ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রান্তিক কৃষকের জন্য আবির্ভূত হলো সৌরশক্তিনির্ভর প্রযুক্তি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
প্রান্তিক কৃষকের জন্য আবির্ভূত হলো সৌরশক্তিনির্ভর প্রযুক্তি।ছবি: আরটিভি

কৃষিতে ডিজেলের ব্যবহার হ্রাস করে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে যৌথভাবে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগ এবং যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটি (বিসিইউ)।

এরই প্রয়াস ‘স্মার্ট-সিপ প্লাস: বাংলাদেশে সৌরচালিত সেচপাম্পের উদ্বৃত্ত শক্তির বহুমুখী ব্যবহারে উদ্ভাবনী উদ্যোগ’ প্রকল্পের একটি প্রযুক্তি প্রদর্শন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। যেটি রোববার (১৭ মে) ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধীতপুরে উদ্বোধন করা হয়েছে।

নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রদর্শন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন স্মার্ট-সিপ প্লাস প্রকল্প প্রধান ও যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটির (বিসিইউ) অধ্যাপক ড. লিনসি মেলভিল। যুক্তরাজ্য গবেষণা ও উদ্ভাবন সংস্থা (ইউকেআরআই) এর অধীন যুক্তরাজ্য সরকারের আয়ারটন ফান্ড-এর অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে এ প্রকল্প।

আরও পড়ুন

প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটি-বিসিইউ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশন, ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন ফর দ্য আরবান পপুলেশন এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্মার্ট-সিপ প্লাস প্রকল্পের ইন-কান্ট্রি লিড (বাংলাদেশের প্রকল্প প্রধান) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা, প্রকল্পের যৌথ প্রধান গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ, যৌথ প্রধান গবেষক ও কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, যৌথ প্রধান গবেষক ও কৃষি অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আব্দুল্লাহ আল-আমিন, প্রকল্পের গবেষক ও কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল হুদা| এসময় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি এবং যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটি (বিসিইউ) থেকে গবেষক দল এসময় উপস্থিত ছিলেন।

672947964_3441458432669079_3797194916492475230_n

উদ্বোধন শেষে প্রদর্শন কেন্দ্রে থাকা সোলার পাম্প (সেচ যন্ত্র), হলার (ধান ভাঙানোর যন্ত্র), সোলার ড্রায়ার (ধান শুকানোর যন্ত্র) ও সোলার চালিত মাড়াই যন্ত্র চালিয়ে দেখানো হয়| সৌর শক্তি ব্যবহার করে কোন যন্ত্রটি কিভাবে কাজ করছে সেটি উপস্থিত সকলের সামনে তুলে ধরেন যৌথ প্রধান গবেষক ও কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান।

পরে সেখানে স্থানীয় কৃষকদের দিয়ে একটি আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা বলেন, আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে চাই| আর সেক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ হলো নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার। এই কেন্দ্রে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করে জমিতে সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে, ধান মাড়াই ও শুকানোর ব্যবস্থা রয়েছে| এতে করে ডিজেলচালিত যন্ত্রের ব্যবহার কমবে, কৃষকের উৎপাদন খরচ কমবে এবং কৃষির টেকসই উন্নয়ন হবে।

672699898_1754808495500947_3067526475867774593_n

আলোচনা সভায় কৃষকরা এই প্রকল্প নিয়ে তাদের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং প্রকল্পের কাজের মাধ্যমে কিভাবে উপকৃত হচ্ছেন সে কথাও তুলে ধরেন।

