ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কাভার্ডভ্যান-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ এএম
দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে চকরিয়া উপজেলার হারবাং বাসস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমাম হোসেন (৩৫) চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর দক্ষিণ পাড়ার শামসুল আলমের ছেলে। আহত অপর দুই যাত্রীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা তিন যাত্রী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে গুরুতর আহত ইমাম হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে চিরিংগা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পর ইমাম হোসেন নামে একজনের মৃত্যু হয়। অপর দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হলেও পরে হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বামী-শ্বশুড়বাড়ির নির্যাতন সইতে পারলেন না মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাসিন্দা প্রবাসী স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের অব্যাহতভাবে মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে বরিশাল বিএম কলেজের মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর খানম সেতুর বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
স্বামী-শ্বশুড়বাড়ির নির্যাতন সইতে পারলেন না মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর
আলমসাধুতে করে নিষিদ্ধ মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই যুবক, অতঃপর...
যশোরের কেশবপুরে মাছের খাবার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাওয়ার সময় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আলমসাধুতে করে নিষিদ্ধ মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই যুবক, অতঃপর...
শাসন করায় শিক্ষককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটাল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র
বগুড়ায় স্কুলে শাসন করায় ছুটির পর রাস্তায় শরীরচর্চা শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে।
শাসন করায় শিক্ষককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটাল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র
আবারও প্রশ্নবিদ্ধ বরখাস্ত হওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে সাংগঠনিক পদে থাকার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন ভোলার চরফ্যাশনের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সফিউল্লাহ জগলু। বরখাস্তের খবর প্রকাশের পর সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। তার এই সংবাদ সম্মেলন ঘিরে সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি অনুসরণের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
আবারও প্রশ্নবিদ্ধ বরখাস্ত হওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে সরকারি অর্থে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে ব্যবহারের অপেক্ষায় পড়ে আছে। প্রায় ১৩ কোটি টাকা খরচে তৈরি সেতুটির দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক নেই। ফলে যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষকেও নদী পার হতে হচ্ছে স্থানীয়ভাবে বানানো কাঠের সিঁড়ি বেয়ে।  ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও নদের ওপর সেতুটি নির্মাণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এর দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার, প্রস্থ ১৩ মিটার। নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে।  কিন্তু সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ না থাকায় এটি এখনো কার্যত অচল। সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও জনগণ এর কোনো সুফল পাচ্ছে না। উল্টো সেতুর অবকাঠামো ধীরে ধীরে নষ্ট হচ্ছে। সেতুটি চালু না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। জরুরি প্রয়োজনে তাদের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়ক ধরে অনেক দূরের পথ ঘুরে যেতে হয়। কিন্তু এই বিকল্প পথ সময়সাপেক্ষ তো বটেই, নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড় ও বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া এই সড়কের দৈর্ঘ্য ১৭ কিলোমিটার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায়ও এখানে বনদস্যুদের উৎপাত চলে। যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে মানুষকে জিম্মি করার ঘটনা এখানে নতুন নয়। অনেক সময় যাত্রীদের গভীর বনে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। দস্যুদের গুলিতে হতাহতের ঘটনাও কম ঘটেনি।  এই ঝুঁকির কারণে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অর্থাৎ রাতে হঠাৎ কারও অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে এলাকার মানুষের হাতে তেমন কোনো বিকল্পই থাকে না। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সংযোগ সড়ক ছাড়াই সেতুটি দাঁড়িয়ে আছে। মানুষ সেতুতে ওঠানামা করছেন কাঠের সিঁড়ি দিয়ে। স্থানীয় কৃষক সাদেকুর রহমান জানান, মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য গত জুলাই মাসে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই সিঁড়ি বানানো হয়েছে। এলাকার উৎপাদিত ফসল এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগীদেরও ঝুঁকি নিয়ে এই সিঁড়ি দিয়ে সেতুতে তুলতে হয়।  তার আশঙ্কা, সিঁড়িটি ভেঙে গেলে পারাপার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তিন ইউনিয়নের মানুষের সুবিধার জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু বানালেও তা কোনো কাজে আসছে না। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে শিক্ষার্থীরা। ঈদগড়ের স্কুলশিক্ষার্থী মোহাম্মদ উল্লাহ জানায়, প্রতিদিন দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই সিঁড়ি দিয়ে সেতু পার হয়ে ঈদগাঁও ও রামু সদরের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যায়। বৃষ্টি হলে ভেজা কাঠের সিঁড়ি পার হওয়া বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। তার প্রশ্ন, এত দিনেও কেন সেতুটি চালু হলো না। একটি আনুষ্ঠানিক সংযোগ ব্যবস্থার অভাবে প্রতিদিন শিশু-কিশোরদের এভাবে ঝুঁকি নিয়ে পড়তে যেতে হচ্ছে, এটি প্রশাসনের জন্যও ভাবনার বিষয়। স্থানীয়রা মনে করেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ঈদগড় ও গর্জনিয়ার বাসিন্দা আবুল কালাম ও আবদুর রহিমের মতে, জমি অধিগ্রহণে জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঠিকাদারের অবহেলার কারণেই সেতুটি পাঁচ বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। ব্যবহার না হওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। এতে জনগণের করের টাকায় তৈরি একটি সম্পদ অযত্নে ক্ষয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কের ডাকাতি কমে আসবে। তখন হাজারো মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন, যাতায়াত খরচও অনেক কমবে। অর্থাৎ সেতুটি শুধু যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেই নয়, এলাকার নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংযোগ সড়ক না হওয়ার কারণ হিসেবে স্থানীয় প্রতিনিধিরা বেশ কয়েকটি বাধার কথা বলছেন। ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জানান, সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর পড়েছে। এতে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ওপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যান। এতে প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে। ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, সেতুটি দ্রুত চালুর জন্য তৎপরতা চলছে। তাঁর ভাষ্য, সেতু চালু করা এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আগের দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর আশ্বাস, নতুন ঠিকাদার নিয়োগের পর দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে এলাকাবাসীর কাছে এই আশ্বাস নতুন নয়। পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করা মানুষের মনে প্রশ্ন, নতুন দরপত্রের প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কত সময় লাগবে। এর মধ্যে জমি-জটিলতার সমাধান না হলে নতুন ঠিকাদারও একই বাধার মুখে পড়তে পারেন। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দরপত্র আহ্বান যথেষ্ট নয়।  জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি আগে নিষ্পত্তি করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। না হলে ১৩ কোটি টাকার এই সেতু আরও কিছুদিন কাঠের সিঁড়ির ওপর ভর করেই কোনোরকমে টিকে থাকবে, আর ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হবে হাজারো মানুষকে। আরটিভি/এসআর
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
আরও পড়ুন
সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
কাজ শেষে বাসায় ফেরা হলো না ফালু মিয়ার
স্বামীর মোটরসাইকেলে স্কুলে যাচ্ছিলেন শিক্ষিকা, মুহূর্তেই পিষে দিলো ট্রাক
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরা হলো না ছাত্রদল নেতার, পথেই নিভল প্রাণ