ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেলেকে কান ধরে ওঠবস করিয়ে মায়ের মরদেহ ফেরত দিলেন চিকিৎসকরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও চিকিৎসকদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ওই রোগীর লাশ আটকে রাখেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি তিন ঘণ্টা জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পরে মৃতের ছেলে রিফাত হোসেনকে বাসা থেকে ডেকে এনে মায়ের মরদেহ ফেরত দেওয়ার শর্তে হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে কান ধরে ওঠবস করানো হয়। এরপর মায়ের মরদেহ ফেরত দেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা। মরদেহ আটকে রেখে ছেলেকে কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রংপুর নগরীর নিউ জুম্মপাড়া পাড়া মহল্লার মাহবুব রহমানের স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫৫) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ছেলে রিফাত তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকদের কাছে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার অনুরোধ করলে আগে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং রাত ৪টার দিকে মৃত্যু হয়।

চিকিৎসকদের অভিযোগ, রোগীর মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা দায়িত্বরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা করেন। এ ঘটনার পর মরদেহ মর্গে রাখা হয়। বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগ বন্ধ করে হাসপাতালে ধর্মঘট পালন করেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের ভাষ্য, রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা চাইতে হবে। তাহলে মরদেহ মিলবে। পরে ১১ ঘণ্টা পর বিকেল ৩টার দিকে রিফাত হাসপাতালে আসলে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে কান ধরে ১০ বার ওঠবস করানো হয়। এরপর মায়ের মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়।

মৃত নুর জাহানের বড় ছেলে নুরুজ্জামান রিন্টু জানান, তার স্ত্রী ফোন করে মায়ের অসুস্থতার খবর দেন। হাসপাতালে এসে দেখেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে মায়ের মরদেহ আটকে রাখা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পরও মরদেহ নামিয়ে নেওয়া হয়। মরদেহ দিতে গড়িমসি করায় বেলা দেড়টার দিকে মরদেহ নেওয়ার দাবিতে মেডিকেল মোড় এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী, ইন্টার্ন চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কার্ডিওলজি বিভাগে অক্সিজেন না দেওয়ায় মায়ের মৃত্যুর পর কর্তব্যরত সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাকিবুল হাসান, ইন্টার্ন চিকিৎসক নাঈম, রাকিবের ওপর চড়াও হন ছেলে রিফাত। এ সময় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এর প্রতিবাদে ভোর থেকে কয়েকজন ইন্টার্ন হাসপাতালে ডেড হাউজের সামনে অবস্থান নেন। তারা মৃতের ছেলেকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত মরদেহ না দেওয়ার ঘোষণা দেন। সকাল ১০টা থেকে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগে তালা দিয়ে ধর্মঘট শুরু করেন। এর মধ্যে কয়েক দফায় মরদেহ নিতে গিয়ে স্বজনরা ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে মর্গের সামনে আসেন। খবর পেয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশিকুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ স্বজনদের দেয়ার জন্য চিকিৎসকদের অনুরোধ জানান। কিন্তু সে অনুরোধও রাখেননি চিকিৎসকরা। মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে গেলে বাধা দেন এবং আটকে রাখেন।

রংপুর ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মিরাজ বলেন, ‘আমরা সকাল থেকে বলে আসছিলাম লাশ নিয়ে আমাদের কোনও বক্তব্য নেই। তবে যে ব্যক্তি চিকিৎসকদের ওপর হামলা করেছে তাকে এখানে আসতে হবে। যেহেতু আমাদের দাবি তাকে আইনের আওতায় আনার, এরপরই মরদেহ নিয়ে যেতে দেবো বলেছি আমরা। বিকেলে অভিযুক্ত ছেলে এসে কান ধরে ওঠবস করে ক্ষমা চেয়ে মরদেহ নিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। রোগীকে হাসপাতালে আনার পরপরই মৃত্যু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দায়িত্বরত চিকিৎসকের গাফিলতি ছিল না। কোনও কারণ ছাড়াই চিকিৎসক নাঈম, রাকিবসহ অন্যদের মারধরের চেষ্টা করা হয়। এমনকি দায়িত্বরত নার্সের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়েছে। রোগীর স্বজনরা যে আচরণ করেছেন, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ ছেলেকে কান ধরে ওঠবস করিয়ে মায়ের মরদেহ ফেরত বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটিও খুবই নিন্দনীয় ঘটনা।’

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই ৮০০ পর্যটক
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাঘাইছড়ির সাজেকে চার দিন ধরে চলা পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রথম দিনে প্রায় ৮০০ পর্যটক সেখানে প্রবেশ করেছেন। দীর্ঘ চার দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতি, রিসোর্ট-রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে গত কয়েক দিন ধরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার সকাল থেকেই খাগড়াছড়ি হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাজেকের দিকে পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচল শুরু হয়। সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মন জানান, চার দিন বন্ধ থাকার পর প্রথম দিনেই প্রায় ৮০০ পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন। পাহাড়ের বুক ঘেঁষে ভেসে যাওয়া মেঘের চাদর ও রূপসী সাজেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ইতোমধ্যে তাঁদের অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেছেন। পর্যটকদের বরণ করে নিতে স্থানীয় কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন মালিকেরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এদিকে, সাজেকে পর্যটকদের নিরাপদ ও আনন্দঘন প্রত্যাবর্তনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাজেকের পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকদের আগমন আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে সাজেকে পর্যটকদের এই প্রত্যাবর্তন স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। আরটিভি/টিআর
অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই ৮০০ পর্যটক
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এক রাতেই আরও ৫১৯ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ নিয়ে আট দফার অভিযানে আটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ জনে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় সর্বশেষ এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন স্থানগুলোকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। এতে জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। পুলিশ জানায়, সর্বশেষ অভিযানে আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫১৯
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা  
কুমিল্লা সদর উপজেলার গোমতী  নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় মো. কাউছার আলম নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। 
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা  
টানা ৮ দিন বন্ধ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা আট দিন বন্ধ রয়েছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল। তিনি জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা আট দিন হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্য আমদানি ও ভারতে পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আগামী ২৪ অক্টোবর (শনিবার) থেকে বন্দরে আমদানি-রপ্তানিসহ অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রম যথারীতি স্বাভাবিক হবে। এদিকে, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। আরটিভি/টিআর
টানা ৮ দিন বন্ধ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি
আখাউড়া স্থলবন্দরে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ 
দুর্গা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের আগরতলার সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাতদিন বন্ধ থাকবে। 
আখাউড়া স্থলবন্দরে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ 
আরও পড়ুন
মৃত্যুর কারণ থেকে যৌন নির্যাতন, ফরেনসিক প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য
৫ বছর ধরে মর্গে ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
রংপুর মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর, সেবা বন্ধ