
সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার ফেরার পথে মাঝ সমুদ্রে আটকে যাওয়া কর্ণফুলী জাহাজটি কক্সবাজার বিএমডব্লিউ ঘাটে এসে পৌঁছেছে। রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে কক্সবাজার পৌঁছানোর কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এটি ঘাটে পৌঁছায়।
বুধবার দুপুর ২টার পর জাহাজটি সেন্টমার্টিন ছাড়ে। জাহাজে ৪০০ জনের মতো যাত্রী রয়েছে বলে জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
ঘাটে পৌঁছানোর পর ওই জাহাজের যাত্রী রাহিদুল ইসলাম বলেন, বুধবার দুপুর ২টায় জাহাজে ওঠার পর কিছুদূর আসার পর কর্তৃপক্ষ জানায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় জাহাজ চলবে না। পরে দীর্ঘ সময় কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কিছুই জানায়নি।
যাত্রীদের দাবি, জাহাজটির ধারণক্ষমতা ৪০০ জনের হলেও এক হাজারের মতো যাত্রী বহন করে। সমুদ্রে আটকে থাকার সময় যাত্রীদের জন্য খাবার পাঠানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও প্রকৃতপক্ষে যাত্রীদের খাবার দেওয়া হয়নি। ছিল না লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা। এটা নিয়ে অনেকেই ভয়ে ছিলেন।
এ বিষয়ে পর্যটকরা বলেন, আটকে থাকার সময় তাদের খাবার দেওয়া হয়নি। অগ্রিম টিকিট ও হোটেল বুকিং থাকায় যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তার দায় কে নেবে?
এর আগে, জাহাজে ৪০০ জনের মতো যাত্রী নিয়ে বঙ্গোপসাগরে আটকে যাওয়ার কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। পরে উদ্ধারের জন্য একটি টিম পাঠানো হয়।
বিষয়টি তখন নিশ্চিত করে ট্যুর অপারেটর সদস্য কাদের আহমদ বলেন, সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার ফেরার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। তখন জাহাজের নাবিক আমাদের বার্তা পাঠান যে তারা মাঝ সমুদ্রে আটকে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা এ খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে দেই। আমাদের ট্যুর অপারেটর থেকে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এমআই/টিআই




