড়ানো দেখে আমরা তৃপ্ত পাই। ওদের খাওয়া দেখে আমরা শান্তির অন্তর ঘরে সুখের দেখা পেয়ে থাকি। একটু প্রাণ খুলে হাসি। প্রায়ই খাবার দিতে গিয়ে বৃষ্টিতে আমরা ভিজে যাই৷ এখন অভ্যাসটা এমন হয়েছে যে, খাবার না দিলে যেন নিজেদেরই ভালো লাগে না।

প্রকল্পটির সাথে কাজ করা একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসের কুকুর, বিড়াল ও পাখিদের খাওয়াতেই প্রশান্তি মেলে আমাদের। দিনে দুবেলা তাদের খাবার দেই, সকালে আর সন্ধ্যায়। এই কয়েকদিনে আমরা পাখিদেরকেও পোষ মানিয়ে ফেলেছি। ওরা প্রতিদিন কোনও ভয় ছাড়াই এসে আমাদের আশেপাশে ভিড় করে। ওদের কিচিরমিচির শব্দগুলো আমাদের ভালো লাগে।

তারা বলেন, প্রতি মাসের প্রথম দিন আমরা বাজার করি পুরো মাসের জন্য। অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী বাজার করে দিয়ে যায়। চাইলে যে কেউই যোগ দিতে পারেন আমাদের ক্যাম্পাস পোষাপ্রাণী সংরক্ষণ প্রকল্পে।
জিএম/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষকের পরিবারের নারী সদস্যকে গালিগালাজ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
মাদারীপুরে একেডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র নাগ ও তার পরিবারের নারী সদস্যকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী-শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।  বৃহস্পতিবার কালকিনি উপজেলার ডাসার থানাধীন দর্শনা বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। ব্যানার-ফেস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে প্রধান শিক্ষক ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদ জানানো হয়।  এ সময় বক্তারা দ্রুত এই ঘটনার সাথে জড়িত ও অভিযুক্ত ডাসার ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজের বিচার দাবী করেন। গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের কমিটি করাকে কেন্দ্র করে কালকিনি উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ একেডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র নাগের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ প্রধান শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরই প্রতিবাদ ও দোষীর বিচারের দাবীতে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। উল্লেখ, ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর ইয়াবাসহ ডাসার থানা পুলিশের হাতে আটক হয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ। পরে পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। এর আগে ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চুরি, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলায় তাকে গ্রেফতার করে জেলার  গোয়েন্দা পুলিশ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও বিক্রিসহ নানা অভিযোগে এনে পদত্যাগ দাবী করে একাধিকবার বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। তবুও টনক নড়েনি প্রশাসনের। জিএ
শিক্ষকের পরিবারের নারী সদস্যকে গালিগালাজ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়েছ। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে উপকূলীয় জেলা বরগুনায় নির্মাণ করা হয়েছে এ জাদুঘরের। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন নকশার একশ’টি নৌকার অনুকরণে শুরু হল এই জাদুঘরের। বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন ৭৮ শতাংশ জমির ওপর স্থাপন করা হয়েছে জাদুঘরটি। বিশাল নৌকার আদলে তৈরি এ জাদুঘরটির দৈর্ঘ্য ১৬৫ ফিট এবং প্রস্থ ৩০ ফিট। এখানে থাকবে নৌকা গবেষণা কেন্দ্র, আধুনিক পাঠাগার, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, শিশু বিনোদন কেন্দ্র এবং ফুড কর্নারসহ নানা আয়োজন। জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টায় মহামারি করোনা প্রতিকূলতার মাঝেও মাত্র ৮১ দিনে সম্পন্ন হয় দেশের প্রথম নৌকা জাদুঘর নির্মাণের কাজ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকালে জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। এসময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীমাতৃক দেশের প্রধান বাহক হিসেবে হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে এই নৌকা। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দুঃসাহসিক বিভিন্ন অভিযানে নৌকা ব্যবহার করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে এই নৌকা। বঙ্গবন্ধু জাদুঘরটির মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন অনুকরণের নৌকার দেখা পাবে দেশের নতুন প্রজন্মরা- এমনটাই ভাবছেন স্থানীয় সচেতন মহল। জিএ 
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় চার মাস তদন্ত শেষে পুলিশের দায়ের করা মামলায় ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশ। তবে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তিতাস গ্যাসের অভিযুক্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির নারায়ণগঞ্জ শাখার তদন্ত দল। চার্জশিটে প্রধান আসামি করা হয়েছে ওই মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুর মিয়াকে (৬০)।  মামলায় প্রধান আসামি আবদুল গফুর মিয়া ছাড়াও অন্যান্য আসামিরা হলেন- সামসুদ্দিন সরদার (৬০), শামসু সরদার (৫৭), শওকত আলী (৫০), অসিম উদ্দিন (৫০), জাহাঙ্গীর আলম (৪০), শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল (৪৫), নাঈম সরদার (২৭), কাইয়ুম (৩৮), মামুন মিয়া (৩৮), আলমগীর সিকদার (৩৫), মাওলানা আল আমিন (৪৫), সিরাজ হাওলাদার (৫৫), নেওয়াজ মিয়া (৫৫), নাজির হোসেন (৫৬), আবুল কাশেম (৪৫), দেলোয়ার হোসেন, বশির আহমেদ (হৃদয়) (২৮), তানভীর আহমেদ (৪৫), আল আমিন (৩৫), আবদুল মালেক (৫৫), মনিরুল (৫৫), স্বপন মিয়া (৩৮), আসলাম আলী (৪২), আলী তাজম (মিল্কী) (৫৫), রিমেল (৩২), আরিফুর রহমান (৩০), মোবারক হোসেন (৪০) ও রায়হানুল ইসলাম (৩৬)।  তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। সিআইডি পুলিশের নারায়ণগঞ্জ জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় তিতাসের অভিযুক্ত আট কর্মকর্তা-কর্মচারিকে আপাতত চার্জশীটে লিপিবদ্ধ করা না হলেও তাদেরকে মামলায় রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে  অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন পেলেই তাদেরকে আসামি হিসেবে চার্জশীটে সম্পৃক্ত করা হবে। তবে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, সিআইডি আদালত পুলিশের কাছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চার্জশিট জমা দিয়েছে। রোববার তা আদালতে পেশ করা হবে। উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ চলাকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মসজিদের অভ্যন্তরে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ থেকে স্পার্ক ও অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের মিশ্রনে এই বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি পুলিশ। এই বিস্ফোরণে ৩৭ জন গুরুতর দ্বগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের মধ্যে ৩৪ জন মারা যান। জিএ
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
আরও পড়ুন
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
টঙ্গীতে ভ্রাম্যমাণ সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন
ধর্মঘটে ময়মনসিংহ মেডিকেলের বহির্বিভাগে চিকিৎসা সেবা বন্ধ
প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবায় \'দুয়ারে ডাক্তার\'