ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

সিদ্ধান্ত জানাতে প্রস্তুত চার লাখ ভোটার

সিয়াম সারোয়ার জামিল, রংপুর থেকে

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১০:১৬ পিএম

রাত পোহালেই ভোট। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে দ্বিতীয়বারের মতো রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

টানা ১৫ দিন চলেছে প্রচার-প্রচারণা আর প্রার্থীদের নানা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি। এখন সিদ্ধান্ত জানাতে প্রস্তুত সিটির প্রায় চার লাখ ভোটার।

ভোটাররা যেমন প্রস্তুত তেমনি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তুত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। নির্বাচন কমিশন তত্ত্বাবধানে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।

এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছানো হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম।

চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নগরজুড়ে টহল। জোরদার করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বিশেষ করে অনুন্নত ও সংখ্যালঘু এলাকাগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সব ধরনের সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি কাজ শুরু করেছে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও নিজস্ব কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তিনটি ওয়ার্ডে একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ জন করে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ৩৩ জন নির্বাহী ও ১১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। ৮ সদস্য বিশিষ্ট র‌্যাবের ৩৩টি দল কাজ করবে নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে। এছাড়া যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াডসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে র‌্যাব।

তিনি আরো জানান, নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২১ প্লাটুন বিজিবি মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে মাঠে রয়েছে। নির্বাচনের পরদিন পর্যন্ত তারা মাঠে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল দেবে।

ডিআইজি বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৮টি পয়েন্টে চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। জনগণকে ভয় দেখাতে নয়, উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ মডেল নির্বাচন উপহার দিতেই আইনশৃংখলা বাহিনী নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তুলেছে রংপুর সিটি এলাকায়।

এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার আরটিভি অনলাইনকে জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম পৌঁছানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ১১টি পর্যবেক্ষক দল মাঠে নামছেন। ইসির নিজস্ব এসব কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রেখে নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনে জানাবেন।

