ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক। ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ায় পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ও বুধবার (২৭ মে) সকালে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে কাহালু উপজেলার নারহট্ট ইউনিয়নের ভ্যাপড়া এলাকায় নিউ হোপ ফিড মিলের সামনে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে মো. রবিউল আউয়াল ওরফে জিয়া (৪২) নামে একজন নিহত হন। তিনি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার তরতবাড়ী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ও কাহালুর ওই ফিড মিলে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে কারখানার কাজ শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ি রবিউলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর ঘাতক গাড়িটি পালিয়ে যাওয়ায় সেটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে, বুধবার (২৭ মে) সকাল সোয়া ৬টার দিকে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার ফোকপাল রাস্তার মাথায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এক ট্রাকের সহকারী নিহত ও চালক গুরুতর আহত হন।

নিহত সহকারীর নাম মো. ইনজামাম (২০)। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খড়াশনী গ্রামের ইজ্জত আলীর ছেলে। আহত চালকের নাম মো. শামীম শেখ (৩৫)। তিনি একই উপজেলার খেদাপাড়া গ্রামের আরব আলী শেখের ছেলে।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা বালুভর্তি একটি ট্রাক নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। পথে নন্দীগ্রামের ফোকপাল এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা অপর একটি বালুভর্তি ট্রাকের পেছনে চলন্ত ট্রাকটি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে চলন্ত ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক শামীম শেখ ও সহকারী ইনজামাম কেবিনের ভেতরে আটকা পড়েন।

খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত দুজনকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালক শামীম শেখ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রামের কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ শজিমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ময়লার স্তূপে পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ, অতঃপর...
গাজীপুরের শ্রীপুরে ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা ককটেলসদৃশ একটি বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে নুর মোহাম্মদ (৪৫) নামের এক ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্য, এসআরবির ঢাকা বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্য এবং শ্রীপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।  আহত নূর মোহাম্মদ ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফার্নিচার ব্যবসায়ী। বিস্ফোরণে আহত হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফার্নিচার ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ দোকানের পাশের ময়লার স্তূপের কাছে প্রস্রাব করতে গিয়েছিলেন। সেখানে ককটেলসদৃশ একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে তিনি সেটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলেন। বিস্ফোরকজাতীয় বস্তুটি চিনতে না পেরে সেটির সেফটি রিং টেনে খুলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে সেটি বিস্ফোরিত হয়। এতে তার বাম হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, দোকানের পেছনে প্রস্রাব করতে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তি ময়লার স্তূপ থেকে প্লাস্টিক বা কৌটার মতো একটি বস্তু হাতে নিয়ে দোকানের সামনে আসেন। সেখানে বসে থাকা কয়েকজন তাকে বস্তুটি নাড়াচাড়া করতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি সেটি নাড়াচাড়া করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওসি আরও জানান, বস্তুটি ককটেল বা পেটার মতো নয়; এটি প্লাস্টিকের তৈরি গোল কৌটার মতো। এটি বোমা কিংবা প্লাস্টিকের হ্যান্ড গ্রেনেডজাতীয় কিছু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ককটেলসদৃশ বস্তুটি সেখানে কীভাবে এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১) গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার দেবজিত পাল বলেন, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের তথ্য অনুযায়ী, এটি ৫ আগস্ট থানা থেকে হারিয়ে যাওয়া পুলিশের একটি সাউন্ড গ্রেনেড। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এবং এসআরবি গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আরটিভি/টিআর
ময়লার স্তূপে পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ, অতঃপর...
অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই ৮০০ পর্যটক
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাঘাইছড়ির সাজেকে চার দিন ধরে চলা পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রথম দিনে প্রায় ৮০০ পর্যটক সেখানে প্রবেশ করেছেন। দীর্ঘ চার দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতি, রিসোর্ট-রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে গত কয়েক দিন ধরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার সকাল থেকেই খাগড়াছড়ি হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাজেকের দিকে পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচল শুরু হয়। সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মন জানান, চার দিন বন্ধ থাকার পর প্রথম দিনেই প্রায় ৮০০ পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন। পাহাড়ের বুক ঘেঁষে ভেসে যাওয়া মেঘের চাদর ও রূপসী সাজেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ইতোমধ্যে তাঁদের অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেছেন। পর্যটকদের বরণ করে নিতে স্থানীয় কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন মালিকেরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এদিকে, সাজেকে পর্যটকদের নিরাপদ ও আনন্দঘন প্রত্যাবর্তনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাজেকের পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকদের আগমন আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে সাজেকে পর্যটকদের এই প্রত্যাবর্তন স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। আরটিভি/টিআর
অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই ৮০০ পর্যটক
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এক রাতেই আরও ৫১৯ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ নিয়ে আট দফার অভিযানে আটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ জনে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় সর্বশেষ এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন স্থানগুলোকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। এতে জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। পুলিশ জানায়, সর্বশেষ অভিযানে আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫১৯
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা  
কুমিল্লা সদর উপজেলার গোমতী  নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় মো. কাউছার আলম নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। 
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা  
টানা ৮ দিন বন্ধ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা আট দিন বন্ধ রয়েছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল। তিনি জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা আট দিন হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্য আমদানি ও ভারতে পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আগামী ২৪ অক্টোবর (শনিবার) থেকে বন্দরে আমদানি-রপ্তানিসহ অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রম যথারীতি স্বাভাবিক হবে। এদিকে, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। আরটিভি/টিআর
টানা ৮ দিন বন্ধ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি
আরও পড়ুন
নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিক নিহত
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেলো যুবকের
নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১২