ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
ছবি: আরটিভি

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের ১১ হাজার ভোল্ট লাইনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুল হান্নান শাহ (২২) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার ১ নম্বর বৈয়াগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হান্নান ওই এলাকার আব্দুল গফ্ফার শাহর একমাত্র ছেলে। তিনি আনোয়ারা সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহতের ফুফাতো ভাই মো. ইমরান হোসাইন জানান, হান্নান তার চাচাতো ভাইয়ের দোকানে থাকতেন। পরীক্ষা উপলক্ষে তিনি ছুটিতে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা না থাকায় সুপারি গাছ কাটতে যান। এ সময় গাছটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন ইউনানি চিকিৎসক
ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদিকে, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অন্যটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন এ অভিযান চালায়।  অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাথে ছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পান যে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি রোগী দেখছেন। তিনি এমবিবিএস চিকিৎসক নন, ইউনানী চিকিৎসক। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সেলিম হোসেনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকার ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সেখানে হাবিবুর রহমান নামে একজন ডিএমএফ চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন। অনিয়ম ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়। সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বাসসকে বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অপচিকিৎসা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন ইউনানি চিকিৎসক
স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি
গোপালগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। গত ৬ অক্টোবর দুপুরে স্কুলে টিফিনের পর ক্লাসরুমের সামনের বারান্দায় স্লোগান দেয় স্কুলটির অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেখানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাঁসবে’ বলে শ্লোগান দেয়। পরে সেই ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।  পরে, ৭ অক্টোবর স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনা করে ৪ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারপর ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, স্কুলে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়। পরে ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন ৪ নভেম্বর প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরকে স্কুল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউল হক বলেন, গত ৬ অক্টোবর স্কুলের মধ্যে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পক্ষে স্লোগান দেয় কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় আমি নামাজে ছিলাম। পরে নামাজ থেকে আসার পরে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে আমাকে ফোন করে মিছিলের বিষয়ে জানতে চায়। পরে আমি অন্যান্য শিক্ষকদের কাছে শুনে বিষয়টি নিশ্চিত হই  স্কুলে এই ধরনের মিছিল বা স্লোগান দেওয়া হয়েছে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন অনেকে।  আরটিভি/টিআর
স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
আরটিভি অনলাইনে ‘পরকীয়া প্রেমিকার মেসেজ পেয়ে সন্দেশ নিয়ে বাঁশঝাড়ে হাজির মাসুদ, অতঃপর...’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সংবাদটি মাসুদের স্ত্রী, শাশুড়িসহ অন্যান্য স্বজনের নজরে আসে। এরপর থেকে মাসুদকে খুঁজতে থাকেন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও স্বজনেরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ডোমার বাজারে স্ত্রী ও শাশুড়ির সামনে আচমকাই পড়ে যান মাসুদ রানা। এ সময় তাদের ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে মাসুদকে খুঁজতে থাকেন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই মেয়ে। তাকে না পেয়ে মাসুদের উদ্দেশে গালাগাল করেন তারা। পাশাপাশি জনসম্মুখে তার আগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিতে থাকেন। মাসুদের স্ত্রী ও শাশুড়ি জানান, মাসুদের আগে থেকেই চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে। তিনি প্রায়ই গোপনে বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন। বিষয়টি তার স্ত্রী জানতে পারলে তাদের মধ্যে এ নিয়ে ঝগড়া হতো। মাসুদ এর আগেও তার চাচা শ্বশুরের মেয়ের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করতেন। এ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেও তার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। তারা আরও অভিযোগ করেন, মাসুদ যাঁদের সঙ্গে রাজনীতি করেন, তারাই এসব কর্মকাণ্ডে তাকে প্রশ্রয় দেন। গত বুধবার রাতের ঘটনার পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়ি ও নিজের বাড়িতে না গিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আত্মীয়স্বজনের মধ্যে সুন্দরী কোনো নারী দেখলেই তাদের পেছনে ঘুরে বেড়ান বলে অভিযোগ করেন মাসুদের স্ত্রী। মাসুদের শাশুড়ি বলেন, পালিয়ে তিনি কোথায় থাকবেন? পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলেই তাকে ধরে নিয়ে আসা হবে। এসব কথা বলে মাসুদের স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই মেয়ে থানার দিকে চলে যান। এর আগে, গত বুধবার মধ্যরাতে মাসুদ রানা ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ঘাটপাড়া এলাকার এক পুত্রবধূর সঙ্গে ছয় মাসের কথিত পরকীয়া সম্পর্কের সূত্র ধরে রাতে সন্দেশ নিয়ে বাঁশবাগানে দেখা করতে যান। এ সময় ওই নারীর স্বামীর পাতা ফাঁদে আটকা পড়েন মাসুদ। