
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার জট খুলছে। পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মধ্যরাতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নিজ এলাকায় একটি বাড়ি থেকে পলাতক রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে নিহতের ছোট ভাই বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় স্ত্রী রানু বেগম ফোন করে জিয়াউরের ভাইকে জানান মহদী গ্রামের আন্দোয়া খালের মধ্যে একটি বস্তাবন্দি মরদেহ পাওয়া গেছে। রানু আরও জানান, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে জিয়াউর রহমান নিখোঁজ ছিলেন। পরে বস্তাবন্দি মরদেহ জিয়াউরের রহমানের বলে শনাক্ত হয়। জিয়াউর রহমানের ছোট ভাই বাদী হয়ে ছাতক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে র্যাবের তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
র্যাব বলছে, জিয়াউর রহমানের সৎভাই বাবুল মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এর জের ধরে স্ত্রী ও সৎভাই মিলে তাকে খুন করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে খালে ফেলে রেখে নাটক সাজান তারা। তবে শুক্রবার ভোরে ছাতক উপজেলার সিংচাপইর ইউনিয়নের গহরপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত গৃহবধূ রানু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরটিভি/এমএ




