ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

রংপুরের নির্বাচনী মাঠে এরশাদের প্রভাব কতটা?

সিয়াম সারোয়ার জামিল, রংপুর থেকে

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ১০:৩০ পিএম

আগামী বৃহস্পতিবার রংপুর সিটি করপোরেশন(রসিক) নির্বাচন। তার আগেই হচ্ছে ভোটের চুলচেরা বিশ্লেষণ। এ নির্বাচনে অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। লাঙল প্রতীকে এরশাদের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। পাচ্ছেন সাড়াও।

ভোট দিতে সোমবার রংপুর পৌঁছেছেন এরশাদ। তবে নির্বাচনী বিধানকে সামনে রেখে এরশাদের রংপুর সফরকে কেন্দ্র করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু সরাসরি কিছু না বললেও প্রভাব বিস্তারের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

যদিও এরশাদ সোমবার রংপুরে এসেই সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে নয়, বৃহস্পতিবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতেই রংপুর এসেছেন তিনি। কিন্তু অন্য প্রার্থীরা আশ্বস্ত হতে পারেননি। প্রশ্ন উঠেছে, রংপুরে এরশাদের অবস্থান নির্বাচনী মাঠে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলছে? রংপুরে তার প্রভাবই বা কতটা?

নগরবাসীরা বলছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকেলও গোটা রংপুরেই জাতীয় পার্টির একচ্ছত্র আধিপত্য। বিশেষ করে দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ রংপুরের সন্তান হওয়ায় এলাকায় জাতীয় পার্টির আলাদা প্রভাব রয়েছে। রংপুরে তার অবস্থান মানেই তার বাসভবন ঘিরে নেতা-কর্মীদের ভিড় লেগেই থাকবে।

মঙ্গলবার তার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করা হলে অন্য একজন ফোন ধরেন। তিনি জানান, ‘স্যার, বৈঠক করেছেন। অনেকে এসেছেন। কথা বলছেন।’

এটি কোনো রাজনৈতিক মিটিং কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘শাপলার মোড়ের পর একটি হাইস্কুলে তিনি বৃহস্পতিবার ভোট দেবেন, সেজন্যেই এসেছেন।’

তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান ফিজার স্পষ্টই বললেন, 'উনি কোনো নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন না। কেউ বাসায় থাকলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়না।’ তবে এরশাদ রংপুরে আসায় নেতাকর্মীদের মনোবল অনেকটাই বেড়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।

এ নিয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের(সুজন) রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি ফখরুল আনাম বলেন, জাপার রাজনীতির জন্য রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তারা এ নির্বাচনে জয় পেতে চাইবে।

তিনি বলেন, এরশাদ শুধু ভোট প্রদানের কথা বললেও তার অবস্থান ভোটে প্রভাব ফেলবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই তার রংপুর ত্যাগ করা উচিত।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, উনি এখানকার ভোটার। তার নিজ বাসায় তিনি এলে আমি কি করতে পারি? তার বাসায় তার আত্মীয় স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী আসতেই পারে, সেখানে আমি বাধা দেব কি করে?

