ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোলায় মৎস্য কর্মকর্তার গোপন লুট!

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
চরফ্যাশন উপজেলার ফিসারিজ মৎস্যঘাট থেকে তোলা। ছবি: আরটিভি

মাত্র ১৯টি মাছধরা নৌযানের নিলাম দেখিয়েছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু। কাগজে-কলমে ১৯টি নৌযানের তথ্য লিপিবদ্ধ থাকলেও সরেজমিন অনুসন্ধানে ৬২টি নৌযান নিলামে বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তিনি ৪৩টি নৌযান নিলামে বিক্রির তথ্য গোপন করে মোটা অঙ্কের টাকা গায়েব করেছেন।

গত তিন মাসের অনুসন্ধানে ২২ দিনের ‘মা’ ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের গোপন দুর্নীতির এসব তথ্যের খোঁজ মিলেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে অভিযানে জন্য দুলারহাট থানার বাংলাবাজার এলাকার সবুজ মাঝির ট্রলার ব্যবহার করে ৩০টি ও পাঁচ কপাট মৎস্যঘাটের আ. রহমান মাঝির ট্রলার ব্যবহার করে ২১টি নৌযান আটক করে নিলামে বিক্রি করেছেন। এছাড়াও নিলাম ফরমে ১১টি নৌযানের তথ্য উল্লেখ থাকলেও ৮টি নিলাম ফরমে ওই কর্মকর্তার স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি।

তেতুলিয়া নদী সংলগ্ন বাংলাবাজার এলাকার সবুজ মাঝি ও পাঁচ কপাট মৎস্যঘাটের আ. রহমান মাঝির সঙ্গে কথোপকথনে আরও বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে।

সবুজ মাঝির ভাষায়, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আমার হাতে ব্যাপক নৌকা ছিল। বাংলাবাজার মৎস্যঘাটে ৩০টার মতো নৌকা প্রকাশ্যে নিলাম দিয়েছে চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য অফিস। আকারভেদে একেকটা নৌকা ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে যার যার নৌকা সে সে নিয়েছে।

মেঘনা নদীতে আটক করা নৌযানগুলোর নিলামের পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়ে পাঁচ কপাট মৎস্যঘাটের মাঝি আ. রহমান বলেন, মেঘনা নদীতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলমান সময়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু পাঁচ কপাট মৎস্যঘাটে ১৬টি ও ফিশারিজ মৎস্যঘাটে ৫টি নৌকা নিলাম দিয়েছিল। তবে নিলামে যার নৌকা সেই নিয়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিশারিজ মৎস্যঘাটের এক জেলে বলেন, আমি এই মৎস্যঘাটের একজন জেলে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আমাদের ঘাটে আটক করা ৫টি নৌকা মৎস্য কর্মকর্তার কাছ থেকে নিলাম ছাড়া নিয়ে এসেছি।

এদিকে কাগজে-কলমে ৬২টি নৌযান নিলামের বিষয় উল্লেখ না থাকলেও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরিত উপজেলাভিত্তিক একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনে চরফ্যাশন উপজেলায় ১৪টি ট্রলার ও ৫টি নৌকা উল্লেখ রয়েছে এবং যার নিলামকৃত মূল্য দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ টাকা।

সবুজ মাঝি, আ. রহমান মাঝি ও নিলাম বিক্রির ফরম থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায়, ৬২টি নৌযান যদি গড়ে ১০ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি হয়, তাতে এর মূল্য আসে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। এর মধ্যে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত নৌযানের নিলাম মূল্য ১ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ টাকা বাদ দিলে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা অবশিষ্ট থাকে।

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, নদীতে অভিযান চালানো নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় নামমাত্র অভিযান আমজনতাকে দেখালেও এ দৃশ্যের পেছনে ছিল তার অবৈধ আয়। তার এই অনিয়মের আদ্যপ্রান্ত সম্পর্কেও উপজেলার পাঁচ কপাট, সামরাজ, নতুন স্লুইসগেট, বাংলাবাজার, গাছিরখাল, চৌকিদারখাল ও ফিশারিজ মৎস্যঘাটের কয়েকজন জেলে জানিয়েছেন।

চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্যমতে, এই উপজেলায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ১৩৫টি, মৎস্যঘাট ২১৯টি, আড়ত সংখ্যা ৫০৯টি। বড় মৎস্যঘাটগুলোর মধ্যে সামরাজ, নতুন স্লুইসগেট, খেজুরগাছিয়া, মাইনউদ্দি ঘাট, ঢালচর, বকসীরঘাট, ঘোষেরহাট, চরকচ্ছপিয়া ও কুকরি মুকরি অন্যতম। উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজার জেলে রয়েছে। নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৪৪ হাজার ২৮১ জন। অনিবন্ধিত জেলে রয়েছে প্রায় ৪৬ হাজার। এসব জেলেরা নদী ও সাগরে মাছ শিকার করে। এ অঞ্চলে প্রায় ১২ হাজার ট্রলার ও নৌকা রয়েছে। এছাড়াও গভীর সমুদ্রগামী ৭ হাজার ট্রলার রয়েছে।

