ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কফিনবন্দি লিমনের সঙ্গে ফিরল নতুন রহস্যের জট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
জামিল আহমেদ লিমন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংসভাবে নিহত বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) কফিনবন্দি মরদেহ দেশে ফিরেছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় বিমানবন্দরে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপস্থিত ছিলেন লিমনের পরিবারের সদস্যরা।

প্রিয় সন্তানের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা-মা ও স্বজনরা। লিমনের বাবা জহুরুল হক বলেন, বাবা হিসেবে এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট। আমি কখনো ভাবিনি আমার ছেলে এভাবে মারা যাবে।

পরিবার জানিয়েছে, প্রথমে মরদেহ গাজীপুরের মাওনায় নেওয়া হবে এবং সেখানে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ট্যাম্পা এলাকায় হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে লিমনের দেহাবশেষ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় শেরিফ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তার সাবেক রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে (২৬) ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনের অবস্থান, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

আদালতের নথি অনুযায়ী, লিমনের মরদেহে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডারের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্ত সূত্র আরও জানায়, হত্যার পর মরদেহ গোপনের চেষ্টা করা হয় এবং বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখা হয়। পরে ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহ শনাক্ত করা হয়।

জামিল আহমেদ লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতিমালা বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। এর আগে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

আরও পড়ুন

লিমনের মৃত্যুতে দেশে ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোক নেমে এসেছে। স্বজন ও সচেতন মহল এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প: ইরানের নেতাদের হত্যা করে ‘বেশি বাড়াবাড়ি’ করে ফেলেছি
পানির বাইরে ডাঙায়ও বেঁচে থাকে যেসব মাছ
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, হাসিনাকে দায়ী করলেন জামায়াত আমির
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা