ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০ পরিবার পেল পৌনে ৬ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

যশোরসহ পার্শ্ববর্তী তিন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও অঙ্গহানির শিকার ১৫০টি পরিবারের মাঝে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিআরটিএ যশোর সার্কেলের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ৭০ শতাংশই মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট। এ কারণে নতুন মোটরসাইকেল বিক্রির সময় ক্রেতাকে দুটি করে বিআরটিএ অনুমোদিত হেলমেট সরবরাহ বাধ্যতামূলক করার একটি প্রস্তাব সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান শুধু আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একটি মানবিক দায়িত্বও। এই সহায়তা দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত পরিবারগুলোকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে প্রেরণা জোগাবে। একই সঙ্গে তিনি চালকদের হেলমেট ব্যবহারসহ ট্রাফিক আইন মেনে সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালানোর আহ্বান জানান।

যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) দেবাশীষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার, যশোর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও গুরুতর আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য একটি বিশেষ ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডের মাধ্যমে নিয়মিত আবেদন যাচাই-বাছাই করে ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে। সর্বশেষ পর্যায়ে যশোর, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট ১৫০টি পরিবারের মাঝে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়। এর মধ্যে যশোরে ৬৯টি, মাগুরায় ১৯টি এবং ঝিনাইদহে ৬২টি চেক বিতরণ করা হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
কাজ শেষে বাসায় ফেরা হলো না ফালু মিয়ার
স্বামীর মোটরসাইকেলে স্কুলে যাচ্ছিলেন শিক্ষিকা, মুহূর্তেই পিষে দিলো ট্রাক
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরা হলো না ছাত্রদল নেতার, পথেই নিভল প্রাণ