
সাতক্ষীরার তালায় বিষ মিশ্রিত সরিষার বীজ ছড়িয়ে শতাধিক কবুতর ও ঘুঘু পাখির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পাখিদের ফসল রক্ষার জন্য বিষ প্রয়োগের অভিযোগে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ ও আইনগত ব্যবস্থা কামনা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯ ডিসেম্বর হরিশ্চন্দ্রকাঠি এলাকায় তালা মহিলা কলেজের প্রদর্শক আবদুল বারী সরিষা বপনের সময় পাখি থেকে ফসল রক্ষার জন্য বিষ মিশ্রিত বীজ ব্যবহার করেন। পরদিন থেকেই কবুতর ও ঘুঘু পাখির অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এলাকায় ১০০টির বেশি কবুতর এবং একটি ঘুঘু পাখির মরদেহ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এই বিষ প্রয়োগের ফলে তাদের পাখি ও শখের প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রহিমাবাদ গ্রামের আজিজ সরদার বলেন, একদিনেই আমার ২৪টি কবুতর মারা গেছে। আমরা এর বিচার চাই।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন খুলনা বন বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন অফিসার তন্ময় আচার্য্য। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীর মৃত্যু দণ্ডনীয় অপরাধ। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযোগ অস্বীকার করে তালা মহিলা কলেজের প্রদর্শক আবদুল বারী বলেন, আমার জমিতে কোনো বিষ প্রয়োগ হয়নি। এসব মিথ্যা অভিযোগ।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, কোনো অভিযোগ পেলে মামলা হবে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরটিভি/এসকে