স্মার্ট-সিপ প্লাস প্রকল্প প্রধান ও যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটির (বিসিইউ) অধ্যাপক ড. লিনসি মেলভিল বলেন, আমরা এই প্রযুক্তিগুলোর ব্যবহার প্রান্তিক কৃষক পর্যায়ে নিয়ে আসতে চাই যাতে তাদের কায়িক পরিশ্রম কমানো যায়| নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে আমরা সকলকে উদ্বুদ্ধ করতে চাই| এটি কৃষক থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি পর্যায়ের জন্য শক্তির একটি টেকসই সমাধান।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বামী-শ্বশুড়বাড়ির নির্যাতন সইতে পারলেন না মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাসিন্দা প্রবাসী স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের অব্যাহতভাবে মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে বরিশাল বিএম কলেজের মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর খানম সেতুর বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
স্বামী-শ্বশুড়বাড়ির নির্যাতন সইতে পারলেন না মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর
আলমসাধুতে করে নিষিদ্ধ মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই যুবক, অতঃপর...
যশোরের কেশবপুরে মাছের খাবার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাওয়ার সময় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আলমসাধুতে করে নিষিদ্ধ মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই যুবক, অতঃপর...
শাসন করায় শিক্ষককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটাল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র
বগুড়ায় স্কুলে শাসন করায় ছুটির পর রাস্তায় শরীরচর্চা শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে।
শাসন করায় শিক্ষককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটাল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র
আবারও প্রশ্নবিদ্ধ বরখাস্ত হওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে সাংগঠনিক পদে থাকার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন ভোলার চরফ্যাশনের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সফিউল্লাহ জগলু। বরখাস্তের খবর প্রকাশের পর সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। তার এই সংবাদ সম্মেলন ঘিরে সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি অনুসরণের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
আবারও প্রশ্নবিদ্ধ বরখাস্ত হওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে সরকারি অর্থে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে ব্যবহারের অপেক্ষায় পড়ে আছে। প্রায় ১৩ কোটি টাকা খরচে তৈরি সেতুটির দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক নেই। ফলে যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষকেও নদী পার হতে হচ্ছে স্থানীয়ভাবে বানানো কাঠের সিঁড়ি বেয়ে।  ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও নদের ওপর সেতুটি নির্মাণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এর দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার, প্রস্থ ১৩ মিটার। নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে।  কিন্তু সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ না থাকায় এটি এখনো কার্যত অচল। সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও জনগণ এর কোনো সুফল পাচ্ছে না। উল্টো সেতুর অবকাঠামো ধীরে ধীরে নষ্ট হচ্ছে। সেতুটি চালু না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। জরুরি প্রয়োজনে তাদের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়ক ধরে অনেক দূরের পথ ঘুরে যেতে হয়। কিন্তু এই বিকল্প পথ সময়সাপেক্ষ তো বটেই, নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড় ও বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া এই সড়কের দৈর্ঘ্য ১৭ কিলোমিটার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায়ও এখানে বনদস্যুদের উৎপাত চলে। যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে মানুষকে জিম্মি করার ঘটনা এখানে নতুন নয়। অনেক সময় যাত্রীদের গভীর বনে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। দস্যুদের গুলিতে হতাহতের ঘটনাও কম ঘটেনি।  এই ঝুঁকির কারণে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অর্থাৎ রাতে হঠাৎ কারও অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে এলাকার মানুষের হাতে তেমন কোনো বিকল্পই থাকে না। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সংযোগ সড়ক ছাড়াই সেতুটি দাঁড়িয়ে আছে। মানুষ সেতুতে ওঠানামা করছেন কাঠের সিঁড়ি দিয়ে। স্থানীয় কৃষক সাদেকুর রহমান জানান, মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য গত জুলাই মাসে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই সিঁড়ি বানানো হয়েছে। এলাকার উৎপাদিত ফসল এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগীদেরও ঝুঁকি নিয়ে এই সিঁড়ি দিয়ে সেতুতে তুলতে হয়।  তার আশঙ্কা, সিঁড়িটি ভেঙে গেলে পারাপার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তিন ইউনিয়নের মানুষের সুবিধার জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু বানালেও তা কোনো কাজে আসছে না। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে শিক্ষার্থীরা। ঈদগড়ের স্কুলশিক্ষার্থী মোহাম্মদ উল্লাহ জানায়, প্রতিদিন দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই সিঁড়ি দিয়ে সেতু পার হয়ে ঈদগাঁও ও রামু সদরের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যায়। বৃষ্টি হলে ভেজা কাঠের সিঁড়ি পার হওয়া বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। তার প্রশ্ন, এত দিনেও কেন সেতুটি চালু হলো না। একটি আনুষ্ঠানিক সংযোগ ব্যবস্থার অভাবে প্রতিদিন শিশু-কিশোরদের এভাবে ঝুঁকি নিয়ে পড়তে যেতে হচ্ছে, এটি প্রশাসনের জন্যও ভাবনার বিষয়। স্থানীয়রা মনে করেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ঈদগড় ও গর্জনিয়ার বাসিন্দা আবুল কালাম ও আবদুর রহিমের মতে, জমি অধিগ্রহণে জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঠিকাদারের অবহেলার কারণেই সেতুটি পাঁচ বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। ব্যবহার না হওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। এতে জনগণের করের টাকায় তৈরি একটি সম্পদ অযত্নে ক্ষয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কের ডাকাতি কমে আসবে। তখন হাজারো মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন, যাতায়াত খরচও অনেক কমবে। অর্থাৎ সেতুটি শুধু যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেই নয়, এলাকার নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংযোগ সড়ক না হওয়ার কারণ হিসেবে স্থানীয় প্রতিনিধিরা বেশ কয়েকটি বাধার কথা বলছেন। ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জানান, সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর পড়েছে। এতে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ওপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যান। এতে প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে। ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, সেতুটি দ্রুত চালুর জন্য তৎপরতা চলছে। তাঁর ভাষ্য, সেতু চালু করা এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আগের দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর আশ্বাস, নতুন ঠিকাদার নিয়োগের পর দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে এলাকাবাসীর কাছে এই আশ্বাস নতুন নয়। পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করা মানুষের মনে প্রশ্ন, নতুন দরপত্রের প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কত সময় লাগবে। এর মধ্যে জমি-জটিলতার সমাধান না হলে নতুন ঠিকাদারও একই বাধার মুখে পড়তে পারেন। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দরপত্র আহ্বান যথেষ্ট নয়।  জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি আগে নিষ্পত্তি করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। না হলে ১৩ কোটি টাকার এই সেতু আরও কিছুদিন কাঠের সিঁড়ির ওপর ভর করেই কোনোরকমে টিকে থাকবে, আর ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হবে হাজারো মানুষকে। আরটিভি/এসআর
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
আরও পড়ুন
ঝিরিপথ পেরিয়ে চবির শহীদ মিনারে পাহাড়ি শাকসবজির বাজার
করলা গাছ তোলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের চুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণে অংশ নিলেন চবি উপাচার্য 
৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চান কৃষক