এসজে/এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকা সিটি নির্বাচনে আগাম প্রচারণা সামগ্রী সরানোর নির্দেশ
ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচারের ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির যুগ্ম-সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং ঢাকার দুই সিটির ৩৬ ওয়ার্ডের সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগামী ৬ জানুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে এসব সামগ্রী সরাতে নির্দেশ দেয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকার দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন উত্তর সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের যেকোনো দিন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। তফসিল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন, বিলবোর্ড, গেট, তোরণ বা ঘের, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা ইত্যাদি প্রচার সামগ্রী ও নির্বাচনী ক্যাম্প থাকলে সেগুলো অপসারণ করা প্রয়োজন।  এছাড়া এগুলো না সরালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো প্রার্থীর পোস্টার-ব্যানার কোথাও দেখা গেলে সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারে। এমসি/এসএস
ঢাকা সিটি নির্বাচনে আগাম প্রচারণা সামগ্রী সরানোর নির্দেশ
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
'আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উপ-নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছি তা নেত্রীকে অবহিত করতে গিয়েছিলাম। নেত্রী আমাকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন।'  বললেন উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম।  শনিবার দুপুর ২টার দিকে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে যান। প্রায় ১ ঘণ্টা পর ৩টার দিকে তিনি গণভবন থেকে বের হয়ে আসেন। মনোনয়ন বিষয়ে জানতে চাইলে আতিকুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নের বিষয়ে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডিএনসিসির উপ-নির্বাচনে আতিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীতে অবস্থিত নিজ বাণিজ্যিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই আমি কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন এলাকায়, জায়গায়, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যাচ্ছি। এছাড়া মাঠে-ময়দানে, মসজিদ, মন্দিরে যাওয়া শুরু করেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার মনোনয়ন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এ সমন্ধে আমি কোনো কমেন্টস করতে চাই না। আমি সবুজ সংকেত পেয়েছি বলেই মাঠে নেমেছি। সর্বোচ্চ মহল থেকেই সবুজ সংকেত পেয়েছি। আমার মনে হয়, দ্রুতই অচিরেই সেই সংকেত পাবেন। এসজে
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
\'আপনারাও দ্রুত সংকেত পাবেন\'
সর্বোচ্চ মহল থেকে সবুজ সংকেত পেয়েই আমি নির্বাচনী মাঠে নেমেছি। আপনারাও দ্রুতই সেই সংকেত পাবেন। বললেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রার্থী ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীতে অবস্থিত আতিকুল ইসলামের বাণিজ্যিক কার্যালয়ের সামনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।  আতিকুল ইসলাম বলেন, সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই আমি কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন এলাকায়, জায়গায়, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যাচ্ছি। এছাড়া মাঠে-ময়দানে, মসজিদ, মন্দিরে যাওয়া শুরু করেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার মনোনয়ন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এ সমন্ধে আমি কোনো কমেন্টস করতে চাই না। আমি সবুজ সংকেত পেয়েছি বলেই মাঠে নেমেছি। সর্বোচ্চ মহল থেকেই সবুজ সংকেত পেয়েছি। আমার মনে হয়, দ্রুতই অচিরেই সেই সংকেত পাবেন।’ তিনি বলেন, মনোনয়ন বোর্ড আছে। সেই বোর্ড থেকে ইলেকশন শিডিউল অনুযায়ী, রুটিন অনুযায়ী তারা বলবেন বলে আমি আশা করি এবং আমার বিশ্বাস আমি যদি মনোনয়ন পায়, তাহলে ঢাকাবাসীর যে স্বপ্ন আছে এবং আনিসুল হকের যে স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবায়ন করব। তিনি বলেন, আনিসুল হকের ওপর প্রধানমন্ত্রীর খুব আস্থা ছিল। সেটা আনিসুল হক প্রমাণ করতে পেরেছেন। কথায় না, কাজে বিশ্বাসী। আমি দেখাতে চায় যদি ইচ্ছা থাকে, তাহলে অনেক কিছুই করা যায়। দল থেকে যদি মনোনয়ন পায়, তাহলে আমাকে জিতে আসতে হবে এবং তার পরেই মেয়র হিসেবে কাজ করতে পারব ইনশাআল্লাহ। আতিকুল বলেন, আনিস ভাই বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেগুলো অ্যাডভেঞ্চার পদক্ষেপ। যেমন ৪ হাজার বাস নামাতে হবে এবং তার সঙ্গে আরও দুই হাজার বাস নামানো। রাস্তার ট্রাফিক জ্যাম উত্তরণ। আমাদের শহর আঁচলের মতো, এটাকে আমাদের সচল করতে হবে। ‘জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। বাচ্চারা টুইটার, ফেসবুক ব্যবহার না করে মাঠে এসে যেন সবাই নিরাপদে খেলতে পারে, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা যদি সবাই মিলে কাজ করতে পারি তাহলে কামিয়াব হবো’ বলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি। এসজে
\'আপনারাও দ্রুত সংকেত পাবেন\'
তাবিথ ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত, ও ভালো পারবে: মিন্টু
তাবিথ আওয়াল ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত। দল চায় তরুণরা রাজনীতিতে আসুক। চেয়ারপারসন দলের স্থায়ী কমিটিকে প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছেন। আবার তিনি গতবারের প্রার্থী বদলেরও কোনো ইঙ্গিত দেননি। তাবিথ গতবার নির্বাচন করেছে। এবারও হয়তো সেই পাবে। ও ভালো কাজ করতে পারবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাবিথ আওয়ালের মেয়র প্রার্থী হওয়া নিয়ে এমনটাই বললেন তাবিথের বাবা ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। বুধবার পুরানো ঢাকার বকসিবাজারে বিশেষ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।  আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তে গতবার নির্বাচন বর্জন করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন বর্জন না করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করা উচিত ছিল তার। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল বড় ব্যবধানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। গেলো ৩০ নভেম্বর ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়। শিগগির শূন্য পদে তফশীল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মেয়র শূন্য ঘোষণা করার পর নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সেক্ষেত্রে গতবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া তাবিথ আউয়ালের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া অনেকটা নিশ্চিত বলে দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এসজে
তাবিথ ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত, ও ভালো পারবে: মিন্টু
সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউপিতে ভোট আগামীকাল
দেশের সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ ও উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এছাড়া একটি উপজেলাতেও সাধারণ নির্বাচন হবে। এদিন সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত। ১৩২টির মধ্যে চারটি পৌরসভায় সাধারণ, তিন পৌরসভায় উপনির্বাচন, ৩৪ ইউপিতে সাধারণ, ৯১ ইউপিতে উপনির্বাচন হবে। এছাড়া একটি উপজেলায় সাধারণ নির্বাচন হবে। জামালপুরের বকশীগঞ্জ, নাটোরের বনপাড়া, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও যশোরের বেনাপোল এই চারটি পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন হবে। ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। ২৮ ও ২৯ নভেম্বর বাছাই ও ৭ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়। এর আগে এসব এলাকায় ভোটের তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার পর ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে অর্ধশত নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া মামলাসহ অন্যান্য আইনি জটিলতার কারণেও কিছু নির্বাচন হয়নি। সে নির্বাচনগুলোই এখন সম্পন্ন করা হচ্ছে। পি
সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউপিতে ভোট আগামীকাল
আরও পড়ুন
দল চাঙা করতে মাঠে নামছেন আওয়ামী লীগ নেতারা
রংপুরে ভোটগ্রহণ শুরু
১৯৩ কেন্দ্রের ১০৮টিই ঝুকিপূর্ণ
‘আমি তো এরশাদ সাহেবের ঘরে ঢুকতে পারবো না’