ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় মায়ের মৃত্যু, গুরুতর আহত বাবা-বোন

ফেনী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৯:১১ এএম
অভিযুক্ত ছেলে রাফি। ছবি: আরটিভি

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এক মা। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী ও মেয়ে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে রাফিকে (২১) স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

রোববার (১০ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ সুপারিন্টেন্ডেন্টের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪০)। আহতরা হলেন তার স্বামী মো. মোস্তফা (৪৫) ও মেয়ে মিথিলা (১৮)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় রাফি হঠাৎ ঘরে ঢুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন লাকি বেগম। হামলায় গুরুতর আহত হন তার স্বামী ও মেয়ে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে রাফিকে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা রাতুল বলেন, যে সন্তানের জন্য একজন মা সারাজীবন ত্যাগ স্বীকার করেন, সেই সন্তানের হাতেই মায়ের এমন মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা।

নিহত লাকির ভাতিজা এমরান হোসেন বলেন, রাফি দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। প্রায়ই সে মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সঙ্গে ঝামেলা করত। আজও সম্ভবত মাদকের টাকার জন্য এ ধরনের নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে আনার আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

তিনি আরও জানান, আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, রাফি একজন বখাটে ও মাদকাসক্ত। প্রায়ই পরিবারের সঙ্গে মাদকের টাকার জন্য ঝামেলা করতেন। ঘটনাটি তিনি খুব ঠান্ডা মাথায় করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটকের সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ধারাল ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘স্বাধীনভাবে বাঁচতে’ ঘর ছাড়ে চার ছাত্রী, অতঃপর... 
স্বাধীনভাবে নতুন জীবন শুরু করার আশায় বাড়ি ছেড়েছিল কুমিল্লার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী। বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারা প্রথমে ঢাকায় যায়। সেখানে বাসা ভাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চলে যায় তারা।
‘স্বাধীনভাবে বাঁচতে’ ঘর ছাড়ে চার ছাত্রী, অতঃপর... 
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না 
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার কয়েকটি এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ২ নম্বর ফিডারের আওতাধীন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হবে। এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার আওতাধীন এলাকাগুলো হলো- আগ্রান, পারকোল ও এর আশপাশের এলাকা। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এসকে
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না 
মধ্যরাত থেকে কুয়াশায় ঢেকে যায় উত্তরের জনপদ, সূর্য উঠতেই উধাও!
মধ্যরাত থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় চারপাশ। দূরের পথ ঝাপসা, ঘাসের ডগায় জমেছে শিশির। হিমেল হাওয়ায় অনুভূত হচ্ছে উত্তরের জেলা নীলফামারীতে শীতের আগমনী বার্তা।
মধ্যরাত থেকে কুয়াশায় ঢেকে যায় উত্তরের জনপদ, সূর্য উঠতেই উধাও!
এক মাস পর ভেসে উঠলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু
কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় পর পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে রাঙামাটির পর্যটনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতু। বুধবার থেকে সেতুতে পর্যটকদের প্রবেশে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেতুটিকে ঘিরে ফিরতে শুরু করেছে পর্যটকদের পদচারণা। স্বস্তি ফিরেছে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যেও। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা সেতুটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন। আলোক বিকাশ চাকমা জানান, চলতি বছর দ্বিতীয় দফায় গত ১১ সেপ্টেম্বর কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় ঝুলন্ত সেতুটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ওই দিন থেকেই সেতুতে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে হ্রদের পানি কমে সেতুটি দৃশ্যমান হলে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষে বুধবার থেকে পর্যটকদের চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। সেতুটি পুনরায় পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়ায় স্বাভাবিক পর্যটন কার্যক্রম ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আগমন বাড়লে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। রাঙামাটির পর্যটন পরিচিতির অন্যতম প্রতীক এই ঝুলন্ত সেতু দেখতে প্রতিবছরই ছুটে আসেন অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক। কাপ্তাই হ্রদের নীল জলরাশি, পাহাড়ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর নৌভ্রমণের পাশাপাশি সেতুতে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকদের ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার অন্যতম আকর্ষণ। তবে বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় প্রায় প্রতিবছরই পানির নিচে তলিয়ে যায় সেতুটি। ফলে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয় এই দর্শনীয় স্থাপনা। গত বছরও টানা ৮৫ দিন পানির নিচে ছিল সেতুটি। এতে পর্যটন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছর একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রাঙামাটির পর্যটন খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সেতুটি তলিয়ে যাওয়ায় পর্যটকেরা অন্যতম আকর্ষণটি উপভোগের সুযোগ হারান। অন্যদিকে, পর্যটকদের আগমন কমে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েন হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, পরিবহন ও নৌযান ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু পানি কমার অপেক্ষায় না থেকে সেতুটির অবস্থান, কাপ্তাই হ্রদের পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। কারিগরি সমীক্ষার ভিত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে পর্যটন মৌসুমে সেতুটি বন্ধ থাকার সময় কমানো সম্ভব কি না, তা বিবেচনা করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে নির্মিত প্রায় ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুটি জেলার অন্যতম পরিচিত পর্যটন আকর্ষণ। দুটি পাহাড়ের মাঝখানে নির্মিত এই সেতু দেখতে স্থল ও জলপথে পর্যটন কমপ্লেক্স এলাকায় পৌঁছানো যায়। আরটিভি/টিআর
