ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চা বিক্রেতার বাড়িতে মিলল ১২২ লিটার ডিজেল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরার শ্রীপুরে এক চা বিক্রেতার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা ১২২ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে প্রশাসন। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের দোরাননগর গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, দোরাননগর গ্রামের চা বিক্রেতা নির্মল বিশ্বাস কেতু তার বাড়িতে ব্যারেলের মধ্যে অবৈধভাবে ডিজেল মজুত করে রেখেছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানকালে তার বাড়ি থেকে ব্যারেলের মধ্যে সংরক্ষিত ১২২ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় নির্মল বিশ্বাস কেতুকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ জনসাধারণের সঙ্গে আলোচনা করে সবার সম্মতিতে জব্দকৃত ডিজেল স্থানীয় কৃষকদের মাঝে সরকার কতৃক নির্ধারিত রেটে বিক্রয়ের উদ্যোগ নেন। প্রতি কৃষকের কাছে ২ লিটার করে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে লিটারপ্রতি ১০২ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

অভিযানকালে কাদিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব হোসেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা অনিক কুমার বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন মজুতকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান কাদিরপাড়া ইউনিয়নের দোরাননগর গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১২২ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তিকে না পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সম্মতিতে তা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। অবৈধভাবে তেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প 
এবার ডিজেল রপ্তানি বন্ধে যে সিদ্ধান্ত জানালেন ট্রাম্প
ক্যালিফোর্নিয়ায় ডিজেলের রেকর্ড দাম
ভারত থেকে আরও বেশি ডিজেল চেয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী