ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ের দাবিতে বেয়াইয়ের বাড়িতে বেয়াইনের অনশন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
অনশন করছেন ওই তরুণী, ডানে অভিযুক্ত যুবক। ছবি: আরটিভি

শরীয়তপুরের জাজিরায় বিয়ের দাবিতে বেয়াইয়ের বাড়িতে অনশন করছেন এক তরুণী। দাবি না মানলে আত্মহত্যা করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় প্রেমিক ও তার বাবা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে ভুক্তভোগী ওই তরুণীকে অবস্থান করতে দেখা যায়। এর আগে সোমবার (২৯ জুন) রাত ৯টা থেকে আমির হোসেনের বাড়িতে অনশন শুরু করেন তিনি।

প্রেমিক আমির হোসেন মাদবর (২৩) উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামের সুরুজ মাদবরের ছেলে।

জানা গেছে, প্রেমিক আমির হোসেন মাদবরের বসতঘরের সামনে একটি চেয়ারে বসে অনশন করছেন ওই তরুণী। তবে বসতঘরের গেটে তালা ঝুলছে। ঘটনার পর বাবা সুরুজ মাদবর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে গেছেন। অভিযুক্ত আমির হোসেনও পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আমির হোসেন ও ওই তরুণী সম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ওই সূত্রে তরুণীর আমির হোসেনের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমির হোসেন তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন।

আরও পড়ুন

এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে।

অনশনরত তরুণী বলেন, আমির হোসেনের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে আমাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। সর্বশেষ সে আমাকে বাড়ি থেকে চলে আসতে বলে। আমি তার বাড়িতে আসার পর সে আমাকে রেখে পালিয়ে যায়। আমির ফিরে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে কোথাও যাব না। সে আমাকে বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করব।

এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কিশোরীর পেটব্যথা কমাতে মাকে তেল-পানি আনতে পাঠান মাদরাসার প্রিন্সিপাল, অতঃপর...
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পদ্মায় চলছে মা ইলিশ নিধন, প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে পাড়ে
পল্লি চিকিৎসকের ভুল ইনজেকশনে প্রাণ গেল ৪ বছরের শিশুর
নদীভাঙন রোধে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর মানববন্ধন