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তবে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে মাসুদ রানা বলেন, গতকালের ঘটনায় আমি শুধু মেয়েটির সঙ্গে মেসেজে চ্যাটিং করেছি। এ ছাড়া তার সঙ্গে আমার অন্য কোনো সম্পর্ক নেই। রাতে বাড়ি যাইনি। গতকাল থেকে বাইরে থাকা-খাওয়া করছি। আটকের পর অনেকেই ভেবেছেন, আমি পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলে রয়েছি। তাই আজ এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলাম। ডোমার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোপাল চন্দ্র বলেন, গত রাতে এলাকাবাসী মাসুদকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। তবে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে আসা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা সাব্বির প্রামাণিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।  জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের কাছে বারবার সহায়তা চেয়েও সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এ উদ্যোগ নেন তিনি। বগুড়ার বাসিন্দা সাব্বিরকে একটি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুষ্টি চালের মিল, সিমেন্টের ইট তৈরির কারখানা ও মাছের খামারের তদারকি এবং হিসাব ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন। সম্মানজনক বেতনে চাকরি পেয়ে তার পরিবারে স্বস্তি ফিরেছে। সাব্বির জানান, চাকরির জন্য তিনি একাধিকবার জামায়াত নেতাদের দ্বারস্থ হলেও আশ্বাস ছাড়া কোনো সহায়তা পাননি। পরে তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় হামলার শিকার হন সাব্বির। ওই ঘটনায় শিবিরনেতা আবু রুহানী নিহত হন। সাব্বিরের দাবি, গুরুতর আহত অবস্থায় তার শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয় এবং ৬৪টি সেলাই দেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বেঁচে ফিরলেও শারীরিক জটিলতায় স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারেননি তিনি। জীবিকার প্রয়োজনে অটোরিকশা চালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখে চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাব্বির। অবশেষে নতুন চাকরি পাওয়ায় সাব্বির ও তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তিনি। আরটিভি/এসআর  
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও দেশের প্রবীণ আলেমে দ্বীন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দোয়া নিতে এবং তার সভাপতিত্বে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিমানযোগে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে তিনি ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে তিনি হেফাজত আমিরের দোয়া গ্রহণের পাশাপাশি মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। মাদরাসার ১০৪তম দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনের দুই দিনই উপস্থিত থাকছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও বাবুনগর মাদরাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাতি মাওলানা রহমত উল্লাহ বাবুনগরী। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বাবুনগর মাদরাসার মহাসম্মেলনে অংশ নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন শুক্রবার ফটিকছড়িতে আসবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাদরাসার সম্মেলনে অংশগ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচি নেই। তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছাবেন। সেখানে জুমার নামাজ আদায় শেষে মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। মন্ত্রীদের আগমন উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এদিকে, মহাসম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর এবং চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও দেশবরেণ্য আলেম-ওলামাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার বাদ ফজর মাদরাসা প্রাঙ্গণে শুরু হয় দুই দিনব্যাপী এ মহাসম্মেলন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও জামিয়া বাবুনগরের প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্ট ওলামা-মাশায়েখ, ইসলামী চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
আরও পড়ুন
২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হবে চট্টগ্রাম বন্দর
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: রিজভী
শিক্ষিকার চোখে মলম দিয়ে স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই