ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

লক্ষ্মীপুরে ক্লাস চলাকালীন ভেঙে পড়লো ছাদের ভিম, অতঃপর...

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর জনকল্যাণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তরা ও ভিম ভেঙে পড়েছে। এতে ৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয় এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠদানের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আহত শিক্ষার্থীরা হলো—ঋতু বণিক, নাদিয়া আক্তার ও সামিয়া আক্তার। দুর্ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ বিকট শব্দে ছাদের ভিমের একটি অংশ ও পলেস্তারা খসে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে শিক্ষার্থীরা হুড়োহুড়ি করে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসে।

বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও ছাদ ধসে পড়া এবং শিক্ষার্থীদের আতঙ্কে ছোটাছুটির দৃশ্য দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভবনটি দীর্ঘ দিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বাধ্য হয়েই তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছিল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম জানান, পাঠদানের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। আহত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ থাকার বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছিল এবং আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তা অবহিত করেছি। তবে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’