ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে নিজের প্রথম নির্বাচনি জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  ছবি: সংগৃহীত

অন্য যেকোনও দেশের আগে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে নিজের প্রথম নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অঙ্গীকার করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর এই দেশকে অন্য দেশের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল। এজন্য বলেছি, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের নামে অর্থ লুট করে নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থার উন্নয়ন করতে চাই।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিগত দিনে মানুষের রাজনৈতিক ও ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক, বাক স্বাধীনতার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গত ১৬ বছর অনেককে হারিয়েছি। গত ১৬ বছর ব্যালট ছিনতাই হয়েছে, আমি-ডামি, নিশিরাতের নির্বাচন হয়েছে, আমরা দেখেছি।

তারেক রহমান বলেন, যারা পালিয়ে গিয়েছে, যারা বাক-স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলীর মতো শত হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। গুম-খুনের মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয়েছে।

লাখ লাখ মানুষের এই জমায়েতের জন্য হাজারো মানুষ ২০২৪ সালে জীবন দিয়েছে উল্লেখ করে এরপর তিনি বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে ২০২৪ সালের গণতন্ত্রকামীরা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।

তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও সক্রিয়। দেশে-বিদেশে বসে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের থেকে সচেতন থাকতে হবে। দেশের মানুষ আগেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। আগামীতেও জনগণ সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে এরপর তিনি বলেন, টেক ব্যাক বাংলাদেশের অর্ধেক পূরণ করেছি, স্বৈরাচার মুক্ত করেছি। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হবে ধানের শীষকে বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হলে নবিজির ন্যায়ের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করা হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিল বিএনপি। এবার ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চাই আমরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে জনসভার মঞ্চে পা রাখেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এসময় স্লোগানে-স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে জনসভার মাঠ।

মঞ্চে ওঠার সময় হাত তুলে সবাইকে অভিভাবদন জানান তারেক রহমান। এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মীও তাকে হাত তুলে স্বাগত জানান।

এর আগে, বেলা পৌনে ১১টার দিকে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভার কার্যক্রম।

এই জনসভাকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরী ও আশপাশের এলাকায় কয়েক দিন ধরেই বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বুধবার রাত থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় সভাস্থল।

তারেক রহমানের সফর ও জনসভাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সিলেট নগরীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকায়।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিশুকে যৌন নিপীড়ন, ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড
মক্তবে ১০ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের দায়ে মসজিদের ইমাম মাওলানা আরিফুল ইসলামকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
শিশুকে যৌন নিপীড়ন, ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড
৯৬-এর মতো আ.লীগ-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন
৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী দেশের বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য বলেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে যারা জনগণের ওপর গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মতো নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের রাজনৈতিক শক্তিগুলো এখন এক জায়গায় আসছে। ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক সমীকরণের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে তিনি বলেন, ৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী দেশের বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে।  রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন, তখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তার দাবি, ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনা এই ষড়যন্ত্রের সূচনা করেছেন এবং বাংলাদেশে বসে এই চক্রান্তের সাথে যুক্ত হয়েছে সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াত ইসলাম। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন, তিনি যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে তার পাশে থেকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, একাত্তর ও চব্বিশের অপশক্তি এক হয়েছে। একাত্তরের রাজাকার ও চব্বিশের রাজাকারদের রুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির বিকল্প নেই।  তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিএনপি, যুবদলসহ বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান রাশেদ খাঁন। এর আগে বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। পরে সেখান থেকে বের হওয়া র‍্যালির নেতৃত্ব দেন রাশেদ খাঁন। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
৯৬-এর মতো আ.লীগ-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন
পলাতকদের দেশে এসে মামলার বিচার ও সাজা মোকাবিলা করা উচিত: সড়কমন্ত্রী
পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিচার আইনের মাধ্যমেই হচ্ছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ইছামতী নদীর ওপর নির্মাণাধীন কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, যাঁরা পালিয়ে গিয়েছেন, পলাতক আসামি, ওয়ান্টেড আসামি—তারা দেশে আসুন, সেটা তো আইন চায়। তাদের যে সাজা আছে, সেই সাজা মোকাবিলার জন্যও আমরা চাই, তারা দেশে এসে আদালতের মুখোমুখি হোন। তিনি আরও বলেন, ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকারের নানা অপকর্ম, দুর্নীতি, গণহত্যা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অনেক মামলার রায় হয়েছে, কিছু মামলার বিচার এখনো চলমান। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থাকা রায় কার্যকর করবে সরকার ও বিচার বিভাগ। এর আগে ৬৮ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ইছামতী নদীর ওপর কুন্ডেরবাজার সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মন্ত্রী। মুন্সীগঞ্জ (হাতিমারা)-কুন্ডেরবাজার-শ্রীনগর (ছনবাড়ি) জেলা মহাসড়কের ষষ্ঠ কিলোমিটারে নির্মিতব্য সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫১ দশমিক ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ৩০ মিটার। প্রকল্পের প্রস্তাবিত মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। সেতুটি নির্মিত হলে টঙ্গিবাড়ী, সিরাজদিখানসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলোসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে যোগ দেন মন্ত্রী। এতে সভাপতিত্ব করেন টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিক। আরটিভি/টিআর
পলাতকদের দেশে এসে মামলার বিচার ও সাজা মোকাবিলা করা উচিত: সড়কমন্ত্রী
চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে
শেরপুর সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কুসুমহাটি কাজিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. জিন্নাত আলী (৬৫) শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি কাজিরচর গ্রামের মৃত টন মাহমুদের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার কুসুমহাটি কাজিরচর এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচা ও ভাতিজাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় নিহতের ভাতিজা জসিম, মাজহার ও নজরুলসহ ৫-৬ জন মিলে মো. জিন্নাত আলীকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মারেন এবং ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর ও মুমূর্ষু অবস্থায় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শেরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/টিআর
চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে
সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের শিকার ১০ জেলে
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মুক্তিপণের দাবিতে ১০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। অপহৃত জেলেদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, সুন্দরবনের আমির আলী ও আলম সানার নেতৃত্বাধীন দুটি জলদস্যু বাহিনী জেলেদের অপহরণ করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে  রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত সুন্দরবনের নোটাবেঁকী, আগুনজ্বালা, জলঢাকা, চালতেবেড়ে ও রায়মঙ্গল নদী এলাকা থেকে এসব জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃত জেলেরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের রুবেল, ইমরান ও খোরশেদ, ছোটভেটখালী গ্রামের নুরুজ্জামান, কালিঞ্চি গ্রামের সিদ্দিক গাজী ও জহুর আলী, সিংহড়তলী গ্রামের সুরাত আলী এবং কয়রা উপজেলার মোমিন মোড়ল, দিদারুল ও ইমরান। অপহৃত জেলেদের স্বজন ও অপহরণকারীদের কবল থেকে ফিরে আসা কয়েকজন জেলে জানান, প্রতিটি নৌকায় তিনজন করে জেলে ছিলেন। সেখান থেকে একজন করে জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃত জেলেদের মুক্তির জন্য ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক শাহিনুর ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েকজন জেলেকে অপহরণের বিষয়টি তিনি বন থেকে ফিরে আসা জেলেদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। বন বিভাগের টহল দল সুন্দরবনের ভেতরে অভিযান চালাচ্ছে। তবে বিশাল বনাঞ্চলে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা বন বিভাগের একার পক্ষে কঠিন। আরটিভি/টিআর
সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের শিকার ১০ জেলে
আরও পড়ুন
রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে দেখাবেন, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের মুকুট জিতলেন অভিনেত্রী মাহি
দিল্লি না, পিন্ডি না, সবার আগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী