
রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের অংশ হিসাবে এবার ভাসানচরে পা রাখলেন আরও ৬১৩ রোহিঙ্গা। এটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার অষ্টম ধাপ। এর আগে আরও ৭টি ধাপে ১৮ হাজার ৭ শ’ ২৬ রোহিঙ্গা নাগরিককে অস্থায়ী বসবাসের জন্য নোয়াখালী হাতিয়ার ভাসানচরে আনা হয়।
শনিবার ( ১৮ ডিসেম্বর) সকালে চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রোহিঙ্গাদের বহনকারী জাহাজ দুটি দুপুর ৩টার দিকে পৌঁছায় ভাসানচরে। অষ্টম ধাপে এবার আসা ৬১৩ রোহিঙ্গার মধ্যে ২২৫ জন পুরুষ, ১৪৪ জন মহিলা ও শিশু ২৪৪ জন রয়েছে।
ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, নিয়মানুযায়ী শনিবার আসা রোহিঙ্গাদের প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। দুপুরের খাওয়ারের সময় হয়ে যওায়ায় ঘাটে রোহিঙ্গাদের মাঝে খাওয়ারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রায়ণ প্রকল্পের ওয়্যার হাউজে। সেখানে তাদের ভাসানচরে বসবাসের বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা দেন নৌ-বাহিনীর সদস্যরা।
এদিকে গত শুক্রবার বিকেলে ভাসনচরের উদ্দেশে কক্সবাজার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের চট্রগ্রামে নৌ-বাহিনীর তত্বাবধানে রাখা হয়। রাতে তারা চট্রগ্রামের বি এন শাহীন কলেজের ট্রানজিট ক্যাম্পে অবস্থান করে। শনিবার সকালে এসব রোহিঙ্গাদের নিয়ে চট্রগ্রামের বোটক্লাব থেকে নৌ-বাহিনীর দুটি জাহাজ ভাসানচরে উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
স্বেচ্ছায় ভাসানচরে আসতে ইচ্ছুক এমন রোহিঙ্গাদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয় গত বছরের ৪ ডিসেম্বর।
এমআই /এসকে




