ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে ব্যাটারি চালিত রিকশা ছিনতাই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় যাত্রীবেশে এসে ব্যাটারি চালিত রিকশা চালকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে ব্যাটারি চালিত রিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দু’দিন পেরিয়ে গেলেও আহত চালক রনির জ্ঞান ফেরেনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রনির মাথায় অস্ত্রোপচার করা হলেও তিনি এখনো অচেতন রয়েছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ফজরের নামাজ শেষে নগরীর খালিশপুর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে নিজের ব্যাটারি চালিত রিকশা নিয়ে বের হন রনি। সকালবেলায় এক দুর্বৃত্ত যাত্রী সেজে বড় মির্জাপুর হয়ে মির্জাপুর ক্রসরোড এলাকায় যাওয়ার কথা বলে তার ব্যাটারি চালিত রিকশা ওঠে। নির্জন এলাকায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ ওই যাত্রী হাতুড়ি দিয়ে রনির মাথায় পরপর একাধিক আঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে ব্যাটারি চালিত রিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্ত।

স্থানীয়রা রনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং দুপুর ২টার দিকে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বুধবার সকালে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি।

আহত রনির স্ত্রী মুক্তা জানান, রনি পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত রিকশা চালক ও মিস্ত্রি। তিনিই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। প্রায় এক মাস আগে একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে অটোরিকশাটি কিনেছিলেন তিনি। সেই গাড়ি দিয়েই সংসারের খরচ চলত। হঠাৎ এই ঘটনায় তাদের জীবন এলোমেলো হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমার স্বামী এখনো কথা বলতে পারছে না, জ্ঞানও ফেরেনি। গাড়িটাও নেই। কীভাবে চিকিৎসার খরচ চালাব, কীভাবে সংসার চলবে কিছুই বুঝতে পারছি না।

আরও পড়ুন

এদিকে ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুর্বৃত্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত ছিনতাইয়ের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আহত রনির বাড়ি খালিশপুর এলাকায় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তিনি বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মামলা করা হয়নি, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
পিরোজপুরে গরুর ব্যবসার বিরোধ গড়াল হাতুড়িপেটায়, অতঃপর...
চালককে ছুরিকাঘাত করে সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাই
চট্টগ্রামে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা
জাবি ছাত্রীকে বাসায় ডেকে নিয়ে নির্যাতন, ঘটনাস্থলে মিলেছে দড়ি ও হাতুড়ি