এক মাস পর ভেসে উঠলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু
দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটক সমাগমের প্রত্যাশা
আগামী ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার পাঁচ দিনের ছুটিতে ৬ লাখেরও বেশি পর্যটককে বরণ করে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে কক্সবাজার। ইতিমধ্যে উপকূলীয় জেলাজুড়ে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে অগ্রিম বুকিংয়ের হার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। টানা ছুটির এই সময়ে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগমের আশা করছেন পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা, কারণ আবাসন ব্যবস্থার প্রায় ৭০ শতাংশই ইতিমধ্যে অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। সম্ভাব্য ভিড় সামাল দিতে পরিবহন সেবা সম্প্রসারণ, আতিথেয়তার মানোন্নয়ন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বাসসকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, প্রতিদিন গড়ে এক লাখের বেশি পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন। সে হিসাবে পাঁচ দিনে ৬ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম হতে পারে।’ তিনি জানান, কক্সবাজারে বিভিন্ন শ্রেণির ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও কটেজ রয়েছে। এরমধ্যে বেশির ভাগ আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কক্ষ আগাম বুকিং হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক হোটেলে প্রায় ৭০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। কক্সবাজার হোটেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি নাজিম উদ্দীন বাসসকে বলেন, টানা পাঁচ দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে হোটেল-মোটেলে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তারকা মানের হোটেলগুলোর বেশির ভাগ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা ভালো একটি সপ্তাহের প্রত্যাশা করছেন। রামুর মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন পেঁচারদ্বীপের মারমেইড বিচ রিসোর্টের ব্যবস্থাপক রানা কর্মকার বাসসকে বলেন, তাদের রিসোর্টের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ ইতোমধ্যে অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অতিথিদের শুভেচ্ছা জানানো হবে। পাশাপাশি রিসোর্টের রেস্তোরাঁ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। যে কেউ সেখানে এসে ঘুরে যেতে পারবেন এবং খাবার খেতে পারবেন। অন্যদিকে, তারকা মানের হোটেল বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজের ফ্রন্ট অফিস ম্যানেজার তারেক আজিজ জানান, তাদের হোটেলের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের জন্য ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর ১ হাজার ২শ’ টাকায় ৫০টির বেশি পদের বুফে ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে। টানা ছুটিতে পর্যটক ও যাত্রীদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা স্পেশাল’ দুপুর আড়াইটায় ছেড়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। একই দিন ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ‘ট্যুরিস্ট স্পেশাল’ রাত সাড়ে ১০টায় ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার পৌঁছাবে। ২৩ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বিশেষ ট্রেন সকাল সাড়ে ১১টায় ছেড়ে রাত ৮টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। একই দিন ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ‘ট্যুরিস্ট স্পেশাল’ রাত সাড়ে ১০টায় ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছাবে। এ ছাড়া ২৪ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘ট্যুরিস্ট স্পেশাল’ সকাল সাড়ে ১১টায় ছেড়ে রাত ৮টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। একই দিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘চট্টগ্রাম স্পেশাল’ রাত সাড়ে ১০টায় ছেড়ে পরদিন ভোর ৪টায় চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার জয়নাল আবেদীন বিশেষ ট্রেন পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, টানা ছুটিতে কক্সবাজারগামী যাত্রীর চাপ অনেক বেশি থাকে। এ চাপ সামাল দিতেই বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আন্তনগর কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস চলাচল করছে। নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি বিশেষ ট্রেন চালু হলে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। এতে সড়কপথের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি পর্যটকদের যাতায়াতও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন সামাল দিতে আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি সৈকতসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বাসসকে বলেন, পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকের চাপ বাড়বে। তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। আরটিভি/এসআর  
দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটক সমাগমের প্রত্যাশা
আরও পড়ুন
সৌদি আরবে আরামকোতে হুথিদের হামলা, ইয়েমেনে পাল্টা বিমান আক্রমণ
সৌদি বিমানবন্দরে হামলার আগে বাজেনি অ্যালার্ম, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: চিহ্নিত হলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা ও ক্ষোভ ধর্মমন্ত্রীর