ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পাবনায় ম্যানহোলে মিলল মানুষের কঙ্কাল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের ম্যানহোল থেকে মানুষের মাথার খুলি ও বুকের পাঁজরের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে হাসপাতালের পেছনের একটি ম্যানহোল থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সাহা জানান, হাসপাতালে থাকা লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে কঙ্কালের অংশগুলো উদ্ধার করে।

সঞ্জয় সাহা জানান, কঙ্কালের মাথার খুলি, বুকের পাঁজরের কঙ্কালের কিছু অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অনেক দিন আগে লাশ পচে কঙ্কাল হয়ে গেছে। তবে পুরুষ নাকি মহিলার কঙ্কাল, বয়স কেমন, কত দিন আগে মারা গেছে, তা নিশ্চিত বলা সম্ভব নয়।

সঞ্জয় সাহা আরও বলেন, ‘আমরা সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে উদ্ধার করা কঙ্কালের অংশবিশেষ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় সিআইডির কাছে পাঠাব। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কিশোরকে ১০ টাকা দিয়ে মেয়ের কাছে পাঠিয়ে ‘সর্বনাশ’ ডাকলেন বাবা
কুষ্টিয়ায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে (১৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কিশোরকে ১০ টাকা দিয়ে মেয়ের কাছে পাঠিয়ে ‘সর্বনাশ’ ডাকলেন বাবা
বর্ষা শেষ, তবুও থামেনি পদ্মার ভাঙন
বর্ষা মৌসুম শেষ হয়েছে, কমেনি পদ্মার ভাঙন। এখনও তীব্র স্রোতে নদীতীর ভেঙে চোখের সামনে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের বসতভিটা, ফসলি জমি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জীবিকার শেষ সম্বল।
বর্ষা শেষ, তবুও থামেনি পদ্মার ভাঙন
জমি বিরোধে মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টা মামলা ও উচ্ছেদের অভিযোগ লংগদুতে 
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কিশোরীকে দিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক ধর্ষণচেষ্টা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে।
জমি বিরোধে মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টা মামলা ও উচ্ছেদের অভিযোগ লংগদুতে 
ঘুরতে নিয়ে প্রেমিকাকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রেমিক জিম
১৮ মাস আগে নিখোঁজ হয় ১৭ বছর বয়সী কিশোরী নিঝুম খাতুন। নিঝুমের মা মহেশপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
ঘুরতে নিয়ে প্রেমিকাকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রেমিক জিম
কবুতরের ঘরে আস্তানা, ২০ সিসিটিভি দিয়েও রক্ষা পেলেন না ‘হ্যাকার সম্রাট’
নাটোরের লালপুরে সাইবার অপরাধের অভিযোগে ‘হ্যাকার সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ওহিদুল মোল্লা (৩২) ও তার সহযোগীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়ি থেকে গ্রামের প্রধান সড়ক পর্যন্ত অন্তত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। এমনকি লুকিয়ে থাকার জন্য ব্যবহার করতেন বাড়ির একটি কবুতরের ঘর। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে লালপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওহিদুলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের ৬৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। এসব সিম সাতটি মুঠোফোনে অদলবদল করে ব্যবহার করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার ছয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ওহিদুল মোল্লা লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া গ্রামের রব্বেল মোল্লার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, এলাকায় তিনি ইমো হ্যাকিং চক্রের ‘গুরু’ বা ‘সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমোসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পুলিশের। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন, মোহরকয়া গ্রামের জহুরুল বিশ্বাসের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৩), মৃত বেলাল আলীর ছেলে মোতাকাব্বির আলী (২৩), বিলমাড়িয়া গ্রামের মৃত কফের আলীর ছেলে শুকুর আলী (৫০), পানসিপাড়া গ্রামের আধার প্রামাণিকের ছেলে মো. আলামিন (২৩) এবং রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের সামাদ মণ্ডলের ছেলে মুক্তার আলী (৩৪)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়িকে অনেকটা নিরাপত্তাবেষ্টিত করে রেখেছিলেন। বাড়ি থেকে গ্রামের প্রধান সড়ক পর্যন্ত অন্তত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাড়ির দিকে এগিয়ে এলে আগেভাগেই তা বুঝতে পারতেন তিনি। তবে সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যবস্থা ছিল তার থাকার জায়গা। বাড়ির একটি কক্ষে কয়েকশ কবুতর রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল ঘর। বাইরে থেকে সেটি সাধারণ কবুতরের ঘর মনে হলেও ভেতরে ছিল ওহিদুলের থাকার ব্যবস্থা। সেখানে একটি খাট, দামি আসবাব, সিসিটিভি মনিটর ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও ছিল। পুলিশ বলছে, ওই ঘরে বসেই সাইবার অপরাধের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন তিনি। অভিযানের সময় ওই ঘর থেকে ৬৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, সিমগুলো আলাদা করে একটি সাদা কাগজে ছক আকারে লেখা ছিল। কোন সিমে বিকাশ ও কোনটিতে নগদ ব্যবহার করা হতো, তা বোঝাতে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নও ব্যবহার করা হয়েছিল। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ওহিদুল দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। তার নেতৃত্বে এলাকায় একটি সাইবার অপরাধী চক্র সক্রিয় থাকার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। ওসি বলেন, ওহিদুল গ্রেপ্তার এড়াতে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। বাড়ির চারপাশে সিসিটিভি স্থাপন এবং কবুতরের ঘরের ভেতরে থাকার ব্যবস্থাও তারই অংশ। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মাসুম বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ওহিদুলসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসকে
কবুতরের ঘরে আস্তানা, ২০ সিসিটিভি দিয়েও রক্ষা পেলেন না ‘হ্যাকার সম্রাট’
আরও পড়ুন
ঘুরতে নিয়ে প্রেমিকাকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রেমিক জিম
পাবিপ্রবির প্রথম সমাবর্তনের তারিখ ঘোষণা
বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা দানে বিশেষ জোর দিতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর