
কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হাওয়ার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টুরিস্ট পুলিশ। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোররাতে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টুরিস্ট পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন। তবে ধর্ষণকাণ্ডের মূল হোতা ও এজাহার নামিয় আসামি আশিকুল ইসলাম আশিক, ইসরাফিল হুদা জয় ও মেহেদী হাসান বাবু এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ বাহারছড়ার আবুল কাশেমের ছেলে রেজাউল করিম সাহাবুদ্দীন (২৫), কক্সবাজার শহরের পশ্চিম বাহারছড়ার মৃত সালেহ আহমদের ছেলে মেহেদী হাসান (২১) ও চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের মৃত মোক্তার আহমদের ছেলে মামুনুর রশীদ (২৮)। তারা ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগী ছিলেন বলে জানান পুলিশ। এর আগে হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে গ্রেপ্তার করে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এ নিয়ে এ আলোচিত মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টায় টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে টুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ৩ জনকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে ধর্ষণকাণ্ডের মূল হোতা ও এজাহার নামিয় আসামি আশিকুল ইসলাম আশিক, ইসরাফিল হুদা জয় ও মেহেদী হাসান বাবু এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া অপর আসামি হোটেলের ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটন ৪ দিনের রিমান্ডে রয়েছে।
পুলিশ জানান প্রধান আসামি আশিকের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ইয়াবা, অস্ত্রসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। ইসরাফিল হুদা জয়ের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে।
তিনি জানান, গত বুধবার (২২ ডিসেম্বর) স্বামী-সন্তানকে জিম্মি ও হত্যার ভয় দেখিয়ে দুই বার দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে এক নারী। অভিযোগ পেয়ে রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র্যাব-১৫। এ ঘটনার পরের দিন জড়িতদের শনাক্ত করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩ জনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে ভিকটিমের স্বামী। ওইদিন জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ব্যবস্থাপক এজাহার নামিয় আসামি রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করা হয়। ওই মামলা টুরিস্ট পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এমএন/এসকে




