ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মরদেহ গোসল করানোর সময় যা দেখে ‘হতবাক’ পরিবার

নাটোর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
মরদেহ গোসল করানোর সময় যা দেখে ‘হতবাক’ পরিবার

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া এলাকায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় নিহত চারজনের একজন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার সালাইনগর গ্রামের সেন্টু (৪৫)। তবে মরদেহ দাফনের আগে এক অস্বাভাবিক ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছে নিহতের পরিবার।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে দুর্ঘটনার পর পুঠিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ পরিচয় শনাক্ত করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর গোসলের প্রস্তুতিকালে দেখা যায়, মরদেহের সঙ্গে একটি কাটা বাড়তি পা রয়েছে।

স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ঝন্তু আলী জানান, মরদেহ গোসলের জন্য প্রস্তুত করতে গিয়ে প্যাকেট খুলতেই বিষয়টি তার নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে অবহিত করা হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই কামরুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত একটি পা থাকার খবর পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, একই দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং তার পরিবার পায়ের সন্ধান করছে। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই আহত ব্যক্তির একটি পা ভুলবশত সেন্টুর মরদেহের সঙ্গে চলে এসেছে।

পুলিশ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পরিবারের কাছে জানালে তারা অতিরিক্ত পা নিতে রওনা হন বলে জানান কামরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন

এদিকে দুর্ঘটনায় আহত ওই ব্যক্তির নাম রায়হান হোসেন। তার ভাতিজা অনিক জানান, দুর্ঘটনায় রায়হানের দুই পা ও এক হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পায়ের সন্ধানে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, একটি পা বাগাতিপাড়ায় নিহত সেন্টুর বাড়িতে রয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে ঝলমলিয়া এলাকায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। স্থানীয়দের ধারণা, দুর্ঘটনার পর তাড়াহুড়ো করে মরদেহ উদ্ধার ও হস্তান্তরের কারণেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আরটিভি/এস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবায় অংশ নিতে প্রস্তুত রুয়েট
মাদরাসায় মামাকে দিয়ে প্রক্সি ক্লাস করান জীবন, নেন অর্ধেক বেতন
চার সন্তানের কেউই ছিল না কাছে, দরজা ভাঙতেই সামনে এলো ‘অপ্রত্যাশিত দৃশ্য’
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: চিহ্নিত হলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