
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক আমির উদ্দিনের অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছে চবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতির অনুসারীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা দুপুরে জড়ো হয়ে একটি মিছিল বের করেন। সেসময় স্লোগান দিতে দিতে ছাত্রলীগ নেতারা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। পরে নিচে নেমে তারা কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করে। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে মিছিল করে অবরুদ্ধ করে ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতির অনুসারীরা। তারা চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবেও পরিচিত।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর টিপু প্রশাসনিক ভবনে ভাঙচুরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তাই ২২ নভেম্বর পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখেছি। এর আগে শিক্ষক আমীর উদ্দিনকে অপসারণের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম।
টিপু আরো বলেন, আমাদের দাবি মেনে না নেয়ায় আমরা মূল ফটক অবরোধ করে মিছিল করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিয়াজ মোরশেদ রিপন আরটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন, দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরমধ্যে একটি শিক্ষক আমীর হোসনকে হুমকির বিষয়ে, আরকেটি তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের একাংশের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে।
এর আগে গেলো রোববার শিক্ষক আমির উদ্দিনকে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় ছাত্রলীগের এ অংশটির বিরুদ্ধে। চট্টগ্রামের বর্ধিত গৃহকর প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত থাকায় তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির সমর্থিত ছাত্রলীগ নেতারা আন্দোলন করছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক আমির উদ্দিন।
এসএস




