ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চ‍্যানেল আই-এর বগুড়া প্রতিনিধি মরহুম সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এসময় রউফ জালালের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা মরহুমের রউফ জালালের বাড়িতে গিয়ে মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন আতিকুর রহমান রুমন।

উল্লেখ্য, বগুড়া থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিক আজ ও আগামীকাল পত্রিকায় মরহুম রউফ জালালের সঙ্গে এক সময় কাজ করতেন আতিকুর রহমান রুমন। তাই বগুড়ায় এসেই প্রথমে মরহুম সাংবাদিক জালালের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন তিনি।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মরহুম রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। আমরা একসঙ্গে অনেকদিন সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। তার স্মৃতিগুলো আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। তাই যখনই আমি বগুড়া আসি, রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করি। তার এই মৃত্যু আমাকে অত্যন্ত বেদনা দিয়েছে।

আরও পড়ুন

এর আগে, বুধবার (১১ মার্চ) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিক রউফ জালাল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি স্ট্রোক করেন। এরপর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে বাড়িতে এনে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল।

রউফ জালাল ২০০২ সাল থেকে চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাদ জোহর শহরের সেউজগাড়ী জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আনজুমান-ই-কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাবনায় অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ
পাবনার সাঁথিয়ায় প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামবাংলার লোকজ ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। লক্ষাধিক মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে এ নৌকাবাইচ উপভোগ করেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভাধীন আফতাবনগর-ছেচানিয়া সেতুসংলগ্ন ইছামতী নদীতে এ বর্ণাঢ্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। নদীর তীরজুড়ে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। দর্শকেরা নদীর দুই পাড়ে অবস্থান নিয়ে উৎসবে অংশ নেন এবং নৌকাবাইচের অনবদ্য আনন্দ উপভোগ করেন। শিশু, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ—সবাই যেন ফিরে যান শিকড়ের সেই আনন্দঘন গ্রামীণ উৎসবে। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ সহকারী (যুব ও কর্মসংস্থান) সাইয়েদ আবদুল্লাহ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ আল হাসান আসিফ, সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব সালাউদ্দিন খান পিপিএম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিকসহ অনেকে। এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় ১১টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ‘এরশাদ ফাইটার্স’ প্রথম স্থান অধিকার করে পুরস্কার অর্জন করে। আরটিভি/টিআর
পাবনায় অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ
‘জনপ্রতিনিধিদের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে’
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জনপ্রতিনিধিদের একার পক্ষে এলাকার সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। জনগণের মতামত, গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (আইইবি) ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, নাগরিকরা ভুলত্রুটি তুলে না ধরলে জনপ্রতিনিধিদের ভুল পথে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তাই উন্নয়নকাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমেও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। মন্ত্রী বলেন, সরকারি বরাদ্দ জনগণের করের অর্থ। তাই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা স্থানীয় জনগণকেও নজরদারি করতে হবে। কোথাও অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে। সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা স্থানীয় জনগণকেও নজরদারি করতে হবে। কোনো সড়ক বা অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের কাজ হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে। জনগণের করের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। আইনমন্ত্রী জানান, প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং অনিয়মের সুযোগ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা শহরে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা দূর করাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, শৈলকূপায় মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় না নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধ কিংবা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তির পক্ষে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তদবির গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে অপরাধের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং সংঘবদ্ধভাবে মানুষকে হেনস্তা করার মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। কেউ যেন অন্যায়ের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ ও দুর্নীতির পক্ষেও কোনো অবস্থান নেওয়া যাবে না। ন্যায়বিচার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি। শৈলকূপার উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়নসহ একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। দিগনগর ইউনিয়নেও বিভিন্ন সড়ক উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সম্প্রতি শৈলকূপার আরও প্রায় ৩৯৫টি সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সড়ক তালিকাভুক্তির আওতায় এসেছে। এসব সড়কের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে উপজেলার সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, শৈলকূপার উন্নয়নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে পৃথক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার কৃতী সন্তান ও পেশাজীবীরা উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন। তিনি মত দেন, দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার এবং জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। গঠনমূলক সমালোচনা, দায়িত্বশীল নাগরিক অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহির চর্চা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঢাকাস্থ শৈলকূপা উপজেলার ৩ নম্বর দিগনগর ইউনিয়ন কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড এ ওয়াহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাবেক সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলামসহ অনেকে বক্তব্য দেন। এসময় শৈলকূপা উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এমএ  
‘জনপ্রতিনিধিদের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে’
শনিবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (১৭ অক্টোবর) পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৫ ঘণ্টা রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। 
শনিবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় সৎমেয়েকে ধর্ষণের মামলায় জেল খাটার চার বছর পর স্ত্রীকে কুপিয়ে তার হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছেন স্বামী ওবায়দুল্লাহ সরকার (৪৫)। ধর্ষণ মামলার প্রতিশোধ নিতে মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে ওই নারীকে কুপিয়ে আহত করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার তারাকান্দা ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহ সরকার ওই গ্রামের তহুর উদ্দিন সরকারের ছেলে। তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ ওই নারীকে কুপিয়ে তার হাত বিচ্ছিন্ন করার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ওবায়দুল্লাহ আনুমানিক ২০ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। ঈদের সময় বাড়িতে আসতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ওবায়দুল্লাহ তিনটি বিয়ে করেছেন। তার তৃতীয় স্ত্রীর বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে। ওই নারীর প্রথম স্বামী মারা গেলে ওবায়দুল্লাহ তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় ওই নারীর আগের স্বামীর ঘরে এক কিশোরী মেয়ে ছিল। ওবায়দুল্লাহ ওই নারীর কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই নারী স্বামী ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই নারী তার কিশোরী মেয়েকে বাবার বাড়িতে রেখে বিদেশে চলে যান। বিদেশে যাওয়ার চার বছর পর সম্প্রতি ওই নারী দেশে ফেরেন। এদিকে, ওবায়দুল্লাহ জেল খেটে বের হন। জেল থেকে বের হয়ে প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মীমাংসার কথা বলে ওই নারীকে তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা উপজেলার ওই এলাকায় নিয়ে আসেন ওবায়দুল্লাহ। সন্ধ্যার পর মামলা-সংক্রান্ত বিষয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে ওই নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন তিনি। এ সময় দার কোপে ওই নারীর এক হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ওবায়দুল্লাহ পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে ওই নারী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, আহত নারীর স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। স্বজনেরা থানায় এলে মামলা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়ি নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
গাজীপুরে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রুহুল আমিন বাবু (৫৭) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলার কালিয়াকৈরে এ ঘটনা ঘটে। আটক রুহুল আমিন বাবু একই গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে একটি পূজামণ্ডপের কাছে আয়োজিত মেলায় সহপাঠীদের সঙ্গে ঘুরতে যায়। এ সময় তাকে ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। শিশুটির চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আরটিভি/টিআর
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়িতে নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী একটি উদার রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা করছেন: প্রেস সচিব
২২ অক্টোবর খুলনায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী
ইয়েমেনে এবার প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ঢুকে পড়ল ৫ ক্ষেপণাস্ত্র, বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী