ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) এক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মুবিনুল ইসলাম নয়ন (২৮)। তিনি সিএমপিতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

নিহত মুবিনুল ইসলাম নয়নের বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার কালা মিয়া সওদাগরের বাড়ি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়ি পুকুর গ্রামে। তিনি নুরুল আমিনের ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ ব্যারাক থেকে কোতোয়ালী থানায় ডিউটির উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে রওনা হন নয়ন। পথে কদমতলী আর্টমাচ মোড়ে পৌঁছালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত একটি ময়লার ড্রাম ট্রাক পেছন দিক থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন।

আরও পড়ুন

আহত অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ‘ব্রট ইন ডেড (আরটিএ)’ ঘোষণা করেন।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশেক।

এদিকে দুর্ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট গাড়িটি জব্দ করেছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মালয়েশিয়ায় বজ্রপাতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
হিরনের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার বিকেলে বাগানে কাজ করার সময় হিরনের ওপর বজ্রপাত হয়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বিষয়টি জানান। বর্তমানে হিরনের মরদেহ দেশে আনার জন্য সহকর্মীরা চেষ্টা করছেন।
মালয়েশিয়ায় বজ্রপাতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত নৌবাহিনীর সদস্যের সামরিক মর্যাদায় শেষকৃত্য
দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য ট্রোম্যান খীসার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত নৌবাহিনীর সদস্যের সামরিক মর্যাদায় শেষকৃত্য
‘আমার বাবা ভালো বাবা’
‘আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ বলতে বলতে কেঁদে ফেলছে বরিশালের উজিরপুরের বামরাইলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুবা বিনতে অরণি। 
‘আমার বাবা ভালো বাবা’
অপ্রতিম হত্যা: তিনজনের জবানবন্দিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর বিবরণ
কুমিল্লার ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন কিশোরের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। 
অপ্রতিম হত্যা: তিনজনের জবানবন্দিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর বিবরণ
অন্য দেশে চলে যেতে চেয়েছিল বিটিএস–ভক্ত তিন কিশোরী, যেভাবে উদ্ধার
দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ‘বিটিএস’-এর প্রতি অন্ধ আকর্ষণ এবং টিকটকের নেশায় ঘর ছেড়েছিল পাবনার তিন কিশোরী। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অন্য দেশে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর বুদ্ধিমত্তায় কুড়িগ্রাম থেকে তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পাবনা সদর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর সোমবার দুপুরে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধার হওয়া তিন কিশোরীর মধ্যে একজন অষ্টম শ্রেণিতে এবং অপর দুজন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। তারা তিনজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং টিকটকে আসক্ত।  পুলিশ জানায়, টিকটক দেখতে দেখতেই তাদের অন্য দেশে চলে যাওয়ার অবাস্তব ইচ্ছা জাগে। সম্প্রতি তাদের একজনের সঙ্গে পরিবারের মনোমালিন্য হলে তিন বন্ধু মিলে দেশ ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, রোববার সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে তারা বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর বাসযোগে নাটোর ও রংপুর হয়ে কুড়িগ্রামে গিয়ে পৌঁছায়। তাদের লক্ষ্য ছিল সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করা। কুড়িগ্রামে পৌঁছানোর পর পথ হারিয়ে ফেলে কিশোরীরা। সন্ধ্যার দিকে কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে পৌঁছে তারা রাত কাটানোর জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা একটি অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়ে। সেখানে তাদের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী। বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে ওই নারী তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যান এবং তার স্বামী কুড়িগ্রাম সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাজউদ্দিন আহম্মেদকে বিষয়টি অবহিত করেন। এসআই তাজউদ্দিন দ্রুত বাড়িতে এসে কৌশলে কিশোরীদের কাছ থেকে তাদের প্রকৃত ঠিকানা জেনে নেন। এরপর তিনি পাবনা সদর থানা ও নিখোঁজ কিশোরীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে পাবনা সদর থানা–পুলিশের একটি দল কুড়িগ্রামে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে আনে। কিশোরীরা বাড়ি না ফেরায় শুরুতেই পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় পাবনা সদর থানায় তিনটি পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে কুড়িগ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় তাদের সন্ধান লাভ করে। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, কুড়িগ্রাম পুলিশের সহায়তায় তিন কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোরীর বাবা–মা তীব্র বিব্রত প্রকাশ করেন। তার বাবা বলেন, ‘ওরা তো ছোট মানুষ, ভুল করেছে। বাচ্চাদের সুস্থভাবে ফিরে পেয়েছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শুকরিয়া।’ আরটিভি/এসএস
অন্য দেশে চলে যেতে চেয়েছিল বিটিএস–ভক্ত তিন কিশোরী, যেভাবে উদ্ধার
আরও পড়ুন
কেনটাকিতে সড়কে দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা
লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৩ জন নিহত
তেলের দাম বৃদ্ধিতে হিলিতে বেড়েছে ট্রাক ভাড়া, বিপাকে ব্যবসায়ীরা
‘রাফি নেই, তবে স্মৃতি অমলিন’, সড়কে নিহত যুবকের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