ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সন্তানদের জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ কৃষক লীগ নেতার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর সদর উপজেলায় প্রবাসীর বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার পর দুই সন্তানকে জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক কৃষক লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) রাতে ভুক্তভোগী জয়দেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২৪ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ধলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত কাইয়ুম মীর (৪৬) ধলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগে তাকে ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগে বলা হয়েছে, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকায় তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। এই সুযোগে অভিযুক্ত কাইয়ুম মীর ছয় থেকে সাত মাস ধরে বিভিন্ন সময় তাকে অশালীন প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তিনি প্রতিবারই সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে অভিযুক্ত তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।

ঘটনার দিন রাতে কাইয়ুম মীর ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে জানান, রাজনৈতিক বিভিন্ন মামলার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে খুঁজছে। তাই তিনি এক রাতের জন্য আশ্রয় চান। মানবিক কারণে ভুক্তভোগী তাকে ঘরে থাকতে দেন।

রাত আনুমানিক ১২টার দিকে অভিযুক্ত আবারও ভুক্তভোগীকে কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে ঘরে থাকা একটি ধারালো বঁটি দিয়ে চার মাস বয়সী শিশুপুত্রের গলায় ধরে হত্যার হুমকি দেন। একই সঙ্গে ১৩ বছর বয়সী মেয়েরও ক্ষতি করার ভয় দেখান। সন্তানদের প্রাণনাশের আশঙ্কায় অসহায় হয়ে পড়লে অভিযুক্ত তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে সাহস সঞ্চয় করে তিনি থানায় গিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং আইনের আশ্রয় নেন।

এ বিষয়ে কাইয়ুম মীরের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর এলাকায় ভুয়া ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ওষুধসহ ৬ জনকে আটক করেছে এসআরবি-২।
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
ডাব চুরি করতে নারকেলগাছে উঠেছিলেন এক যুবক।
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দাঁড়িয়ে আছে তিনতলা ভবন। কক্ষে কক্ষে সাজানো চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রস্তুত শয্যা, চিকিৎসক ও কর্মীদের থাকার জন্য রয়েছে ডরমিটরি। এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে জেনারেটরও। কিন্তু নেই চিকিৎসক। এ অবস্থা ঝিনাইদহ জেলার চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের। অভিযোগ রয়েছে, উদ্বোধনের আট বছর পরও চিকিৎসক সংকটের কারণে এসব কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের গর্ভবতী নারীরা। কাছের এসব কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে তাদের ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্তের বিভিন্ন হাসপাতালে। এতে বাড়ছে ভোগান্তি ও জীবনের ঝুঁকি। তবে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা ঝিনাইদহের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এসব হাসপাতাল। ২০১৮ সালে উদ্বোধনের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল, গ্রামের নারীরা নিরাপদ মাতৃত্বসেবা পাবেন, জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে এবং নবজাতকের প্রয়োজনীয় সেবাও মিলবে। কিন্তু আট বছরেও সেই প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। ভবন ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে সরকারি এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বড় একটি অংশ। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার শৈলকুপা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দুধসর। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। পরিকল্পনা ছিল, এ কেন্দ্র থেকেই গর্ভবতী নারীদের প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, প্রসূতি ব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। কিন্তু চিকিৎসক সংকটে এত দিনেও প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ সেবাকেন্দ্র হিসেবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। একই চিত্র ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা, কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা এবং শৈলকুপার কাঁচেরকোল গ্রামে নির্মিত অন্য তিনটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও। তিনতলা ভবন, শয্যা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য অবকাঠামো থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী সেবা দিতে পারছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালগুলো নির্মাণের সময় যে আশার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে গিয়ে রোগীদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসববেদনা ওঠা নারী কিংবা অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হলে পরিবারের সদস্যদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে চারটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত এসব হাসপাতালের বাস্তবায়ন করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিটি হাসপাতাল তিনতলাবিশিষ্ট। চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন কক্ষ। দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এলাকার বাসিন্দা বসির আহম্মেদ বলেন, হাসপাতাল আছে, ভবন আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকলে মানুষ কীভাবে সেবা পাবে? গর্ভবতী নারী কিংবা শিশুর অসুস্থতার সময় দূরের হাসপাতালে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি লাগে। ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. মোজাম্মেল করিম বলেন, হাসপাতালগুলো চালু থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার পরিধি বাড়ানো সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
চলতি মৌসুমে সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচলের দ্বিতীয় দিনে তিনটি জাহাজে করে ১ হাজার ৫৫৪ জন পর্যটক দ্বীপটির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। এদিন নতুন করে আরও দুটি জাহাজ যুক্ত হওয়ায় তিনটি জাহাজে পর্যটক পরিবহন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার ৮৩৬ জন পর্যটক নিয়ে মৌসুমের প্রথম যাত্রা শুরু করে এমভি বারো আউলিয়া। শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। জাহাজ পরিচালনাকারী সূত্রে জানা গেছে, এমভি বারো আউলিয়ায় ৬১৯ জন, এমভি কর্ণফুলীতে ৩৮৭ জন এবং এমভি টেকনাফে ৫৪৮ জন পর্যটক রয়েছেন। তাদের দুপুরের মধ্যে দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত অনুমোদিত তিনটি জাহাজ নিয়মিত চলাচল করবে। এসব জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৩০০ জন। এ বছর প্রতিদিন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি থাকায় প্রয়োজনে জাহাজের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণ চালুর কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, নৌযানের ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। এদিকে শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। ঢাকার উত্তরা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, ভ্রমণপিপাসু মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজের টিকিটের দাম আরও কমানো উচিত। এবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ করা। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চলাচল নিষিদ্ধ। সামুদ্রিক প্রাণী, প্রবাল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতিসাধন থেকেও পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে। আরটিভি/টিআর
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
সাজেকে অবরোধে বাতিল কঠিন চীবর দানোৎসব
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে চলমান অবরোধ কর্মসূচির কারণে বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে বাতিল করা হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দানোৎসব। প্রতিবছর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাজেকের বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে এ আয়োজন করা হলেও চলমান পরিস্থিতিতে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অবরোধের কারণে যাতায়াতব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় ভিক্ষু-শ্রমণ, দায়ক-দায়িকা ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষের পক্ষে এতে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সাজেক বনানী বনবিহার কঠিন চীবর দান উদ্‌যাপন কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাজেকের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অনিবার্য কারণে ৬ ও ৭ নভেম্বরের কঠিন চীবর দান উৎসবের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। গত ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক সড়কে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি শুরু করে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন। গত ১ নভেম্বর এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিলের পর ২ নভেম্বর থেকে চতুর্থ দফায় আবারও অবরোধ শুরু হয়। শুক্রবার পঞ্চম দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে গত বুধবার থেকে কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের বহনকারী যানবাহন অবরোধের আওতামুক্ত ঘোষণা করেছেন অবরোধকারীরা। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।’ এদিকে সাজেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা মন্ত্রণালয়কে জানানোর সুপারিশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। আরটিভি/টিআর
সাজেকে অবরোধে বাতিল কঠিন চীবর দানোৎসব
আরও পড়ুন
‘ফ্যাসিস্ট শক্তি পুলিশকে লক্ষ্যবস্তু করে আন্দোলনের নামে সহিংসতা চালাচ্ছে’
গাজীপুর সাফারি পার্কের নীলগাই পরিবারে জন্ম নিলো ৪ শাবক
পরিকল্পিত নাশকতা, ভাঙচুর ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শ্রীপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
গাজীপুরে ঝুট গুদামে আগুন