ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

রংপুরে এরশাদের লাঙল এত জনপ্রিয় কেন?

সিয়াম সারোয়ার জামিল, রংপুর থেকে

প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:৩৪ এএম

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে লাঙল প্রতীকে জাতীয় পাটির প্রার্থী মোস্তফিজার রহমান মোস্তফা জয় পেয়েছেন। বিপুল ভোটে জয়ের পর রংপুর ভাসছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জোয়ারে। গোটা রংপুরেই তৈরি হয়েছে জাতীয় পার্টির একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু কেন এত জনপ্রিয়তা?

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রংপুর সিটিতে প্রথম নির্বাচন হয়েছিল ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর। আর গতকাল বৃহস্পতিবার হলো দ্বিতীয় নির্বাচন। তবে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নগরপিতা নির্বাচনের ফলাফলে পরিবর্তনের আভাস স্পষ্ট। পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে হারালেও এবার হয়েছে উল্টো।

গেলো কয়েক দিন নগরজুড়ে ঘুরে দেখা গেছে, দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ রংপুরের সন্তান হওয়ায় এলাকায় জাতীয় পার্টির আলাদা প্রভাব রয়েছে।

৮৬ সালের পর জাতীয় পার্টি ছাড়া অন্য কারো প্রভাব রংপুরে তেমন বেশি না। প্রতিপক্ষ হিসেবে আওয়ামী লীগের একটা অবস্থান থাকলেও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মতো হাইপ্রোফাইল জাতীয় নেতার জনপ্রিয়তার ধারেকাছেও নেই কেউ। বিএনপি আগে থেকেই সাংগঠনিকভাবে দুর্বল এ আসনে। তাছাড়া কোনো নির্বাচনী লড়াইয়েই বিএনপি নিজেকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারেনি।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, বামদলগুলোর অবস্থাও সদরে ভালো নয়। জামায়াত কিংবা ধর্মভিত্তিক দলগুলোরও চোখে পড়ার মতো তৎপরতা ছিল না। মাঠে ছিল একমাত্র ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন (ইশা)। এসব কারণে রংপুর সিটি জাতীয় পার্টির দখলেই থাকল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নব্বইয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর অনেকেই ভেবেছিলেন রংপুরের মানুষও বদলে যাবে। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হচ্ছে রংপুরবাসী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পেছনে আরো বেশি একাট্টা। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যাবে কী যাবে না সে চিন্তা না করেই ভোটাররা লাঙল প্রতীকে ভোট দিয়েছেন।

তবে শুধু এরশাদ নয়, ব্যক্তি মোস্তফার জনপ্রিয়তাও এখানে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন রংপুর মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সদরুল আলম দুলু।

তিনি জানান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়টি ঝন্টুর প্রচারে প্রাধান্য পেলেও তাতে ভোটের অঙ্কে বিশেষ প্রভাব পড়েনি। কারণ জাপা প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ব্যক্তি ইমেজে সরকারি দলের প্রার্থীর চেয়ে কিছুটা এগিয়ে ছিল। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে রংপুরে দীর্ঘদিন ধরে লাঙল প্রতীকের ইমেজ।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রংপুর মহানগর সভাপতি ফখরুল আনাম বলেন, নগরবাসী মূলত আবেগের বসেই এ নির্বাচনে লাঙলকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে। এক্ষেত্রে এক ধরনের আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদ তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ফখরুল আনাম বলেন, মোস্তফা কতটা যোগ্য তা ভাবার চেয়ে ভোটাররা এরশাদের প্রতি অন্ধ ভালবাসা থেকেই লাঙলে ভোট দিয়েছে।

নির্বাচনে জয়ের পর বৃহস্পতিবার রাতে কথা হয় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে। তিনি আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এরশাদ রংপুরের মাটি ও মানুষের সন্তান। তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তিনি দেশের জাতীয় নেতা, তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের অনেক উন্নয়ন করেছেন। তিনি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানোর চেষ্টা হয়েছিল। তিনি রংপুরের মানুষের ভালোবাসায় পুনর্জন্ম লাভ করেছেন।

রাঙ্গা জানান, রংপুরের মানুষের কাছে তার অনেক ঋণ। আগামীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে রংপুরের মানুষের সে ঋণ শোধ করতে চান। তাই রংপুরের মানুষ মনে করে এরশাদ রংপুরের মানুষের নেতা। তাই সাধারণ জনগণ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা এরশাদের মনোনীত প্রার্থী মোস্তফাকে জয়যুক্ত করেছেন। যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন রংপুরের মানুষ তার লাঙলকে নির্বাচিত করবেন।

