ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারসহ শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারসহ তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি করেছে সরকার।

রোববার (১৯ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়।

আরও পড়ুন

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিসহ তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করা হয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনারের পাশাপাশি সিলেটের দুইজন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকেও পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। একযোগে প্রশাসনের শীর্ষ তিন কর্মকর্তার এই বদলি সিলেট বিভাগীয় প্রশাসনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়- সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (যুগ্মসচিব) আশরাফুল রহমানকে বদলি করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

একই দিনে জারি করা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ নূর এ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়-অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনকে প্রেষণে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনে ন্যস্ত থাকবেন।

এই আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সোমবারের (২০ এপ্রিল) মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে, অন্যথায় ওইদিন বিকেলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।

আরটিভি/এমআই


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
মোটরসাইকেল আটকে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন ও সম্পাদক কে.এম. লিমন