ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় ৯৫ লাখ টাকার ভারতীয় ডিএনএ টেস্ট কিট উদ্ধার

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
৯৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় ডিএনএ টেস্ট কিট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ছবি: আরটিভি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় ডিএনএ টেস্ট কিট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রোববার (১৫ মার্চ) রাত ৮টার দিকে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানায়, শনিবার (১৪ মার্চ) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধীনস্থ জীবননগরের নতুনপাড়া বিওপির সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় নায়েব সুবেদার মো. ওসমান হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার ৬৫/৪-এস থেকে প্রায় ১৫০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে নতুনপাড়া গ্রামের একটি পুকুরের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪০৬ পিস ভারতীয় ডিএনএ টেস্ট কিট উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন

বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধার করা এসব চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা। অভিযান চলাকালে চোরাকারবারিরা বিজিবির টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার মারামারি, ভিডিও ভাইরাল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে তোলপাড় চলছে। সেখানকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকা ধস্তাধস্তি ও মারামারিতে লিপ্ত হন। পেশাগত মর্যাদাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরেই দুই শিক্ষকের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল। ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত দুই শিক্ষক হলেন, প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষিকা আসমা বেগম।  জানা গেছে, তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছে এবং তারা আলাদা বসবাস করছেন। এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলাও বিচারাধীন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক কলহের জেরে তাদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরবর্তীতে তা ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে রূপ নেয়। ঘটনার সেই দৃশ্যের ধারণকৃত ভিডিও মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জনসমক্ষে আসে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৪ সালে আফজাল হোসেন ও আসমা বেগমের বিয়ে হয় এবং তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন আলাদা থাকলেও এখনো তাদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। ২০১১ সালে দুজনই আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। স্কুল অফিসে এমন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন বলেন, পারিবারিক নানা বিষয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে, যা মাঝেমধ্যে বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়। ঘটনার দিনও সেই বিরোধের জেরেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি জানিয়ে তিনি আরও প্রকাশ করেন, এর আগেও দুই থেকে তিনবার স্কুলে তাদের মধ্যে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা আসমা বেগমের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার মোবাইফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পাঁচজন শিক্ষক ও প্রায় ৯০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত এ বিদ্যালয়টিতে এমন কাণ্ডে শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও শিশুদের মানসিক বিকাশ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।  এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মিজানুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ব্যক্তিগত কলহের প্রভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। বিষয়টি নজরে আসার কথা জানিয়ে ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি দিন দশেক আগের হলেও ভিডিও প্রকাশের পর তা জানা গেছে।  তিনি জানান, বিদ্যালয়ে এমন শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বুধবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশমালা পাঠিয়ে চিঠি দেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
স্কুলে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার মারামারি, ভিডিও ভাইরাল
ধানক্ষেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফ (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ইউসুফ সোনাতলা উপজেলার বড় বালুয়া এলাকার উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে। শিশুটির মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরই মধ্যে শিশুটির বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তির আসা এবং এরপর থেকে তার নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন শিশুটির বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি বেড়াতে এসেছিলেন। এরপর থেকে ইউসুফকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর মঙ্গলবার দুপুরে বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে শিশুটি কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বালুয়াহাট বাজারের এক মুদি দোকানি জানান, শিশুটির বাড়িতে কয়েকজন লোক এসেছিলেন। তারা কারা, তা জানতে চাইলে শিশুটির মা তাদের চেনেন না বলে জানান। অপরিচিত ব্যক্তিদের বাড়িতে খাওয়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে দাবি করেন ওই দোকানি। তবে ওই ব্যক্তিরা কারা ছিলেন, কেন এসেছিলেন এবং শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউসুফ বালুয়াহাট বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিয়ে সহযোগিতা করত। এই কাজের বিনিময়ে বাজারের দোকানিরা তাকে ৫ থেকে ১০ টাকা করে দিতেন। এভাবেই বাজারের দোকানিদের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছিল শিশুটি। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিশুটির বাড়িতে আসা অপরিচিত ব্যক্তিদের পরিচয়, তার নিখোঁজ হওয়ার পরিস্থিতি এবং ধানক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে তদন্তের আগে এসব ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ৫ থেকে ৭ বছর বয়সী একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ধানক্ষেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব!
পিরোজপুর জেলা সদর থেকে মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বলেশ্বর নদের কোলঘেঁষা এ উপজেলায় প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি।
লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব!
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
ভবন নির্মাণে অনিয়ম হলে আইনের আওতায় আনা হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
ভবন নির্মাণে অনিয়ম হলে আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক নম্বরসংবলিত পিলারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ভবন নির্মাণের সময় কেউ আইনবহির্ভূত কাজ করলে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় অনেকেই বাধা দিচ্ছেন। সরকারের এ ধরনের কাজে যারা বাধা দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সকাল থেকে রাজশাহী নগরীতে চলমান এবং উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর তিনি ‘আরডিএ প্রান্তিক আবাসিক এলাকা’র উদ্বোধন করেন এবং সেখানকার একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। এ ছাড়া, রুয়েটের সামনে থেকে রাজশাহী বাইপাস সড়ক পর্যন্ত সংযোগ সড়ক ও ফ্লাইওভারের উদ্বোধন শেষে সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন মন্ত্রী। এ সময় আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, আরডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, উন্নত বিশ্বের শহরগুলোর মতো রাজশাহীর প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়কে নম্বর প্রদানের লক্ষ্যে নম্বরসংবলিত পিলার স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। অচিরেই পুরো নগরীতে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। আরটিভি/টিআর
ভবন নির্মাণে অনিয়ম হলে আইনের আওতায় আনা হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
আরও পড়ুন
রংপুরে ৪ খুন: নমুনা পরীক্ষায় আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত
কক্সবাজারে খেয়ে পছন্দ, বাড়ি ফিরে সেই ফল চাষেই লাখ টাকার বাগান
চুয়াডাঙ্গায় এসএসসিতে ফেল করায় ফাঁস নিলো পরীক্ষার্থী
তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