এসজে/কে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকা সিটি নির্বাচনে আগাম প্রচারণা সামগ্রী সরানোর নির্দেশ
ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচারের ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির যুগ্ম-সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং ঢাকার দুই সিটির ৩৬ ওয়ার্ডের সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগামী ৬ জানুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে এসব সামগ্রী সরাতে নির্দেশ দেয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকার দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন উত্তর সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের যেকোনো দিন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। তফসিল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন, বিলবোর্ড, গেট, তোরণ বা ঘের, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা ইত্যাদি প্রচার সামগ্রী ও নির্বাচনী ক্যাম্প থাকলে সেগুলো অপসারণ করা প্রয়োজন।  এছাড়া এগুলো না সরালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো প্রার্থীর পোস্টার-ব্যানার কোথাও দেখা গেলে সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারে। এমসি/এসএস
ঢাকা সিটি নির্বাচনে আগাম প্রচারণা সামগ্রী সরানোর নির্দেশ
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
'আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উপ-নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছি তা নেত্রীকে অবহিত করতে গিয়েছিলাম। নেত্রী আমাকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন।'  বললেন উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম।  শনিবার দুপুর ২টার দিকে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে যান। প্রায় ১ ঘণ্টা পর ৩টার দিকে তিনি গণভবন থেকে বের হয়ে আসেন। মনোনয়ন বিষয়ে জানতে চাইলে আতিকুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নের বিষয়ে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডিএনসিসির উপ-নির্বাচনে আতিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীতে অবস্থিত নিজ বাণিজ্যিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই আমি কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন এলাকায়, জায়গায়, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যাচ্ছি। এছাড়া মাঠে-ময়দানে, মসজিদ, মন্দিরে যাওয়া শুরু করেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার মনোনয়ন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এ সমন্ধে আমি কোনো কমেন্টস করতে চাই না। আমি সবুজ সংকেত পেয়েছি বলেই মাঠে নেমেছি। সর্বোচ্চ মহল থেকেই সবুজ সংকেত পেয়েছি। আমার মনে হয়, দ্রুতই অচিরেই সেই সংকেত পাবেন। এসজে
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
\'আপনারাও দ্রুত সংকেত পাবেন\'
সর্বোচ্চ মহল থেকে সবুজ সংকেত পেয়েই আমি নির্বাচনী মাঠে নেমেছি। আপনারাও দ্রুতই সেই সংকেত পাবেন। বললেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রার্থী ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীতে অবস্থিত আতিকুল ইসলামের বাণিজ্যিক কার্যালয়ের সামনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।  আতিকুল ইসলাম বলেন, সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই আমি কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন এলাকায়, জায়গায়, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যাচ্ছি। এছাড়া মাঠে-ময়দানে, মসজিদ, মন্দিরে যাওয়া শুরু করেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার মনোনয়ন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এ সমন্ধে আমি কোনো কমেন্টস করতে চাই না। আমি সবুজ সংকেত পেয়েছি বলেই মাঠে নেমেছি। সর্বোচ্চ মহল থেকেই সবুজ সংকেত পেয়েছি। আমার মনে হয়, দ্রুতই অচিরেই সেই সংকেত পাবেন।’ তিনি বলেন, মনোনয়ন বোর্ড আছে। সেই বোর্ড থেকে ইলেকশন শিডিউল অনুযায়ী, রুটিন অনুযায়ী তারা বলবেন বলে আমি আশা করি এবং আমার বিশ্বাস আমি যদি মনোনয়ন পায়, তাহলে ঢাকাবাসীর যে স্বপ্ন আছে এবং আনিসুল হকের যে স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবায়ন করব। তিনি বলেন, আনিসুল হকের ওপর প্রধানমন্ত্রীর খুব আস্থা ছিল। সেটা আনিসুল হক প্রমাণ করতে পেরেছেন। কথায় না, কাজে বিশ্বাসী। আমি দেখাতে চায় যদি ইচ্ছা থাকে, তাহলে অনেক কিছুই করা যায়। দল থেকে যদি মনোনয়ন পায়, তাহলে আমাকে জিতে আসতে হবে এবং তার পরেই মেয়র হিসেবে কাজ করতে পারব ইনশাআল্লাহ। আতিকুল বলেন, আনিস ভাই বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেগুলো অ্যাডভেঞ্চার পদক্ষেপ। যেমন ৪ হাজার বাস নামাতে হবে এবং তার সঙ্গে আরও দুই হাজার বাস নামানো। রাস্তার ট্রাফিক জ্যাম উত্তরণ। আমাদের শহর আঁচলের মতো, এটাকে আমাদের সচল করতে হবে। ‘জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। বাচ্চারা টুইটার, ফেসবুক ব্যবহার না করে মাঠে এসে যেন সবাই নিরাপদে খেলতে পারে, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা যদি সবাই মিলে কাজ করতে পারি তাহলে কামিয়াব হবো’ বলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি। এসজে
\'আপনারাও দ্রুত সংকেত পাবেন\'
তাবিথ ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত, ও ভালো পারবে: মিন্টু
তাবিথ আওয়াল ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত। দল চায় তরুণরা রাজনীতিতে আসুক। চেয়ারপারসন দলের স্থায়ী কমিটিকে প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছেন। আবার তিনি গতবারের প্রার্থী বদলেরও কোনো ইঙ্গিত দেননি। তাবিথ গতবার নির্বাচন করেছে। এবারও হয়তো সেই পাবে। ও ভালো কাজ করতে পারবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাবিথ আওয়ালের মেয়র প্রার্থী হওয়া নিয়ে এমনটাই বললেন তাবিথের বাবা ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। বুধবার পুরানো ঢাকার বকসিবাজারে বিশেষ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।  আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তে গতবার নির্বাচন বর্জন করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন বর্জন না করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করা উচিত ছিল তার। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল বড় ব্যবধানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। গেলো ৩০ নভেম্বর ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়। শিগগির শূন্য পদে তফশীল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মেয়র শূন্য ঘোষণা করার পর নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সেক্ষেত্রে গতবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া তাবিথ আউয়ালের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া অনেকটা নিশ্চিত বলে দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এসজে
তাবিথ ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত, ও ভালো পারবে: মিন্টু
সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউপিতে ভোট আগামীকাল
দেশের সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ ও উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এছাড়া একটি উপজেলাতেও সাধারণ নির্বাচন হবে। এদিন সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত। ১৩২টির মধ্যে চারটি পৌরসভায় সাধারণ, তিন পৌরসভায় উপনির্বাচন, ৩৪ ইউপিতে সাধারণ, ৯১ ইউপিতে উপনির্বাচন হবে। এছাড়া একটি উপজেলায় সাধারণ নির্বাচন হবে। জামালপুরের বকশীগঞ্জ, নাটোরের বনপাড়া, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও যশোরের বেনাপোল এই চারটি পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন হবে। ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। ২৮ ও ২৯ নভেম্বর বাছাই ও ৭ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়। এর আগে এসব এলাকায় ভোটের তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার পর ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে অর্ধশত নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া মামলাসহ অন্যান্য আইনি জটিলতার কারণেও কিছু নির্বাচন হয়নি। সে নির্বাচনগুলোই এখন সম্পন্ন করা হচ্ছে। পি
সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউপিতে ভোট আগামীকাল
আরও পড়ুন
রংপুরে এরশাদের লাঙল এত জনপ্রিয় কেন?
রসিক নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করলেন বিএনপি প্রার্থী
লাঙল ১৩২৩২৪, নৌকা ৫১৪০২, ধানের শীষ ৩০০০০
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে: জাপা প্রার্থী