ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অধিগ্রহণের টাকা না পেয়ে বেড়া দিয়ে রাস্তার কাজে প্রতিবন্ধকতা

পাইকগাছা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
বাঁশের বেড়া কাজ বন্ধ করে দিয়েছে জমির মালিকরা : ছবি আরটিভি

খুলনার পাইকগাছায় ভূমি অধিগ্রহণের টাকা না পেয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে সড়ক উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জমির মালিকরা। ফলে যথা সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার খুলনা-পাইকগাছা প্রধান সড়কের কার্তিকের মোড় নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

সড়ক ও জনপদ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে খুলনার কয়রা বেতগ্রাম আঞ্চলিক সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের জুনে। শুরুতে প্রকল্পে বরাদ্দ হয় ৩৩৯ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ পরবর্তী সময়ে কয়েক দফায় বাড়ানো হয়; সে বরাদ্দ বাড়ে ৫০ কোটি টাকা। তবে, ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতায় ৬ বছরেও সড়কের কাজ শেষ হয়নি। সর্বশেষ বর্ধিত মেয়াদ অনুযায়ী চলতি বছরের ৩০ জুন কাজ শেষ হওয়ার কথা। যদিও এ পর্যন্ত কাজটির অগ্রগতি ৭৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন

প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কারা-বেতগ্রাম সড়ক উন্নয়নে ২০১৯ সালের একনেক সভায় অনুমোদন পায় প্রকল্পটি। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ। প্রথম দফায় ২০২২ সালের ৩০ জুন কাজ শেষ করার কথা। তবে, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৪ দফায় সময় বাড়ানো হয়। কিন্তু এতেও প্রতিষ্ঠানটি ব্যর্থ হওয়ায় তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। তবে, এ মুহর্তে কাজটি করতে আগ্রহী নয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে দেখা যায়, অধিগ্রহণকৃত সড়কের উত্তর-দক্ষিণ মুখে বাঁশের খুঁটি পুঁতে ও লম্বাবম্বি বাঁশ টানিয়ে বেড়া দিয়েছেন জমির মালিকরা।

জমির মালিক লেয়াকত মোড়ল বলেন, অধিগ্রহণকৃত স্থানে আমার ঘর ছিল। ঘর ভেঙে সড়কের কাজ করেছে। আমি পরিবার নিয়ে অন্যের মৎস ঘেরের বাসায় পরিবার নিয়ে থাকছি। টাকার অভাবে জমি কিনতে পারছি না আবার নতুন ঘর তৈটি করতে পারছি না। জমি অধিগ্রহণের টাকা তুলতে প্রায় ছয় মাস ধরে খুলনা ডিসি অফিসে বারবার ধর্ণা দিচ্ছি। আজ নয় কাল করে আমাদের ঘোরানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষ কাজ না করলে সংসার চলেনা। তার উপর বারবার ডিসি অফিসে যেতে যেতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। টাকা না পেলে কাজ করতে দিবনা।

আরেক জমির মালিক শাহিনুর সরদার জানান, আমাদের অন্য কোন জায়গা জমি নেই। ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে ছোট্ট খুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছি। টাকার অভাবে জমি কিনতে পারছিনা আবার ঘর ঠিক করতে পারছিনা। ডিসি অফিসে ঘুরে ঘুরে দেনা হয়ে গেছি।

যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তারা হলেন, স্থানীয় মো. মোমরেজ সরদার, মিঠু সরদার, সালাম সরদার, করিম সরদার, ইব্রাহিম সরদার, বেলজার মোড়ল, রজব মোড়ল, লেয়াকত মোড়ল ও শাহীনুর সরদার।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক বলেন, অধিগ্রহণের জমির টাকা পরিশোধের চেক প্রস্তুত আছে কিন্তু জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর না হওয়ায় সেটা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছেনা। এদিকে বাঁশ বেঁধে সড়কের কাজ বন্ধ করা হয়েছে সে বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করছি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) দিপংকর দাশের মুঠো ফোনে কয়েক বার কল দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার দিয়ে ঢালায়ের অভিযোগ উঠেছে।
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
আরও পড়ুন
মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা
ঢালাইয়ের পরদিনই উঠে যাচ্ছে পিচ, সড়কে অনিয়মের অভিযোগ
ববি শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সওজ কর্মকর্তা, ঘটনা কী
রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর