
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভোট। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা।
বুধবার সকাল থেকেই নগরীর পুলিশ কমিউনিটি হল মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দিক নির্দেশনা দেন পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার গোলাম ফারুক।
প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে ১৯৩ কেন্দ্রে পুলিশ কমিউনিটি হল থেকে বিতরণ করা হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার আরটিভি অনলাইনকে জানান, প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। সম্ভব্য সবরকম প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু হবে। ইতোমধ্যে বেগম রোকেয়া কলেজ নামের একটি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিন বসানো হয়েছে। এছাড়া ওই কেন্দ্রসহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ এই তিনটি কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা।
এদিকে নগরজুড়ে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। ২২ প্লাটুন বিজিবি সদস্যসহ অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বহিরাগতদের মঙ্গলবার মধ্যরাতের আগে সিটির বাইরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেনো ঘটতে না পারে সেজন্য সজাগ রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এবারের নির্বাচনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী কাওছার জামান, মই প্রতীকে আব্দুল কুদ্দুস, হাতপাখা নিয়ে এটিএম গোলাম মোস্তফা, আম প্রতীকে সেলিম আখতার ও হাতি প্রতীকে হোসেন মকবুল শাহরিয়ার।
এ নির্বাচনে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪২১ জন ভোটার তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৯ জন পুরুষ ভোটার এবং ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬২ জন নারী ভোটার।
এসএস




