ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদকের টাকা না দেওয়ায় আপন খালাকে কুপিয়ে হত্যা

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
মাদকের টাকা না দেওয়ায় আপন খালাকে কুপিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদরা সরদার পাড়ায় মাদকের টাকা না দেওয়ায় আপন খালাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক কেনার টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন তিনি। ঘটনার রাতে আল আমিন তার আপন খালা মঞ্জুয়ারা খাতুন, মা জয়গুন ও বড় ভাই আমজাদ হোসেনের কাছে টাকা দাবি করেন। তারা টাকা দিতে অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয়ে আল আমিন তাদের মারধর করেন এবং কোদাল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।

চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে মঞ্জুয়ারা খাতুনের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে আত্মীয়স্বজনরা তাকে খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন পর তিনি মারা যান।

নিহত মঞ্জুয়ারা খাতুন কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদরা সরদার পাড়ার মৃত আব্দুল লতিফের কন্যা।

আরও পড়ুন

এ ঘটনায় আহত আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিনই এলাকাবাসী অভিযুক্ত আল আমিনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ফেরি করে মাদক বিক্রি, ক্রেতার বদলে মিলল ‘যমের দেখা’
তিন লাখ টাকাসহ ৩ মাদক কারবারি ধরা
সৌদিতে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫ বাংলাদেশি
থানা থেকে পালিয়েছেন মাদকের আসরে ধরা পড়া সেই পুলিশ কর্মকর্তা