আরও পড়ুন

উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য দেশের সব নদী ও সাগরে ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। এ লক্ষ্যে চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু।

৬২টি নৌযানের মধ্যে ৪৩টি নৌযান নিলাম গোপন রাখার বিষয়ে জানতে রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটায় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি না ধরায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য অফিস যে তথ্য দিয়েছে, আমরা সেই তথ্যই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি। তবে অনিয়মের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রডের বদলে বাঁশ, এলজিইডির ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
নোয়াখালী ও টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে অনিয়ম তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম ও কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। একই ঘটনায় নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মন্ডল ও বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর আহমেদের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।  সাত কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন এলজিইডির নোয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। তাকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করে ঢালাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এলজিইডির আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত নির্মাণসামগ্রীর পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচিত হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কার্যসহকারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে বাসাইলের ঘটনা সামনে আসার পর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীর কাছেও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। পাশাপাশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় এলজিইডি।  নতুন আদেশে কার্যসহকারীকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। নোয়াখালীর ঘটনায় দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্তের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, উন্নয়নকাজে অনিয়ম-দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। জনগণের অর্থ লুটপাট কিংবা মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলার সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, তাকে জবাবদিহি করতে হবে। পদ-পদবি বা প্রভাব দেখিয়ে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। শোকজ, সাময়িক বরখাস্ত ও বদলির মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
রডের বদলে বাঁশ, এলজিইডির ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
সাপে কাটার পর মেয়ে ও সাপ নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন বাবা
শেরপুরের নকলায় সাপে কামড়ানোর পর আতঙ্কিত মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সঙ্গে করে সেই সাপকেও নিয়ে গেছেন তার বাবা।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নকলা পৌর শহরের দড়িপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দড়িপাড়া গ্রামের আকাব্বর আলীর মেয়ে রিয়া মনি (২০) সকালে সাপে কামড়ের শিকার হন। মেয়েকে সাপে কামড়ানোর পর সময় নষ্ট না করে আকাব্বর আলী সাপটিকে ধরে একটি ব্যাগে ভরে ফেলেন। পরে মেয়েকে নিয়ে ওই সাপসহ দ্রুত নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা সাপটি পরীক্ষা করে জানান, এটি বিষধর নয়। একই সঙ্গে চিকিৎসকেরা জানান, সাপে কাটার প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মজুত রয়েছে। তবে সাপে কামড়ানোর ঘটনায় রিয়া মনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন বিবেচনায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম রয়েছে। তবে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, মেয়েটিকে যে সাপটি কামড়েছে সেটি বিষধর নয়। এ ছাড়া রোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় স্বজনেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।’ এ দিকে মেয়ের জীবন বাঁচাতে একদিকে মেয়েকে এবং অন্যদিকে কামড় দেওয়া সাপটিকে সঙ্গে নিয়ে বাবার হাসপাতালে ছুটে যাওয়ার ঘটনা এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। আরটিভি/এসআর
সাপে কাটার পর মেয়ে ও সাপ নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন বাবা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে কচুয়ায় ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে কচুয়ায় ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন
ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে দরজায় কড়া, খুলতেই বেরিয়ে এলো ‘আসল রূপ’ 
মানিকগঞ্জে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে একটি ফ্ল্যাট বাসায় ঢুকে হাজেরা বেগম (৭০) নামে এক নারীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে তার গলায় থাকা সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর সেওতা এলাকার বায়তুল আমান ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। আহত হাজেরা বেগমের মেয়ে আলেয়া বেগম বলেন, বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে বোরকা পরা এক ব্যক্তি বাসার গেটে এসে দরজায় কড়া নাড়েন। তার মা দরজা খুলে দিলে ওই ব্যক্তি তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন। পরে তার গলায় থাকা প্রায় দেড় ভরি ওজনের সোনার চেইন নিয়ে পালিয়ে যান। ব্যক্তির হাতে একটি চালের ব্যাগ ছিল। তিনি আরও বলেন, মায়ের চিৎকার শুনে পাশের বাসার লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে তিনি বাসায় ফিরে মাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, মানিকগঞ্জ শহরের পাশে উত্তর সেওতা এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে ঢুকে এক নারীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে থানার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে আহত হাজেরা বেগম মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরটিভি/এসএস
ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে দরজায় কড়া, খুলতেই বেরিয়ে এলো ‘আসল রূপ’ 
কালিগঞ্জ মাদরাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যানিকেতন দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সংবর্ধনা, আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও সবক দেওয়া হয়েছে।
কালিগঞ্জ মাদরাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
তেঁতুল গাছে অজ্ঞান হয়ে ঝুলছিলেন তরুণ, অতঃপর...
‘তোকে আমি এমন করব সারাজীবন কাঁদবি’ বলে বাবাকে হুমকি, পরে মিলল ছেলের বস্তাবন্দি মরদেহ
বন্ধের দিনে মাদরাসার টেবিল-বেঞ্চ বিক্রি করে দিলেন শিক্ষক ও লাইব্রেরিয়ান
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যা