ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সূর্যমুখীর সোনা রঙে রঙিন খুলনার নোনা মাটি  

বাসস

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫২ এএম
খুলনার নোনা মাটিতে চাষ হচ্ছে সূর্যমুখী। ছবি: সংগৃহীত

খুলনা অঞ্চলের লবণাক্ত পতিত জমির বিস্তীর্ণ অংশ এখন সূর্যমুখী ফুলের রঙে সোনালি হয়ে উঠেছে। উপকূলীয় অঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চলে সফল চাষের পর, সূর্যমুখী চাষ জেলার ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত করেছে।

কম উৎপাদন খরচ, স্বল্প চাষের সময় এবং সরকারি প্রণোদনা কৃষকদের কৃষি জমির পরিমাণ বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। ফলে কৃষকরা নতুন সম্ভাবনার আশা দেখছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্য অনুসারে, খুলনা অঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট, নড়াইল এবং সাতক্ষীরা জেলায় চলতি মৌসুমে ১ হাজার ২১৯ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। যা গত বছরের ১ হাজার ১০৮ হেক্টর থেকে ১১১ হেক্টর বেশি। চলতি (২০২৫-২৬) মৌসুমে ১ হাজার ৩১৯ হেক্টর জমিতে ২ হাজার ৯৪৫ মেট্রিক টন সূর্যমুখী উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অঞ্চলে ৯২ শতাংশ সূর্যমুখী চাষ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলায় ৫৫০ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১৯৭ হেক্টর অর্থাৎ ৩৬ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে। বাগেরহাটে ৫৩৮ হেক্টর জমির বিপরীতে ৬০৩ হেক্টর অর্থাৎ ১১২ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে। সাতক্ষীরায় ১১৪ হেক্টর জমির বিপরীতে ২২৮ হেক্টর অর্থাৎ ২০০শতাংশ জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে এবং নড়াইলে ১১৭ হেক্টর জমির বিপরীতে ১৯১ হেক্টর অর্থাৎ ১৬৩ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

কর্মকর্তারা আশা করছেন, সূর্যমুখী ফলে খুলনা অঞ্চলে প্রায় ১১ লাখ ৮০ হাজার (প্রতি মেট্রিক টন ৪০০ লিটার) লিটার ভোজ্যতেল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। যা প্রায় ৩ কোটি মানুষের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে এবং আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে ভূমিকা রাখবে।

সরেজমিনে জেলার ডুমুরিয়ায় মডেল মসজিদ সংলগ্ন ক্ষেত পরিদর্শনে দেখা যায়, হলুদ কার্পেটের মতো বিশাল এক বিস্তৃত সূর্যমুখী ফুলের বাগান। যেখানে বাতাসে মৃদুভাবে দোল খাচ্ছে সূর্যমুখী ফুল।

কৃষক আব্দুল হক বলেন, সূর্যমুখী চাষের মূল লক্ষ্য হলো তেল উৎপাদন। আমরা প্রতি বিঘায় সাত থেকে দশ মণ বীজ পাই। প্রতি কেজি বীজ থেকে কমপক্ষে আধা লিটার তেল বের করা যায়। অর্থাৎ প্রতি বিঘায় প্রায় ১৪০ থেকে ২০০ লিটার তেল উৎপাদন করা যায়।

তিনি বলেন, বর্তমানে সূর্যমুখী তেল প্রতি লিটারে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যেখানে প্রতি বিঘায় চাষের খরচ ৩ হাজার ৫০০ টাকা। তেল ছাড়াও বীজের খোসা পুষ্টিকর গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন বলেন, লবণাক্ত জমিতে অনেক ফসল ভালো ফলন না দিলেও সূর্যমুখী তুলনামূলকভাবে ভালো ফলন দেয়। ফসলে কম সেচ এবং তেমন যত্নের প্রয়োজন হয় না। যার কারণে সূর্যমুখী চাষে আরও বেশি কৃষক আগ্রহী হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা সূর্যমুখীকে একটি প্রতিশ্রুতিশীল তৈলবীজ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নতমানের বীজ এবং সার সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি ডুমুরিয়ার কৃষকদের সূর্যমুখী চাষ আরও সম্প্রসারণের জন্য সরকারি ক্রয় এবং শক্তিশালী বাজার ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, দেশের ভোজ্যতেলের একটি বিরাট অংশ আমদানি-নির্ভর। এ অবস্থায় সূর্যমুখীর উৎপাদন বৃদ্ধি আমদানি চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

খুলনা অঞ্চলের ডিএই-এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এই মৌসুমে ১০ হাজার ৬৫০ জন কৃষককে প্রণোদনা সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। চাষাবাদকে উৎসাহিত করার জন্য ২ লাখ ১৩ হাজার কেজি সার এবং ১০ হাজার ৬৫০ কেজি বীজ বিতরণ করা হয়েছে। জনপ্রতি কৃষকরা ২ বিঘা জমির জন্য ১০ কেজি ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার, ১০ কেজি মিউরেট অফ পটাশ (এমওপি) এবং ১ কেজি বীজ পেয়েছেন। এছাড়াও এই অঞ্চলের চার জেলায় কৃষক এবং ডিএই-এর সহযোগিতায় চাষাবাদ করা প্যাটনের প্রকল্পের আওতায় মোট ২৪০ জন কৃষক ৮০ একর জমিতে ৪০টি সূর্যমুখী ক্ষেত প্রদর্শন করছেন। ২৪০ জন কৃষক সরকারের কাছ থেকে বারি-৩ সূর্যমুখী বীজ, ডিএপি এবং এমওপি সার এবং কীটনাশক পেয়েছেন। এখন খুলনা অঞ্চলের চারটি জেলার ক্ষেত কৃষ্ণচুড়ার সোনালি আভায় হলুদ রঙে জ্বলজ্বল করছে।

তিনি বলেন, সূর্যমুখী কেবল একটি ফুল নয় বরং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতিরও প্রতীক হয়ে উঠেছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার দিয়ে ঢালায়ের অভিযোগ উঠেছে।
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
আরও পড়ুন
মেয়াদ ফুরালেও শেষ হলো না সেতুর কাজ
দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই ‘চোখ কপালে’
শর্টসার্কিটের আগুনে দগ্ধ ঘুমিয়ে থাকা ৬ বছরের শিশু
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী