ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোলার সেই বকুল বেগমের হত্যা মামলার রায় ঘোষণা

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
চরফ্যাশন (চৌকি) আদালত। ছবি: আরটিভি

ভোলার চরফ্যাশনের সেই গৃহবধূ বকুল বেগমের হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বিভিন্ন ধারায় আরও কয়েকজনকে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে চরফ্যাশন চৌকি আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন ভোলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত হোসাইন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে দুলারহাট থানাধীন মুজিবনগর ইউনিয়নের শিকদারের চর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আলম বাচ্চু মেলকারের বসতঘরের সামনের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় গৃহবধূ বকুল বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা তাঁর বড় বোন মুকুল বেগমও হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে দুলারহাট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত এ মামলার রায় প্রদান করেন।

রায়ের সূত্রে জানা গেছে, আদালত রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আব্দুল মালেক পণ্ডিত, মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও আব্দুল মান্নানকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই ধারায় মোহাম্মদ সেলিম ও মোহাম্মদ রফিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এ ছাড়া অপরাধীকে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় মোহাম্মদ জসিম, মোহাম্মদ ফিরোজ ও মোহাম্মদ সোহাগকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। দণ্ডবিধির ২০৩ ধারায় মোহাম্মদ আলম বাচ্চু মেলকারকে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির ১১০ ও ৪৩৬ ধারায় মোহাম্মদ কবিরকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি আজাদকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে পূর্বে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত তাৎক্ষণিকভাবে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলার আলামত বিধিমোতাবেক নিষ্পত্তি এবং আদায়কৃত জরিমানার অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামির সাজা নিশ্চিতকরণের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী মামলার মূল নথি, রায়ের অনুলিপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দ্রুত মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

চরফ্যাশনের আলোচিত এ মামলার রায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়রা একে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।

চরফ্যাশন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ জানান, ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। এজন্য তিনি মামলার বিচারক অতিরিক্ত জজ শওকত হোসাইনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ যেসব এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
রাজশাহী ও গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য রাজশাহীর কয়েকটি এলাকায় সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখবে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)।
আজ যেসব এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় দোকানে বসে থাকা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নামে এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা
দুপুরে কমিটি ঘোষণা, বিকেলে ফেসবুক পোস্টে এনসিপি নেতার পদত্যাগ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মামুন মজুমদার নামের এক নেতা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান। তিনি উপজেলা কমিটিতে ১নম্বর যুগ্ম সমন্বয়কারী পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহবায়ক ব্যারিষ্টার মাজারুল ইসলাম সোহেল ও সদস্য সচিব সৈয়দ আহসান টিটু অনুমোদিত এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আহবায়ক কমিটির ঘোষণার পর পরই মামুন মজুমদার ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। আহবায়ক কমিটিতে মামুন মজুমদারকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে মামুন মজুমদার লেখেন, তিনি সব সময় রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকলেও প্রকাশ্য রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠন পর্যন্ত দেশের ক্রান্তিকালে দায়বদ্ধতা থেকে দলটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সচেতনভাবে অংশ নিয়েছেন। তিনি আরো লেখেন, ব্যক্তিগত কারণে অনেক আগেই রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু জেলা এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করার পর সেখানে নিজের নাম দেখতে পান, যা তার নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে হয়নি। এ কারণে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি উপজেলা কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান এবং উপজেলা এনসিপিতে কাজ করা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের শুভকামনা জানান। পদত্যাগের বিষয়ে মামুন মজুমদার বলেন, কমিটি ঘোষণার আগেই তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়েছিলেন, কমিটিতে থাকবেন না। এরপরও ভুলবশত তাকে উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে রাখা হয়েছে। এ কারণে ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন। তবে জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন বলেও জানান তিনি। এ দিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সৈয়দ আহসান টিটু জানান, মামুন মজুমদার লিখিত কোনও পদত্যাগপত্র জমা দেননি। তবে ফেসবুকে তার পদত্যাগের পোস্ট তারা দেখেছেন। এরই মধ্যে উপজেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। সৈয়দ আহসান টিটু আরও বলেন, তাদের ধারণা, কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ার কারণে মামুন মজুমদার ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
দুপুরে কমিটি ঘোষণা, বিকেলে ফেসবুক পোস্টে এনসিপি নেতার পদত্যাগ
ধানক্ষেতে মিলল শিশুর মরদেহ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে নিজের সাত বছর বয়সী শিশুসন্তান ইউসুফকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মা রিনি বেগমের বিরুদ্ধে। নিখোঁজের তিন দিন পর বগুড়ার সোনাতলার বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ঘটনায় শিশুটির মা রিনি বেগম আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিহত ইউসুফ বড় বালুয়া এলাকার বাসের হেলপার উজ্জ্বল হোসেনের সঙ্গে বসবাস করত। তবে স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইউসুফ উজ্জ্বল হোসেনের নিজের সন্তান নয়। রিনি বেগম শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে পরে উজ্জ্বল হোসেনকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সময় শিশুটির দুই পা চেপে ধরে রেখেছিলেন তার মা। পরে শিশুটির নিথর দেহ ধানক্ষেতে ফেলে যাওয়া হয় বলে ওই সূত্র জানিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না, কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্পর্কে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিনি বেগমের প্রথম বিয়ে হয়েছিল বগুড়া শহরের অদূরে। প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার টেকেনি। পরে শিশু ইউসুফকে নিয়ে তিনি সোনাতলার বড় বালুয়া এলাকায় উজ্জ্বল হোসেনকে বিয়ে করে তার সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। উজ্জ্বল পেশায় বাসের হেলপার। পরবর্তী সময়ে রিনি বেগম পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ছিল বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। এর আগে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউসুফ নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন তাদের বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি এসেছিলেন। ওই দিন থেকেই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির বাবা। নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ। বালুয়াহাট বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছেও পরিচিত ছিল ইউসুফ। স্থানীয় দোকানিদের ভাষ্য অনুযায়ী, সে বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এনে দিয়ে সহযোগিতা করত। বিনিময়ে দোকানিরা তাকে পাঁচ থেকে দশ টাকা করে দিতেন। ছোট্ট শিশুটির এমন করুণ মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একটি শিশুর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয় হওয়ার কথা তার পরিবার। অথচ ইউসুফের মৃত্যুর ঘটনায় তার মায়ের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির মৃত্যু ঘিরে উঠে আসা তথ্যগুলো যেমন মর্মান্তিক, তেমনি এ ঘটনায় অপরাধের প্রকৃত কারণ, সম্ভাব্য সহযোগী এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদ্ঘাটন করাও জরুরি। পুলিশ জানিয়েছে, আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও তদন্তের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। শিশুটির মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ কী এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, শিশুটিকে হত্যার ঘটনায় তার মা রিনি বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ধানক্ষেতে মিলল শিশুর মরদেহ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
ফরিদপুর জেলা পরিষদের দুটি ভবনের ছাদে স্থাপিত ৬০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় এ পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ যুক্ত করা হচ্ছে।
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
আরও পড়ুন
ভোলায় ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল
আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সব পদ স্থগিত
৫ বছরেও শেষ হয়নি ভবন নির্মাণ, জরাজীর্ণ ঘরেই মনপুরা পোস্ট অফিস
সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে পদ!