ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মোবাইল কেনার বায়না ধরে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কিশোর, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর সুমন উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুতের খুঁটির উপর। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় মোবাইল ফোন কিনে না দেয়ায় অভিমান করে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। স্থানীয়দের তৎপরতা ও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের চিমনা গ্রামের পাশের একটি বিলে এ ঘটনা ঘটে। কিশোরের নাম সুমন (১৪)। সে একই গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করতে গিয়ে দূরে বিদ্যুতের একটি খুঁটির ওপর একজন কিশোরকে বসে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে তারা দেখতে পান, সেটি হাই ভোল্টেজ লাইনের খুঁটি এবং সেখানে সুমন বসে আছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা দ্রুত স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে খবর দেন। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে সঙ্গে সঙ্গে ওই লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন

খবর পেয়ে তানোর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টার পর তারা কিশোরকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হন। পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সুমন তার পরিবারের কাছে একটি মোবাইল ফোন কেনার দাবি জানায়। পরিবার সেটি কিনে দিতে না পারায় সে মানসিকভাবে কষ্ট পায়। ধারণা করা হচ্ছে, অভিমান থেকেই সে এমন ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। তবে পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা বিষয়টি বুঝতে পারেননি যে সে এমন কিছু করতে পারে।

এ বিষয়ে তানোর ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয়দের দ্রুত সংবাদ দেয়ার কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুমন বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ আছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব
চাঁদপুরে নিখোঁজ কিশোর রাতুলকে বান্দরবান পাহাড় থেকে উদ্ধার
কিশোরীকে তুলে নিয়ে গেলেন সাঈদ, এসপির শরণাপন্ন বাবা