এসজে/জেবি/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেহেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
মেহেরপুর সদর উপজেলায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজাপুর গ্রামে চঞ্চল মিয়ার ইটভাটার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ওয়াহেদ আলী। সে ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।   মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আরটিভি অনলাইনকে জানান, সকালে হরিরামপুর গ্রামের নানাবাড়ি থেকে মাছ নিয়ে একটি সাইকেল করে বাড়ি আসছিল ওয়াহেদ। পথে রাজাপুর গ্রামের চঞ্চল মিয়ার ইটভাটার কাছে এলে মাটি বহনকারী ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ট্রলি ফেলে পালিয়ে যায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক ট্রলিটি জব্দ করে। ট্রাক্টর চালককে আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান  ওসি। জেবি/এসএস
মেহেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয়েছেন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া। শনিবার দিনগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার চৌধুরীবাড়ী কলাবাগ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার দায়ে অভিযুক্ত প্রেমিক ইকবালকে পুলিশ আটক করেছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নিহত তানিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন। নিহতের পরিবার আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৫ সালে পুরানবন্দর এলাকার তাজুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তারের বিয়ে হয় কলাবাগ এলাকার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী নূর হোসেনের। তাদের দুইটি মেয়ে সন্তানও রয়েছে। দেড় বছর আগে নূর হোসেনের বাড়ির নির্মাণ কাজের সময় তানিয়ার সঙ্গে টাইলস মিস্ত্রী ইকবাল মিয়ার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক হয়। ইকবাল মিয়ার স্ত্রী জর্ডান প্রবাসী। দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে তিনি একই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ইকবাল মিয়া তানিয়াকে জিম্মি করে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা আদায় করে। বাড়ির অন্যান্য সদস্যরাও বিষয়টি জানতো। শনিবার রাতে ইকবাল মোবাইল ফোনে তানিয়ার কাছে টাকা চায়। তানিয়া টাকা নেই বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবাল রাত দুইটার দিকে তানিয়ার বাসায় ঢুকে তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।   এসময় তানিয়ার গোঙানির শব্দে তার মেয়ে নুসরাত জেগে উঠে ইকবালকে পালিয়ে যেতে দেখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তানিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এদিকে রাতেই পুলিশ ঘাতক ইকবাল মিয়াকে তানিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ আটক করে। বন্দর থানার ওসি মো. আবুল কালাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, আটককৃত ইকবালের কাছ থেকে তানিয়ার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ইকবালের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। জেবি/এসএস
পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন
নিখোঁজের ৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার
পদ্মা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার চারদিন পর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা থেকে এক পরিবহন সুপারভাইজারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল সাড়ে দশটার দিকে পাঁচ নম্বর ঘাট পন্টুনের পাশের একটি চর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম মকবুল হোসেন (৩৭)। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার লালপুর এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে এবং সোহাগ পরিবহনের সুপারভাইজার। গেলো বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের চার নম্বর ঘাট পন্টুন এলাকায় একটি ট্রাকের ধাক্কায় সোহাগ পরিবহন থেকে পদ্মানদীতে পড়ে যান মকবুল। শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গেলো বুধবার দুপুরে পদ্মানদীতে পড়ে যান মকবুল। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। চারদিন নিখোঁজ থাকার পর রোববার সকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের পাঁচ নম্বর ঘাট পন্টুন এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জেবি/এসএস
নিখোঁজের ৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
রংপুরের পীরগাছায় যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার দিনগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সাগরী খাতুন। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের হরিদেবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাহাঙ্গীর আলম আরটিভি অনলাইনকে জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের হরিদেবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে সাগরী খাতুনের সঙ্গে পীরগাছা উপজেলার কান্দি কাবিলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে দেড় লাখ টাকা যৌতুক দেন আমিনুল ইসলাম। তিনি আরো জানান, সম্প্রতি ব্যবসা করার বাহানা করে স্ত্রী সাগরী ও শ্বশুরকে আরো এক লাখ টাকা যৌতুক দেয়ার জন্য চাপ দেয় রফিকুল। টাকা দিতে অস্বীকার করলে শনিবার রাতের কোনো এক সময় স্বামী রফিকুল ও তার পরিবারের লোকজন সাগরীকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালায়।  রোববার সকালে নিহতের বাবা এ ঘটনায় পীরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। জেবি/এসএস
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
সাভারে সুতার কারখানায় আগুন
সাভারে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের জয়নাড়ি বেপারীপাড়া এলাকায় আটি সুইং থ্রেড নামে একটি সুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।  রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে কারখানার পাঁচ শ্রমিক আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। জানা যায়, দুপুর একটার দিকে ওই কারখানার গোডাউনে আগুন লাগে। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন কারখানার অন্যত্রে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সাভার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার লিটন আহমেদ জানান, কীভাবে কারখানায় আগুন লেগেছে তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এসএস 
সাভারে সুতার কারখানায় আগুন
আরও পড়ুন
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে: জাপা প্রার্থী
রংপুরের নির্বাচনী মাঠে এরশাদের প্রভাব কতটা?
জেরুজালেমকে রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণকে জেগে উঠতে হবে: এরশাদ
হিন্দুদের বাড়ি-ঘরে হামলাকারীদের শাস্তি দিতে হবে: এরশাদ