ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়লার স্তূপে পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ, অতঃপর...

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
শ্রীপুর থানা। ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা ককটেলসদৃশ একটি বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে নুর মোহাম্মদ (৪৫) নামের এক ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্য, এসআরবির ঢাকা বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্য এবং শ্রীপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

আহত নূর মোহাম্মদ ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফার্নিচার ব্যবসায়ী। বিস্ফোরণে আহত হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফার্নিচার ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ দোকানের পাশের ময়লার স্তূপের কাছে প্রস্রাব করতে গিয়েছিলেন। সেখানে ককটেলসদৃশ একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে তিনি সেটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলেন। বিস্ফোরকজাতীয় বস্তুটি চিনতে না পেরে সেটির সেফটি রিং টেনে খুলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে সেটি বিস্ফোরিত হয়। এতে তার বাম হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, দোকানের পেছনে প্রস্রাব করতে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তি ময়লার স্তূপ থেকে প্লাস্টিক বা কৌটার মতো একটি বস্তু হাতে নিয়ে দোকানের সামনে আসেন। সেখানে বসে থাকা কয়েকজন তাকে বস্তুটি নাড়াচাড়া করতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি সেটি নাড়াচাড়া করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ওসি আরও জানান, বস্তুটি ককটেল বা পেটার মতো নয়; এটি প্লাস্টিকের তৈরি গোল কৌটার মতো। এটি বোমা কিংবা প্লাস্টিকের হ্যান্ড গ্রেনেডজাতীয় কিছু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ককটেলসদৃশ বস্তুটি সেখানে কীভাবে এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১) গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার দেবজিত পাল বলেন, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের তথ্য অনুযায়ী, এটি ৫ আগস্ট থানা থেকে হারিয়ে যাওয়া পুলিশের একটি সাউন্ড গ্রেনেড। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এবং এসআরবি গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে মোস্তাকিম (১২) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু 
দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহত ৭
ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ আলী(৬০) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহত ৭
ভোলায় দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু
ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ আলী (৬০) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের বোরহানউদ্দিন উপজেলার দালাল বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আলী ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মুন্সিবাড়ির মৃত রেজু মুন্সীর ছেলে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে দালাল বাজার এলাকায় ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি অটোরিকশার চালক মোহাম্মদ আলী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় শিশুসহ ছয়জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ আলী জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/টিআর
ভোলায় দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু
পাবনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার বিতরণ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় দুস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বী পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে শারদীয় উপহার হিসেবে ৫০০ টি শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। 
পাবনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার বিতরণ
ভারত থেকে ১৮টি নতুন রেলকোচ পৌঁছাল বাংলাদেশে
ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি নতুন ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলপথ দিয়ে কোচগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রানাঘাট স্টেশন থেকে ছেড়ে গেদে চেকপোস্টের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোচগুলো দর্শনায় পৌঁছায়। কোচগুলো নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হবে। গত ১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালা এলাকা থেকে কোচগুলোর যাত্রা শুরু হয়। রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২০ মে বাংলাদেশ সরকার একটি প্রকল্পের আওতায় ব্রডগেজ রেলকোচ কেনার জন্য ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর চুক্তিটি সংশোধন করা হয়। শুক্রবার দর্শনা স্টেশনে পৌঁছানোর পর কোচগুলোর প্রাথমিক পরিদর্শন, শুল্কসংক্রান্ত ছাড়পত্র (কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স) এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোচগুলো নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হবে। সেখানে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন, কার্যক্ষমতা পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর কোচগুলো যাত্রীবাহী ট্রেনের বহরে যুক্ত করা হবে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে চার ধরনের ১৮টি কোচ এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দুটি এসি স্লিপার কোচ এবং দুটি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। ভারত থেকে আরও ১৮২টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ দেশে আসার কথা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
ভারত থেকে ১৮টি নতুন রেলকোচ পৌঁছাল বাংলাদেশে
আরও পড়ুন
আমবাগান থেকে ৯২টি ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার
আসামি ছাড়িয়ে নিতে ফাঁড়িতে হামলা, দুই পুলিশ সদস্য আহত
এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